আমাদের দুই বোনের বিড়াল

নাম:জেবিন নুর প্রকৃতি
ক্লাস : ফোর
বি এ এফ শাহীন কলেজ ঢাকা

 

আমাদের বাসা দুইতলায়। আমাদের বাসায় সবসময় বিড়াল আসত।আমি বিড়াল একদমই পছন্দ করতাম না।একসময় বিড়াল নিজে থেকেই আমাদের বাসায় আসা বন্ধ করে দেয়।আমি খুব খুশি হই।আমার একটা ছোট বোন আছে।আমার ছোট বোনও বিড়াল পছন্দ করত না।আর ও যেহেতু ছোট সেহেতু ও আমি যা করব ও তাই করবে।কয়েক বছর হয়ে যায় আমাদের বাসায় কোনো বিড়াল আসে না।একদিন সকালে ভাত খাওয়ার পরে আমি দেখি কালো রঙের একটা বিড়াল আমাদের বাসার সামনে বসে আছে।আমার খুব রাগ হয়ে যায়।

আমি ওকে তাড়ানোর চেষ্টা করি। ওর গায়ে পানি দিতে যাই।বাবা ওর গায়ে পানি দিতে না করে।বাবা বলে ও নিজে নিজেই চলে যাবে।ওর গায়ে পানি দেওয়ার দরকার নাই।আমি বাবাকে জিজ্ঞেস করলাম বাবা বিড়াল হাড্ডি খায়। বাবা বলে হ্যাঁ হাড্ডি খায়।আমি ঔদিন সকালে মুরগির মাংস দিয়ে ভাত খাইছিলাম। আমি ভাবলাম বিড়ালকে এক পিস হাড্ডি দেই।বিড়াল আমার হাতে হাড্ডি দেখে মিউমিউ করে।আমি ওর দিকে হাড্ডি চেলে ফেললাম ও সাথে সাথে খেয়ে ফেলল। আমি খুব খুশি হলাম। তারপর আমি ওকে আরো অনেক হাড্ডি আর ও খেল।

তারপর ও চলে গেল।পরেরদিন ও আবার আসল তখন আম্মু বলল এই শিং মাছের মাথাগুলো বিড়ালকে দে।আমি দিলাম বিড়াল খেয়ে ফেলল।কয়েক দিনের মধ্যে আমি বিড়াল খুব পছন্দ করে ফেললাম।এর কয়েকদিন পর আমি ভাবলাম এটা মনেহয় ছেলে বিড়াল।কিন্তু আম্মু বলল না এটা মেয়ে বিড়াল।দেখ কয়েকদিন পরে এর বাচ্চা হবে।আমি ভাবলাম হতে পারে।কয়েকমাস পরে দেখলাম বিড়াল দুইটা বাচ্চা নিয়ে আসছে।তখন আমি বুঝলাম আসলেই তো এটা একটা মেয়ে বিড়াল।বিড়ালের বাচ্চা দুইটিকে আমার খুব পছন্দ হলো আমি বিড়ালটিকে ডায়মন্ড বলে ডাকি।

এরপর থেকে ও সবসময় ওর বাচ্চাদের নিয়ে বসে থাকত। একটা বাচ্চা র গায়ের রং কালোধলো আর অন্যটার রং হালকা লাল।আমি দুষ্টুমি করে মিউমিউ করলে ও এসে মিউমিউ করে।একবার বিড়ালের হালকা লাল রঙের বাচ্চাটা সানসেটের নিচে পড়ে গিয়েছিল। আমি অনেক কষ্ট করে গিয়ে উঠিয়ে আনছিলাম।আমার ছোট বোনও বিড়াল খুব পছন্দ করা শুরু করল।আর আম্মুও মাছ কিংবা মাংস কাটার পরে যেই হাড্ডি কাটা হয় সেগুলো বিড়ালকে খেতে দেয়।আমরা বিড়লকে নিয়ে অনেক সময় কাটাই।আমার পছন্দের প্রাণী হয়ে গেল বিড়াল।

সমাপ্ত

 

গল্পটি আপনার কেমন লাগলো রেটিং দিয়ে জানাবেন
[Total: 3   Average: 2/5]
বন্ধুদের সঙ্গে "Share" করুন।
close