অভিলাষ ( প্রথম পর্ব )

অভিলাষ ( প্রথম পর্ব )

অভিলাষ ( প্রথম পর্ব )

– সুদূরের হাতছানি

চারদিকে গাড়ি-ঘোড়ার প্রচণ্ড শব্দের মাঝে দুই যমজ মেয়েকে দুই হাতে ধরে হনহন করে হেঁটে গাড়ির খোঁজ করছেন মিসেস অপর্না হালদার। যমজ কন্যাদ্বয়ের বয়স তিন এবং তারা অতিমাত্রায় চঞ্চল, মায়ের হাত ধরে থাকার নাম নেই, যে যেভাবে পারে দৌড় দেওয়ার তালে আছে। খুঁজতে খুঁজতে নিজেদের সাদা গাড়িটা পেয়ে গেলো অপর্না। ড্রাইভিং সিটে অস্থির হয়ে বসে আছে সুদীপ। এম.বি.এ -র দ্বিতীয় বর্ষে পড়া সুদীপকে জোর করে টেনে এনেছেন অপর্না, পূজার আগে ব্যাস্ত মার্কেটের সামনে গাড়ি রাখা আর চালানো যে কি যন্ত্রণা সুদীপের চেয়ে ভালো এই মুহূর্তে কে জানবে। অপর্না আর ওর ছোট দুই মেয়েকে উঠিয়েই হুশ করে বেরিয়ে গেল সুদীপ। মিনিট পঞ্চাশের মাথায় পৌঁছে গেলো ওদের অ্যাপার্টমেন্টে। লিফটে করে একগাদা কাপড় চোপড়ের ব্যাগ নিয়ে দশ তলা পর্যন্ত উঠে অপর্না চাবি দিয়ে ফ্ল্যাটের দরোজা খুললেন, সাথে সাথেই গুলির মত যমজ দুই মেয়ে টাপুর-টুপুর ঘরের ভেতর তাণ্ডব করতে করতে ঢুকে গেলো। ঘামে ভিজে জব জব করছেন অপর্না, শাড়ি ব্লাউজ যেন গায়ে লেপ্টে আছে। দুই হাতে সদ্য শপিং করা ব্যাগ নিয়ে বাসায় ঢোকার জন্য পা বাড়িয়েছেন, নিজের স্ফীত কোমরে আলতো হাতের চাপ অনুভব করলেন। চোখ পাকিয়ে সুদীপের দিকে তাকালেন, সূদীপ একটা বোকা বোকা হাসি দিলো।



সিফনের শাড়ি পরা লম্বা অপর্নার ত্রিশ বছরের তন্বী শরীরটা বড় টানে তেইশ বছরের সুদীপকে। অপর্না বেশ রিজার্ভড কিন্তু তারপরও গত এক বছরে ধরে ওদের সম্পর্কটা অনেকটা স্বাভাবিক। টাপুর-টুপুর পেটে থাকাকালীন ওদের বাবা অপর্নাকে ছেড়ে অন্য কারো সাথে ঘর বেঁধেছেন পৃথিবীর অন্য কোন প্রান্তে। অপর্নার নিঃসঙ্গ জীবনে বাচ্চাকাচ্চা ছাড়া আর কেইবা আছে। অপর্নার বাবা পিছুটানহীন সুদীপকে নিজের পায়ে দাঁড়াতে সাহায্য করেছিলেন। কুমারী গর্ভবতী অপর্নাকে বিয়ে করার অনুরোধ যখন সুদীপের কাছে আসে, তখন মুখের উপর না করাটা ওর পক্ষে সম্ভব হয় না। নিজের ব্যবসার অংশীদার করে অপর্নার বাবা তখনকার মতো অবস্থাটা সামাল দিয়েছিলেন। কিন্তু অপর্না শুরুতে কিছুতেই সুদীপকে নিজের স্বামী হিসেবে মেনে নিতে পারেনি। একদম সাধারণ অল্পবয়সী সুদীপকে, স্বাধীনচেতা অপর্না খুব একটা ভালো চোখে দেখত না। লোকলজ্জায় বাধ্য হয়ে সুদীপকে মেনে নিলে, অপর্নার বাবা ওদেরকে এই শহরে পাঠিয়ে দেন। তাই টাপুর-টুপুরের জ্ঞান হওয়ার পর থেকে সুদীপকেই বাবা বলে চিনিয়েছেন অপর্না। কষ্টকর ছিল বছর একুশের সুদীপের জন্য ব্যাপারটা মেনে নেওয়ার কিন্তু এম.বি.এ পড়ার সুযোগ ব্যবসার অংশীদারীর প্রলোভনটাও কম ছিল না। পরবর্তীকালে সামান্য প্রতিবাদের চেষ্টা করার আগেই অপর্নার দেওয়া অমৃতসুধা পান করে সুদীপ যেন অপর্নার কেনা গোলাম হয়ে গিয়েছে।

