♥♥এক অন্ধ মেয়ের প্রেমের গল্প♥♥ Part - 3 (অন্তিম পর্ব)

♥♥এক অন্ধ মেয়ের প্রেমের গল্প♥♥ Part – 3 (অন্তিম পর্ব)

♥এক অন্ধ মেয়ের প্রেমের গল্প♥

লেখক-রাজা

 

 

Part – 3 (অন্তিম পর্ব)

রানীর যেন কন্ঠ শুকিয়ে যাচ্ছে ও বুঝতে পারছে না কি করবে।
অন্নপূর্ণা: রাজা ; রাজা ; আমার রাজা কই।
রানী: আমার কাছে আছে। আমি তোমাকে নিয়ে যাব।
অন্নপূর্ণা: কিন্তু তুমি কে? তুমি বা আমাকে নিয়ে যাবে কেন?
রানী: আমি রানী। রাজার ছোটবেলার বন্ধু আসলে তুমি চলে যাওয়ার পর ও ভেঙ্গে পড়ে। খাওয়া-দাওয়া সব বন্ধ করে দেয়। আর তাকে অনেক বুঝিয়ে আমি ওকে বিদেশী পাঠিয়ে দিয়েছি।
অন্নপূর্ণা: আমি জানতাম ও কোনদিন কারো হবে না ও শুধু আমার।
রানী: হোক এখন চলো আমার বাড়ি। আমি তোমাকে রাজার কাছে নিয়ে যাবো।
তারপর রানী অন্নপূর্ণা কে নিয়ে ওদের বাড়িতে আসে।
রানী: আচ্ছা তুমি রাজা কে এতটা ভালোবাসো। ও যদি তোমাকে ছেড়ে অন্য কাউকে ভালবেসে ফেলে।
অন্নপূর্ণা: তুমি সত্যি হাঁসালে। তুমি ওর ছোট বেলার বন্ধু হয়েও ওকে চিনতে পারলে না। ও কোনদিন আমাকে ছেড়ে যাবে না।ও জানে আমি মারা গেছি তবুও ও আজ আমার অপেক্ষায় আছে।

 





রানী: সত্যি তোমাদের ভালোবাসা টা সবার থেকে আলাদা।
অন্নপূর্ণা: আচ্ছা তুমি একবার রাজা কে কল করো না। আর বল আমি ফিরে এসেছি।
রানী: না । সেটা কি করে হয়।
অন্নপূর্ণা: কেন?
রানী: ওকে তুমি সারপ্রাইজ দিবে।
অন্নপূর্ণা: কি সারপ্রাইজ?
রানী: আমি তোমার চোখের অপারেশন করে দেবো। তুমি আবার চোখে দেখতে পাবে। তুমি তোমার রাজাকে দেখতে পাবে। দিলে রাজা কত খুশি হবে বলতো।
অন্নপূর্ণা: কিন্তু অপারেশনের জন্য তো অনেক টাকা দরকার তুমি কোথায় পাবে।
রানী: ওটা তোমাকে চিন্তা করতে হবে না। তুমি শুধু সত্যি করে একটা কথা বলতো। এই চার বছর তুমি কোথায় ছিলে।
অন্নপূর্ণা: ওই অ্যাক্সিডেন্টের পর আমি একটা নদীতে পড়ি আর ভাসতে ভাসতে আমি অপর কূলে গিয়ে উঠি। এক ডাক্তারবাবু আমাকে তুলে নিয়ে যায় আর উনি আমার চিকিৎসা করান। সবাই বলে না ভালবাসার কোন মৃত্যু হয় না তাইতো আমি মরিনি। রাজার ভালোবাসা আবার আমাকে ফিরিয়ে নিয়ে এসেছে। কিন্তু ঐদিন বেঁচে উঠলও আমি কোমায় চলে যাই । তারপর ওই ডাক্তার বাবু আমার চিকিৎসা করে আর আমি তিন বছরের মধ্যে সুস্থ হয়ে ওঠে। কিন্তু হারিয়ে ফেলি স্মৃতিশক্তি।ডাক্তারের কোন ছেলে মেয়ে ছিল না তাই উনি আমাকে রেখে দেন উনার বাড়িতে। কিন্তু ধীরে ধীরে আমার স্মৃতি ফিরে আসে ফিরে আসে আমার সমস্ত অতীত। তারপরই আমি রাজার খোঁজে বেরিয়ে এসেছি আর এসেই প্রথম তোমার গাড়ির সাথে ধাক্কা খেলাম।
রানী: বুঝলাম।
অন্নপূর্ণা: কিন্তু তুমি আমাকে কি করে চিনলে?
রানী: আমি রাজার কাছে তোমার অনেক কথা শুনেছি, ছবি দেখেছি ,তাই সহজে চিনতে পেরে গেছি তোমাকে।
অন্নপূর্ণা: কিন্তু রাজার তো কোন তেমন বন্ধু ছিল না।
রানী: না ও যখন ওর পিসির বাড়িতে থাকতো তখনই আমার সঙ্গে পরিচয় হয়।

