অনুতপ্ত মোন

অনুতপ্ত মোন

ক সম্ভোলপুর গ্রামে অতনু মজুমদার বসবাস করতেন, অতনু পরালেখায় খুব পারদর্শিতা ছিল অতনু এছাড়াও গান বাজনা করতেন, অতনু পরউপকারি ছিল কোন মানুষ বিপদে পড়লে তৎখনাক সাহায্য করতেন, অতনু খুব গরিব ঘরের ছেলে তার বাবা কেনসার রোগে ভুগছিলেন, অতনুর মা পরের বাড়িতে রান্নার কাজ করতেন,।
অতনু খুব গরিব সে টিউশন পড়তে টাকা না দিতেপারায় তাকে টিউশন ছাড়তে হয়। অতনুর একটাই টার্গেট ছিল তাকে টিউশন পড়ার টাকা জোগাড় করতে হবে, তাই অতনু তার বাড়ির বাগানের সাগ সবজি বিক্রি করতে চলেগেলেন পরের দিন সকালে হাটে, হাটে সাক সব্জি বিক্রি করে করে সে পড়াশোনা টাকা জোগাড় করে ফেলেন।
অতনু ক্লাস এইটে পরতে, অতনু রামচন্দ্র হাই স্কুলের পরতেন।
অতনুর সপ্ন সে বড়ো হয়ে সে ডক্টর হবে, তারমানে যে তার বাবা মতো কাওকে বিনা চিকিৎসায় মরতে না হয়।
অতনু খুব হাসি খুশি ছেলে বন্ধু বান্ধব সবাই কে নিয়ে মিলে মিশে থাকতো।
অতনু মাধ্যমিকে ভালো ড়িকড়ি পাশ করে সে ভালো স্কুলে ভর্তি হলো।
অতনু জিবনে নেমেএলো একঝড়,
ভালো কলারসিপ পেয়েছিল।
অতনু ওই স্কুলে ভালো নাম করেছিল।
সুজাতা নামে এক মেয়ে তাকে খুব ডিস্টার্ব করতো, এ ভাবে কেটে যায় অনেক দিন।
অতনু সুজাতা প্রেমেপরে গেলো বেশ এই ভাবে ওদের দুই জনার মধ্যেই প্রেম মাস ছয় কেটেছে।
বেশ সুজাতা অতনু জিবন থেকে আস্তে আস্তে সরে গেলো।
অতনু সামনে সুজাতা তার বন্ধু সজয়ের সঙ্গে প্রেম করতে দেখে, অতনু সুজাতা কে ডেকে বলে এটা কী হচ্ছে সুজাতা, বললো আমি সুজয় কে ভালো বাসি তোমাকে না,
অতনু তুমি কী আমার সঙ্গে প্রেমের অভিনয় করলে। হা আমি তোমার সঙ্গে আভিন করেছি। অতনু বলে কেন আমার এই জিবন টাকে নষ্ট করলে বল জবাব দাও। যানি না তুমি কী করবে আমীর কী জানি।
অতনু দিন দিন ভেঙে পরলো, অতনু সুজাতা কে বললো আমি তোমাকে বেঁচে থাকা কালিন কখনো ভুলবো না।
অতনু নিরাসক্ত হয়ে ফিরে এলো ঘরে।
অতনুর চোখে সেই দিশ্য ভেসে বেড়াচ্ছিল সে পরিতাকতো প্রেমে মূতুবরন করলো।
সেই খবর পেয়ে সুজাতা ছুটে এলো অতনুর ঘরের নিধন দেহোর দিকে তাকিয়ে। পারার পতিবেশি সুজাতা কে বেড়ে করে দিল, সুজাতা কেঁদে কেঁদে বুক ভাসিয়ে দিল। আর একদৃষ্টেতে তাকিয়ে।
তাই কেউ দাঁত থাকতে দাঁতের মর্যাদা বোঝেনা।।

ইতি সৌরভ  বন্দ্যোপাধ্যায়

গল্পটি আপনার কেমন লাগলো রেটিং দিয়ে জানাবেন
[Total: 0   Average: 0/5]
বন্ধুদের সঙ্গে "Share" করুন।
Open chat
1
যোগাযোগ করুন
আপনার গল্পটি প্রকাশ করার জন্য যোগাযোগ এখনে।