এদিকে গত দু-চার দিন ধরে চলছে অপর্না আর সুদীপের ঝগড়া, অপর্না ঘুমচ্ছেন টাপুর-টুপুরের সাথে। রাতের বেলা ছটফট করে সুদীপ, ইচ্ছে করে নারীসঙ্গ পেতে, অপর্নার কামুক শরীরটাকে চটকাতে ইচ্ছা করে। বছরখানিক ধরে ওদের মাঝের শারীরিক সম্পর্কটা চালু করেছেন অপর্না, তবে অপর্নার অমতে কখনই ওকে পাওয়ার অভিলাষ পোষণ করেনি সুদীপ। খুব বাধ্য ছেলে, চুপচাপ সুদীপকে বিছানায় একরকম এলিয়ে খেলিয়েই নিজের শরীরসুধা পান করান অপর্না। তাই হঠাৎ কোমরে সুদীপের হাত বিনা নোটিশে পড়াতে ওর দিকে একরকম অগ্নিদৃষ্টিতেই তাকালেন অপর্না। পরক্ষণেই মনে হল, আহা দুঃখের সাথী তার সুদীপ। আজ রাতে পুষিয়ে দেবেন ঠিক করলেন, কয়দিন ধরে পুরুষালি আদর পাওয়ার জন্য সুদীপের কাছে শুতে ইচ্ছে করছে। সুদীপের সাথে আজ আবার শরীরে শরীর মেলাবেন ঠিক করলেন, কিন্তু সুদীপকে কোনোরকমে বুঝতে দেবেন না। গটগট করে ব্যাগ নিয়ে মাস্টার বেডরুমে ঢুকে গেলেন অপর্না। কড়া একটা শাওয়ার নিতে হবে, পার্লারেও যেতে হবে, আজকে ওয়াক্সিং করাবেন। ফ্যাল ফ্যাল করে চেয়ে থাকলো সুদীপ, অপর্নাকে এখনো বুঝতে পারেনা ছেলেটা। এই বয়সে উত্তাল বন্ধুবান্ধব থাকবে, থাকতে পারে দু-একটা ক্লোজ মেয়ে বন্ধু, কিন্তু সুদীপের সোজা-সাপ্টা জীবন যেন ওর কুড়ি বছর বয়স থেকেই পরিবর্তিত যখন এক বিষণ্ণ সন্ধ্যায় অপর্নার বাবা ওকে ঘরে ডেকে ঐ গুরু দায়িত্ব দিলেন। আর বছর খানেক বাদে ঐরকম আর এক সন্ধ্যায় অপর্না ওকে ডেকে বলে, আমি চাই না ওদেরর কুকুর বাবাকে চিনুক টাপুর-টুপুর। আর আমার কোন পুরুষে বিশ্বাসও নেই। আমি চাই ওরা তোমাকে বাবা হিসেবে চিনুক, এ বিষয়ে কোন উচ্চবাচ্য আমি চাইছি না। আর এখন থেকে তুমি আমার সাথেই ঘুমোবে, তোমার রুম এখন থেকে টাপুর-টুপুরের রুম। সুদীপকে কথা বলার সুযোগ না দিয়ে পরদিন থেকেই বাবার দায়িত্ব ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়েছেন অপর্না। অপর্নার সাথে দেনা পাওনার হিসাব চুকানোর কথা ভাবতে ভাবতেই বছর খানেক আগে এম.বি.এ -র প্রথম বছরের রেজাল্টের পর এক রাতে অপর্নাকে নিজের শরীরের উপর আবিষ্কার করলো সুদীপ। ঠিক একটা বাঘ যেভাবে হরিণকে খায় ঠিক সেভাবেই কচি সুদীপকে ছিঁড়ে খুঁড়ে সারা রাত জাগিয়ে কৌমার্য নিজের করে নিয়েছিলো অপর্না। সুদীপের মাথায় কামের আগুন দাউ দাউ করে জ্বলছিল। ঠিক সেই রাত থেকেই ও শরীরী হিসেবেও অপর্নার স্বামীর জায়গা পাকাপাকি করে ফেললো। তারপর এক বছরে কতবারই না অপর্না গভীরে নিজেকে ডুবিয়ে দিয়েছে সুদীপ। কনডমের ব্যাবহার কি জানে না সুদীপ, অপর্না কখনোই শেখায়নি। পিল খেয়ে মটু টাইপের হয়েছে কিছুটা, তাতে যেনও রূপের বাহার আরও খুলেছে অপর্নার। সুদীপের জীবনে এক নারীই, বউ (হয়তবা), যৌনসঙ্গী মিসেস অপর্না হালদার। সারাদিন সাত পাঁচ ভেবে ছুটির দিনের বিকেলে শপিং করে এসে ঘুমিয়ে পড়েছিলো সুদীপ। অপর্নার তীক্ষ্ণ মেয়েলী ডাকে ঘুম ভাঙল ওর তখন ঘড়ির কাঁটা রাত ৯টা ছাড়িয়েছে।




– এই শুনছো, ভাত বেড়েছি খেতে এসো, টাপুর-টুপুর কোথায় গেলি তোরা?