আরো কয়েকটা দিন কেটে যাওয়ার পর রানী আমার সঙ্গে দেখা করতে আসে। রানী আমাকে দেখে কেঁদে যায়।
আমি: কেন এসেছিস । মরে গেছি না বেঁচে আছি ওইটা দেখতে।
রানী: এমন করে কথা বলছিস কেন।
আমি: কি করবো । তুই ও যে আমাকে বিশ্বাস করতে পারিস নি।
রানী: নারে; ঐদিন আমার কাছে কোন প্রমাণ ছিলনা‌। আমি এলেও তোর জেল হত। তোর আরো খারাপ লাগতো। আমি তোকে বিশ্বাস করি তুই বিশ্বাস কর।
আমি: আমি জানি রে। রাগের মাথায় তোকে বলে ফেললাম। আসলে ভগবানটা খুব নিষ্ঠুর যাকে যখন পারে কষ্ট দিয়ে যায় হয়তো তার কোন দোষ নেই তবুও।

 





রানী: নারে আসলে ভগবান ভালো মানুষদের পরীক্ষা নিতে চায়।
আমি: হবে হয়তো।
রানী: চিন্তা করিস না রোজ তোর সাথে দেখা করতে আসবো, গল্প করব দেখবি সুন্দর ভাবে তিনটা বছর কেটে যাবে কিভাবে বুঝতেই পারবি না। এই তিনটে বছরের পর যে আমার সবকিছু শেষ হয়ে যাবে।
আমি: শেষ হয়ে যাবে মানে।
রানী: আরে বোকা তিন বছর পর তুই জেল থেকে ছাড়া পাবি। আমাদের তো ফুলশয্যা হয়নি ওটা হবে তাই বললাম আমার সবকিছু শেষ হয়ে যাবে।
আমি: মনে মনে এত কিছু।
রানী: হ্যাঁ।

তারপর রানী রোজ আমার সাথে দেখা করতে আসত। কত গল্প করতাম। তবে রানী যেন কেমন একটা হয়ে যেতে লাগল। ও আর আগের মতো হাসেনা। বেশি কথা ও বলে না। শুধু আমার হাতটা জড়িয়ে ধরে কাঁদে। তবে আমাকে বেশি দিন জেলে থাকতে হয়নি এক বছর থাকার পর আমার ভালো ব্যবহার দেখে জেলের কর্তৃপক্ষ এক মাসের মধ্যে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এমনই একদিন রানী এসে বলে

রানী: আমি এই একমাস আসতে পারবো না রে।
আমি: কেন?
রানী: মা একটা অপারেশন হয়েছে। তাই বাড়িতে রান্নাবান্না সমস্ত কাজ আমাকে করতে হয়। আর সময় পেলে নিশ্চয়ই আসব কেমন।
আমি: আচ্ছা ঠিক আছে। আসিস কিন্তু।
রানী: (কাঁদতে কাঁদতে) আর হ্যাঁ তুই তো এক মাসের মধ্যে ছাড়া পাবি তারপর তো এক সাথেই থাকব আমরা। রানী আমার দুটো গালে হাত বুলিয়ে বলল তুই কান্দিস না।
আমি: হ্যা; কিন্তু তুই কাঁদছিস কেন।
রানী: কই না তো; চোখে একটা কিছু পড়ে গেছে।
আমি: ও ও
রানী: ভালো থাকিস। টেক কেয়ার। বাই।
আমি: তুই নিজের খেয়াল রাখিস।