ফ্ল্যাটের জানালা দিয়ে একফালি চাঁদ, দুঃখী চাঁদ কি? সুদীপ একমনে চেয়ে থাকে চাঁদের দিকে। আচ্ছা ওকি নিঃসঙ্গ একটা মানুষ। সুদীপ ভাবে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সুদীপ ভালোই একটিভ কিন্তু ব্যাক্তি জীবনে হাতে গোনা কয়েকজন বন্ধু ওর জীবনের রুঢ় প্রগাড় সত্য সম্পর্কে অবগত। ভাবুক সুদীপ ভাবে, ভাবতেই থাকে, ভাবনার মাঝে ওর মনের ক্যানভাসে খেলা করে জীবনের একমাত্র নারী-সত্তা, অপর্না, ওর জীবনের রহস্যময় চরিত্র। অপর্নার কথা ভাবতে ভাবতে সুদীপের পৌরুষ চেতনা বশ করে নিতে থাকে চিরাচরিত সুদীপের ভাবুক, লাজুক মনটা কে। আচ্ছা, অপর্না কি অনেক সেক্সি? ও অপর্নাকে নিয়ে ভাবে কেন? অপর্না তো ওর ঠিক বিয়ে করা বউ নয়। আচ্ছা অপর্নার সাথে ওর শারীরিক সম্পর্ক কেন? লোকজনের সামনে বিবাহিত দেখানোটাই আসল। অপর্নার শরীরটা সুদীপের মাথার ভেতরে ঘুরতে থাকে। সুদীপ কল্পনা করতে থাকে, খাটের বরাবর বাথরুমের দরজাটা খুলে বেরিয়ে এলো অপর্না, পরনে শুধু একটা সাদা টাওয়েল। হাঁটুর অনেকখানি উপরে কিন্তু বক্ষ বিভাজিকার ঠিক স্ফীত অংশ থেকে আটকানো। ছোট্ট পা ফেলে ফেলে ঘাড় পর্যন্ত স্ট্রেট চুল এলিয়ে অপর্না যেন ঘুরে বেড়াতে থাকলো ঘরের ভেতরে। সুদীপের দিকে একটা কামুকি হাসি দিলো কি? ঘরের ঠিক মাঝখানে এসে একটানে বড় তোয়ালেটা গা থেকে টেনে খুলে নিলো অপর্না। ইসশ কি আগুনের মত কোমল পেলব ফর্শা দেহটা অপর্নার। ভরপুর যৌবন উপচে উপচে পড়ছে, সুদীপ কোথা থেকে শুরু করবে। খাঁড়া টিকলো নাক অপর্নার, তার নিচে পাতলা বাদামি টানা ঠোঁট, নাকের উপর একটা নথ পরা সবসময়, কি অপরূপ সেক্সি, গায়ের রঙটা অদ্ভুত বাদামের মত ফর্সা, এক চিমটি লোমের দেখা পায়নি আজ পর্যন্ত সুদীপ, অপর্নার শরীরের ভাজে ভাঁজে। চিকন লম্বা একটা মুখ, কানের কাছে ভেজা চুল, টপটপিয়ে জল পড়ছে, হঠাৎ উল্টো ঘুরে গেলো অপর্না, সুদীপের দিকে ফিরে একটা চিকন হাসি দিলো। পিঠটা যেন মসৃণ মাখনের মত একটা জমি, এত নিখুঁত কি করে, সরু লম্বাটে দুই হাতে ধরে আছে অপর্না নিজের পীনোন্নত স্তনযুগল, দুই সন্তানের জন্ম আর তাদের স্তনদানে স্ফীত, উন্নত, যেন মাথা উঁচু করে অভিকর্ষজ টানকে উপেক্ষা করে সকল অসঙ্গতিকে ব্যাঙ্গ করে ব্রা -এর বন্ধনী খুলে মুক্ত বাতাসের আস্বাদ নিচ্ছে। পিঠ বেয়ে চোখ নামিয়ে নিয়ে আসে তরুণ সুদীপ, সরু কোমর অপর্নার, উফ্ যতবারই হাত দিয়ে ধরেছে ততবারই কোমরের ভাঁজে নরম চর্বি আর ভাঁজে ভাঁজে ঘাম, যেন সুদীপের হাত দিয়ে কারেন্ট শক সারা শরীরে ছড়িয়ে দিয়েছে। নারীর ভরাট শরীরে সরু কোমরের পরেই আছে অপর্নার ছড়ানো নিতম্ব। সুদীপ সব বিলিয়ে দিয়েছে অপর্নাকে, বিনিময়ে ইনিয়ে বিনিয়ে একবার চেয়েছিল ওকে নিজের মতো করে পেতে, চেয়েছিল অপর্নার গর্ভে নিজের ঔরসজাত সন্তান। মেজাজি অপর্না ঠাস করে চড় কষিয়েছিল তেইশ বছরের যুবক সুদীপকে। হিস হিসিয়ে উঠে দাঁতে দাঁত ঘষে বলেছিল হারামজাদা আর একবার যদি মুখে শুনি ওসব কথা তাহলে শুনে রাখো যা এখন পাচ্ছো তাও পাবে না। নেমে পড় আমার উপর থেকে, এখুনি নামো, নাহলে চুলের মুঠি ধরে মারতে মারতে বারোটা বাজিয়ে দেব। অগত্যা ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে দেওয়ালের দিকে মুখ ঘুরিয়ে শুয়ে রাত কাটিয়েছিল সুদীপ।

কল্পনায় বিচরণ করে সুদীপ, বিছানার দিকে এক পা এক পা করে এগিয়ে আসে ওর কামনার খেলার সঙ্গী অপর্না। স্বমহিমায় উজ্জ্বল কাম যাতনা মেটাতে সক্ষম যে কোনো বয়সী পুরুষের এমনকি গত বছর খানিক ধরে যা মিটিয়ে যাচ্ছে সুদীপের কামতৃষ্ণা। তৃষিত সুদীপের অপার সুখের ভেলায় ভাসিয়ে নিজের যৌবনজ্বালা মিটিয়ে যাচ্ছেন সিদ্ধহস্তে কামুকী নারী মিসেস অপর্না। এলোমেলো ভাবনায় একলা ডাবল খাটে ছটফট করে সুদীপ। ও শুনতে পায় না টাপুর-টুপুরের ঘরের দরজা বন্ধের শব্দ ও জানতে পারে না আজকের রাতে রতিমিলনের আহ্বান নিয়ে পাতলা স্যাটিনের লো-কাট নাইটি পরা অপর্না, ওকে নিয়ে সুখের সাগরে পাড়ি দিতে আসছে, সুদীপকে শরীর দিয়ে ভালবাসতে তৃষিতের তৃষ্ণা মেটাতে…………। ঘুমটা গভীর সুদীপের, অল্প নড়াচড়ায় বুঝতে পারে না, ঘুম ভাঙ্গেও না, এমনিতেই ছিল ক্লান্ত, রূপসী অপর্নার কথা ভাবতে ভাবতে শুয়ে পড়েছে। আচমকাই ঘুম ভেঙ্গে গেলো সুদীপের। কয়েক সেকেন্ড সময় লাগলো ওর বুঝতে কোথায়, কিভাবে আছে ও। বুকের উপর চাপ, অপর্না সওয়ার হয়েছে ওর উপর। অপর্নার পরণে লেসের ব্রা আর জি-স্ট্রিং প্যান্টি, ডিমলাইটের হাল্কা নীল আলোয় সুদীপ বুঝতে পারলো। ওর হাল্কা লোমশ আর চর্বিহীন পেটে মোটা ঠোঁট দিয়ে চকাস চকাস করে চুমু খেয়ে যাচ্ছে ত্রিশ বছরের ভরাট নারী, ওর কাগুজে বৌ অপর্না। পরণের হাফ্প্যান্ট বরাবরের মতই অপর্নার দক্ষ হাতে বিছানার বাইরে চলে গিয়েছে, ও সবসময়েই সুদীপকে প্রথমে উলঙ্গ করে নেয়, তারপর তারিয়ে তারিয়ে যুবক স্বামীর আদর খেতে খেতে বস্ত্র মুক্ত হয়। সুদীপ মাথার পেছনে হাত দিয়ে অবাক বিস্ময়ে ওর জীবনের একমাত্র নারী অপর্নার সেক্সুয়াল আক্টিভিটি দেখতে থাকে, সত্যি কি পাকা খেলুড়ে ওর অপর্না, ঠিক যেন একটা উত্তপ্ত সেক্স বম্ব, একটা দিয়াশেলাই -এর কাঠি ঘষে দিলেই দাউদাউ করে জ্বলে উঠবে, বলা যায় এখন জ্বলে উঠবার অপেক্ষায়। সুদীপের অভিমান হয় কিন্তু এই সম্পর্কের চাবি অপর্নার হাতে, অপর্নার মর্জি মাফিক এখানে শরীরী খেলার আরম্ভ ঘটে তবে খেলার মাঠে সুদীপের পূর্ণ স্বাধীনতা নেই। সুদীপ আশায় থাকে আজ হোক বা কাল হোক, অপর্না তো তার উপর বউ, নিশ্চয়ই কোন একদিন ওকে সুযোগ দেবে নিজের মতো করে ভোগ করার। সুদীপের আদর খেতে খেতে ঘরময় মধুর মেয়েলি শীৎকারে ভরে উঠবে ওদের সুখের সংসারের রাত।




অপর্নার কড়া নির্দেশে মতো সুদীপকে চলতে হয়। এমনকি অপর্নার কড়া নজরের সামনে অন্য মেয়েদের প্রতি নজর দেওয়ারও উপায় নেই। প্রথম প্রথম ব্যাপারটা লাইটলি নিয়েছিলো সুদীপ অপর্নাকে ধোঁকা দিয়ে একটু এদিক ওদিক করলে সমস্যা কি? বুঝবে তো আর না। কিন্তু ঠিক ঠিক অপর্না বুঝে ফেলেছিল আর টানা অনেকদিন সুদীপকে ছুঁতেও দেয়নি নিজের ডবকা শরীর। এরপর থেকে চাতক পাখির মত সুদীপ অপেক্ষায় থাকে ওর লাস্যময়ী বউ কখন ওকে ভালবাসবে, সুদীপ অপেক্ষা করে, অপর্না দায়িত্ববতী স্ত্রীর মত ওর তৃষ্ণা মেটায়। কিন্তু পোড় খাওয়া সেনানী অপর্না, টাপুর-টুপুরের আসল বাবার সাথে করা ভুল এবার তিনি রিপিট করবেন না। সুদীপকে বাধ্য স্বামীর মত শাসনে আদরে ভরিয়ে রাখতে হবে, এ সম্পর্কের প্রতিষ্ঠাতা অপর্না, রাশও অপর্নার হাতেই থাকবে। অপর্না জানেন পুরুষ মানুষের দুর্বলতা, তুলে রেখে একটু একটু করে দিয়েছেন সুদীপকে, পেতে দেননি কয়েকটি খেলার নিষিদ্ধ স্বাদ, আটকে থাকবে তাহলে যুবক পুরুষটি তার কাছে। এ.সি. চলছে ঘরে, তাও কিং খাটের মাস্টার বেডে হাঁপিয়ে উঠার দশা সুদীপের। ঘরে দুই রতিরত নারী পুরুষ, বিধাতা স্বয়ং ছাড়াও অবাক বিস্ময়ে মানবজাতির এহেন কাণ্ড কারখানা দেখছিল ডিম লাইটের পাশে দেয়ালে আটকে থাকা একটা টিকটিকি। বাইরে প্রবল শব্দে একটা বাজ পড়লো, ঘড়ির কাটা ঢংঢং করে জানান দিল রাত্রির গভীর প্রহরে প্রবেশ করেছে। ভেজা ভেজা রাতে শরীরের রস চালাচালিতে ব্যাস্ত এক নিমগ্ন অসম জুটি, ভালোবাসার চিরাচরিত সিলেবাসের বাইরে এক অন্য জগতের স্বর্গের হাতছানিতে।

পরেরদিনের সকাল গা ঝিমানো ছুটির সকাল। আজ কাজের মাসী ছুটি নিয়েছে। টাপুর-টুপুরের স্কুল বন্ধ আছে, সুদীপও কলেজ বা অফিসে যাবে না আর অপর্নাও আজ অফিস যাবে না। টাপুর-টুপুর সবে স্কুলে ভর্তি হয়েছে, কিন্তু ছুটির বেলা পর্যন্ত ঘুমালে অপর্না মানা করেন না, আর ওদের বাবা সুদীপ তো খুবই আদর করে যমজদের, একটুও রাগ বা বকা দেয় না। দুইটার মধ্যে টাপুরটা দুষ্টু আছে, সকাল নয়’টার দিকে ওর ঘুম ভাঙল। পাশ ফিরে দেখে গুটিসুটি মেরে ঘুমুচ্ছে টুপুর। শয়তানি করে কিছুক্ষণ খুটখাট করে টুপুরকে ওঠানোর ট্রাই করলো টাপুর। যমজ বোনের শয়তানি হাড়ে হাড়ে টের পাওয়া আছে টুপুরের, ঘুম প্রায় ভাঙলেও নিঃসাড় হয়ে পড়ে থাকে। কিছুক্ষণ খোঁচাখুঁচি করে টাপুর উঠে পড়ল। মা-বাবার খোঁজ করতে লাগল। চোখ ডলতে ডলতে খুট করে রুমের দরজা খুলে বাড়িময় হাঁটা শুরু করলো। রান্নাঘরে, বসার ঘরে, খাওয়ার ঘরে কোথাও মা নেই, বাবাকেও দেখছে না। ওর খুব ইচ্ছে হল মা-বাবার মাঝখানে গিয়ে শুয়ে থাকতে। সুদীপ অর্থাৎ টাপুরের বাবা কখনওই মাইন্ড করে না কিন্তু অপর্না মানে ওর আর মা খুব বিরক্ত হন ইদানীং টাপুরের এহেন আবদারে। টাপুরের ছোটমানুষ মন বুঝে পায়না যে মা আগে ওকে বুকে টেনে নিয়ে ঘুমাতেন, এখন কেমন জানি দূরে দূরে রাখেন, একসাথে ঘুমানই না, মাত্র কয়েকদিন ধরে ওদের সাথে ঘুমিয়েছে, হয়ত বাবার সাথে রাগ করেছে। তারপরও মাঝ রাতে ঘুম ভেঙ্গে টাপুর দেখে মা পাশে নাই, তারপর আজকাল প্রায়ই বাবার রুমে ঢুকে দরজা বন্ধ করে রাখে ঘণ্টার পড় ঘণ্টা। টাপুরের একদিন অনেক খারাপ লাগছিলো, ও ধাক্কাধাক্কি করায় অপর্না কড়া গলায় ধমক দিয়েছিলো টাপুরকে, তা সত্ত্বেও আজকে কাঁপা কাঁপা হাতে কয়েকবার ধাক্কা দিলো মাস্টার রুমের দরজায়। যা ভাবার তাই, কেউ সাড়া দিলো না, খুট করে খোলার চেষ্টা করলো, ভেতর থেকে বন্ধ, টাপুর কান পাতলো, কিছু শোনা যায় যদি……… লাগোয়া টয়লেটে ছড়ছড় করে শাওয়ার খোলা, কুসুম গরম জলে নগ্ন দুটি নারীপুরুষের দেহ একে অন্যের সাথে কচলাচ্ছে। শরীর দুটো আর কারো নয়, এই ফ্ল্যাটের কর্তা-কর্ত্রীর, অপর্না আর সুদীপ। কাল রাতের উত্তাল, উন্মাত্ততার শেষ হবার নামই নেই যেন, ভোর রাতে এক চাদরের তলায় ঘর্মাক্ত, কামাক্ত নিথর দেহ নিয়ে ঘুমাতে গিয়েও সকাল নয়’টার আগেই কামাগ্নি জ্বালায় অপর্না উঠে পড়েছে, সুদীপকে নিয়ে স্নানের নাম করে অ্যাটাচড্ বাথরুমে কামকেলিতে মত্ত হয়েছে। এই মুহূর্তে শাওয়ারের নিচে দাঁড়িয়ে নীলছবির মত সুদীপের গলা জড়িয়ে ধরে বুভুক্ষের মত চুমু খেয়ে যাচ্ছেন অপর্না, জলে ভিজে যাওয়া দুটি শরীরও যেন সাপের মত পেঁচিয়ে আছে একে অন্যকে। অপর্নার গরম মুখের মোটা ঠোঁটের ভেতরে চলে গিয়েছে সুদীপের পাতলা চিকন হাস্যমুখ ঠোঁটগুলো, অপর্নার কাছে আত্মসমর্পিত সুদীপ খুলে দিয়েছে নিজের মুখ। অপর্নার গরম লকলকে জিভ সুদীপের সুন্দর বাঁধানো দাঁত আর চিকন জিভ বয়ে বুভুক্ষের মত কমবয়সী স্বামীর মুখের রসে মাখিয়ে দিতে থাকে নিজ যৌনতার লালাময় রস। ফ্রেঞ্চ কিস সুদীপের খুব পছন্দ, অপর্না জানেন, বরাবরের মতই সবসময় সুদীপের কপালে জোটে না বৌ এর এমন আদর, তবে কাল রাতের ভালোলাগা থেকেই অপর্নার যেন কি হয়েছে, সুদীপকে ছাড়তেই ইচ্ছে করছে না, শুধু আদর আদর করে ভাসিয়ে নিয়ে যেতে ইচ্ছে করছে স্বর্গের মেঘমালায়, নিজের ভরা নারীত্বে ডুবিয়ে নিয়ে যেতে মন চাইছে, তার জীবনের বর্তমান পুরুষ সুদীপকে। চুমুতে চুমুতে খেলতে খেলতেই, বাথটাবের উপরে দাঁড়িয়েই আন্দাজ করে এক হাতে তুলে নিলেন সাবান, কচলিয়ে নিলেন, কিছুটা ফেনা হল। চিকন আঙ্গুলের ছোঁয়া পড়তেই জেগে উঠলো সুদীপের আধা ঘুমন্ত যৌবন। আধা চোখ খুলেও গেল। অপর্নার মুখের দিকে তাকিয়ে রইল সুদীপ। কি অপূর্ব মেলবন্ধন একজন স্ত্রী, একজন নারীর সমন্বয় অপর্না। অভিজ্ঞ ছোঁয়ার বসে সুদীপকে যেন বশীভূত করে ফেলেছে অপর্না। হাত বাড়িয়ে গোলাকার কোমর এর উপর নিজের চিকন দুইটা হাত রেখে কামার্ত অপর্নাকে আরও কাছে টেনে নিয়ে এলো সুদীপ। সুদীপই বা থেমে থাকে কি করে। আন্দাজ করে দুই হাতে সাবান মাখিয়ে অপর্নার ভেজা চুল ছাড়িয়ে নির্লোম মাংসল পিঠে নিজের হাত ডলে ডলে সাবান মাখাতে থাকলো চুমুর তালে তালে। শিহরিত হয়ে অপর্নাও এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে। সামান্য জায়গা ফাঁকা নিজেদের মাঝে, তার মধ্যেও সুদীপ অপর্নার অল্প চর্বির পেটের উপর হাত দিয়ে ফেনায় ফেনায় সাবান মাখিয়ে দিয়ে গেল। অপর্না একটু দূরত্ব করলেন সুদীপের থেকে, এক হাতে সাওয়ারের স্পিড কমিয়ে দিলেন। সুদীপের মাথার পেছনে একহাত দিয়ে মাথাটা টেনে আনলেন নিজের মুখের উপর, চুমু চলল, সুদীপের হাত উঠে এলো অপর্নার স্তন যুগলে। সুদীপ উত্তেজিত করে অপর্নাকে। এটা একান্তই স্বামী-স্ত্রীর গোপন ব্যাপার, যৌনকলার ব্যাপার, অপর্না-সুদীপের শরীরে শরীরের মিলনের ব্যাপার। অপর্নার উন্নত বুকের সাথে সুদীপের বুকে মিলে ফেনার একটা ধারা বেয়ে সুদীপকেও পিছলা করে দিয়েছিলো। শরীর যেন আর নেই মাটির উপরে, বাতাসে ভাসছে, অপর্না উঠিয়ে দিয়েছেন নিজের দুই পা সুদীপের পায়ের উপর। সুদীপ দুই হাতই নামিয়ে নিয়ে আসলো অপর্নার নিতম্বে। দুই হাতে সাবান মাখিয়ে হাত রাখলো অপর্নার উন্নত নিতম্বে। কেঁপে কেঁপে উঠলেন চুমু খেতে ব্যাস্ত অপর্না। অপর্না চোখ খুললেন, জিজ্ঞ্যাসু দৃষ্টি পানে চাইলেন সুদীপের মুখে। চোখ বুজে অপর্নার শরীর ভোগে ব্যাস্ত সুদীপের কোন ভাবান্তর নেই, চুমুর তালে অপর্নার শরীরে সাবান মাখাতে ব্যস্ত ও। অপর্না ভাবলো, এবার খেতে হবে চড়ম আদর, নিমিষেই যেই ভাবা সেই কাজ। সুদীপের চুমুর থেকে নিজেকে ওষ্ঠদ্বয়কে মুক্ত করে বাথটবের মধ্যেই এক ঝটকায় ঘুরে গেলেন। অপর্নার কাছ থেকে শেখা সুদীপের আর বলে দিতে হলো না কি করে শান্ত করতে হবে অপর্নাকে‌। অপর্নার মেয়েলী আওয়াজে ভরে উঠতে থাকলো নতুন একটি সকাল, এই অ্যাপার্টমেন্টের এই ফ্ল্যাটের প্রাইভেট টয়লেটে, অপর্না-সুদীপের রতিলিলায়। দরজার বাইরে ধাক্কাতে ধাক্কাতে মা মা করে বাবা বাবা করে ডাকতে ডাকতে ঘুমিয়ে পড়েছে ততক্ষণে ছোট্ট মেয়ে টাপুর, ও কি আর জানে ওর আকুতি শোনার সময়ের খুব অভাব এই মুহূর্তে ওর মা অপর্না অথবা বাবা সুদীপের।




বাচ্চারা খেতে এসো… টাপুর…. টুপুর… কোথায় তোমরা…। এগারোটা বেজে গিয়েছে…। খাবে না তোমরা? বাচ্চারা…… রান্নাঘর থেকে অপর্না চিৎকার করে চলে, সকালের সেক্সি স্নান শেষে ভেজা চুলে এখনো টপটপ করে জল পড়ছে, পরণে একটা পাতলা টাইট ম্যাক্সি পরা, চোখে মুখে রাতভর আর সকালের পরিতৃপ্তির ছাপ। তুমুল উৎসাহে গুন গুন করে গান গাইছেন আর রান্না করছেন। আজকের সকালটা অপর্নার জন্য সত্যি সুন্দর, এভাবে সুদীপের ইগ্নোর করা ঠিক হয়নি, নিজেকে বোঝাচ্ছেন অপর্না, রাগ কন্ট্রোল করতে হবে, ভালোবাসতে হবে, এই শুনছো? অ্যাঁই, গলায় যথাসম্ভব মধু ঢেলেই রান্নার ফাঁকে ফাঁকে অপর্না ডেকে গেলেন সুদীপকে। দৈহিক সম্পর্ক গড়ে উঠার পর থেকে সুদীপকে তুই ডাকা ছেড়ে দিয়েছেন, ওকেও শিখিয়েছেন ঘরের ভেতর অপর্নাকে নাম ধরে ডাকতে। প্রথম প্রথম লজ্জা পেত সুদীপ, মুখ দিয়ে দিদি ডাক বেরিয়ে আসতো, এখন অপর্নার কম্যান্ডো ট্রেনিং -এ সুদীপ সাইজ হয়ে গিয়েছে। বউ এর মতো করেই অপর্নাকে সম্বোধন করে, অপর্নার ভালো লাগে। ঝাঁকড়া চুলের সুদীপ একটা গোল গলা টিশার্ট আর হাফ প্যান্ট পরে ড্রয়িং রুমে পেপার পড়ছিল, পাশে ওর স্মার্টফোনে খোলা ফেসবুক, টিভিতে লো ভলিউমে নিউজ চলছে, বউ এর ডাকে তড়াক করে লাফিয়ে উঠলো। গত বার ঘণ্টায় তিনবার ওদের মিলন হয়েছে মধুকুঞ্জে। লজ্জায় জিজ্ঞেস করে না কখনো কেমন লেগেছে, অপর্নার কি আরও কিছু চাই, আরও কোন স্পেশাল আদর ওর কাছ থেকে। আচ্ছা অপর্না কি টাইমলি পিল খায়? কোন পিল খায়। সুদীপের মনে হয় এগুলো তো স্বামী-স্ত্রীর একান্ত আলাপ, ফ্যামিলি প্ল্যানিং। নিশ্চয়ই লাস্যময়ী রাশভারী অপর্না করবে কোন একদিন ওর সাথে, ও তো অপেক্ষায় থাকে, অপর্নার সাথে আরও ইন্টিমেট হতে, বর্তমান সম্পর্ক ছাপিয়ে স্বামীস্ত্রীর মধুর সম্পর্কে ভেসে ভেসে বেঁচে থাকতে। অপর্না বুঝলেন হুশ করে একটা অবয়ব টাপুর-টুপুরের ঘরের দিকে চলে গেল, আর কেউ নয় তার স্বামী সুদীপ। খুব তৃপ্ত হন অপর্না, ভালো প্রেমিক ছাড়াও নিপুণভাবে বাবার দায়িত্ব পালন করে ছেলেটা, খুব ভালো মানুষ সে, কোন ভাবেই হারানো যাবে না প্রাণের টুকরো সুদীপকে। অপর্না খুব উপভোগ করেন এই কর্তৃত্ব, চেষ্টা করেন সাবমিসিভ নারিস্বত্তাকে পাশ কাটিয়ে রাখতে, একটা ডমিনেটিং নারী হয়ে থাকতে। সুদীপের এলিয়ে খেলিয়ে সারা জীবনের জন্য ধরে রাখতে হবে যেন ভুলেও অন্য নারীর দিকে চোখ না পড়ে। অপর্না এক ও অদ্বিতীয় সুদীপের জীবনে, এটাই সত্য, এটাই ওদের সমাজ। টাপুর-টুপুর ঘুমে ডুবে আছে ওদের ঘরে, সুদীপ দরজায় দাঁড়ায়, কিছুক্ষণ তাকিয়ে দেখে। কি নিষ্পাপ দেবশিশুর মতো ছোট্ট মানুষ দুটো। সকালে একটু হলেও খারাপ লেগেছিল ওর আর অপর্নার মাস্টার বেডরুমেডর বাইরে গুটিসুটি মেরে ঘুমাতে থাকা টাপুরকে দেখে, কিছু বলেনি অপর্নাকে। চুপচাপ কোলে তুলে এনে শুইয়ে দিয়েছে বিছানায়। এখন তো সুদীপই ওদের বাবা। অপর্না যখন কামোত্তেজিত হয়ে পরে, তখন সন্তানদের ভুলে উতলা হয়ে সুদীপের সাথে, মিলনের খেলায় মেতে থাকে। আজ সকালের ঘটনা অপর্নাকে না জানিয়েই ভালো করেছে সুদীপ। মেয়েদের কাতুকুতু দিয়ে, মিষ্টি করে ডেকে ঘুম থেকে উঠিয়ে দাঁত ব্রাশ করিয়ে রেডি করে খাওয়ার টেবিলে বসিয়ে দিলো আদর্শ বাবা সুদীপ। টেবিল ভর্তি খাবার সাজানো কিন্তু মালকিনের দেখা কই? ছয় জনের টেবিলে মাথার দিকে সবসময় অপর্না বসেন, বাড়ির কর্ত্রী, একপাশে দুই মেয়ে আরেক পাশে স্বামী সুদীপ। খুট করে বেডরুমের দরজা খুলে গেল, আর সেই দিকে চলে গেল সুদীপের চোখ, স্নান থেকে অপর্না বেরোবার পর বউকে দেখা হয়নি সুদীপের। আকাশী কালারের পাতলা টাইট ম্যাক্সি, ও গড! কোন ব্রা পড়ে নাই ওর লাস্যময়ী বউ অপর্না। গোলাকার বড়সড় বুক দুইটা চেপ্টে রয়েছে নাইটির সাথে। হাল্কা প্যান্টির লাইনিং বোঝা যাচ্ছে ম্যাক্সির ভেতর দিয়ে, গটগট করে হেঁটে আসছেন অপর্না। চুলগুলো উপরে খোঁপা করে কাঁটা দিয়ে বাঁধা, চোখে গ্লাস পরা, ঠোঁটে হাল্কা গ্লস, ঈষৎ ফাঁক যেন এখনি কিছু বলে বসবেন। কোমর দুলিয়ে হেঁটে আসা অপর্নার দিকে একরকম হাঁ করেই তাকিয়ে থাকলো কচি যৌবনপ্রাপ্ত স্বামী সুদীপ। চেয়ার টেনে বসে, এক হাতে পাউরুটি আর আরেক হাতে বাটার নাইফ নিয়ে মেয়েদের ব্রেকফাস্ট রেডি করতে থাকলেন হাল্কা সুগন্ধি মাখা, ম্যাক্সির উপর দিয়ে ভাঁজে ভাঁজে ফেটে পরা অপর্না। মুচকি হাসি ঠোঁটে, স্বামীর দিকে ঘাড় বাঁকিয়ে বাঁকা হাসি হেসে বললেন, আমরা কি খাওয়া শুরু করব?

গল্পটি আপনার কেমন লাগলো রেটিং দিয়ে জানাবেন
[Total: 4   Average: 4.8/5]
বন্ধুদের সঙ্গে "Share" করুন।
Open chat
1
যোগাযোগ করুন
আপনার গল্পটি প্রকাশ করার জন্য যোগাযোগ এখনে।