তারপর রানী ছুটে পালালো। আজকে ওকে বড্ড ইমোশন দেখাচ্ছিলো কিন্তু কেন কি হয়েছে ওর কিছুই বুঝতে পারলাম না। কয়েকদিন পর আমি ছাড়া পাবো ওর খুশি হওয়ার কথা আর ও না হয়ে কাঁদছে কিছুই বুঝতে পারলাম না।

 





এক মাসের পর আমি ছাড়া পেলাম। ভাবলাম এক মাস রানী আসেনি আজ নিশ্চয়ই আসবে কিন্তু সব ভাবনা ভুল রানী এলো না। আমি বেরিয়ে যাচ্ছি হঠাৎ একটা ছেলে আমাকে দেখে একটা চিরকুট দিল।
আমি: এটা কে দিল।
ছেলে: একটা ম্যাডাম অনেকদিন আগে দিয়েছিল তোমাকে দেওয়ার জন্য।
তারপর আমি চিরকুট খুলে পড়তে শুরু করলাম “রাজা তুই যদি আমাকে একটু ভালোবাসিস তাহলে তুই নিশ্চয়ই আমার কথাগুলো শুনবি।নিচের দেওয়া ঠিকানায় তুই চলে যাবি আর হ্যাঁ তুই বলবি না যে তুই জেল থেকে এসেছিস। তুই বলবি তুই বিদেশ থেকে এসেছিস। আর কোনদিনও ওদের জানতে দিবি না যে আমি তোর স্ত্রী। শুধু ওদেরকে বলবি আমি তোর কেবল বন্ধু হ্যাঁ শুধুই বন্ধু”। ইতি তোর বন্ধু রানী।

নিচের ঠিকানাটা দেখে অবাক হয়ে গেছিলাম ওটা যে অন্নপূর্ণা বাড়ির ঠিকানা। আমি আর দেরি করিনি। ছুটে চলে যাই অন্নপূর্ণার বাড়িতে। আর বাড়িতে গিয়ে যা দেখলাম তাতে কোনদিন ভুলতে পারব না। এইযে আমার অন্নপূর্ণা। কিন্তু অন্নপূর্ণা আমাকে দেখেই প্রশ্ন করল।

অন্নপূর্ণা: কে আপনি? বাড়িতে ঢুকে এসেছো কিছু না বললে যে।
আমি: চোখ দিয়ে জল পরছে।
অন্নপূর্ণা: কানছো কেন কি হয়েছে তোমার।
আমি: তুমি চোখে দেখতে পাও।
অন্নপূর্ণা: হ্যাঁ কিন্তু কে তুমি।
আমি: আমি তোমার রাজা অন্নপূর্ণা।
অন্নপূর্ণা: তুমি রাজা ‌।
আমি: হ্যাঁ।
অন্নপূর্ণা কানতে কানতে ছুটে এসে আমাকে জড়িয়ে ধরল। আমিও ওকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে শুরু করল।
আমি: কোথায় ছিলে এতদিন।
অন্নপূর্ণা: সে অনেক কথা পরে বলব।
আমি: না আমি এখনই শুনবো।
রানী: বলতে শুরু করল……………….. এক বছরের আগে এখানে এসে প্রথম দেখা হয় তোমার বন্ধু রানীর সাথে আর ওর সাথে আমি এক বছর থাকি। উনিই তো আমার চোখ অপারেশন করে দিয়েছেন।
আমি: কিন্তু রানী এখন কোথায়?
অন্নপূর্ণা: একমাস আগে উনি বিদেশে চলে গেছেন তাই আমি এখানে চলে এসেছি।কিন্তু কি ভাগ্য দেখো যে আমার চোখ ঠিক করে দিলো আমি ওকে দেখতে পেলাম না। ও আমাকে কথা দিয়েছে একদিন ঠিক ও আমার বাড়িতে আসবে। ও তোমার খুব ভালো বন্ধু তাই না।
আমি: ( কাঁদতে শুরু করলাম আর ভাবছি) রানী আমাকে তাহলে সব মিথ্যা কথা বলেছিল।ও অন্নপূর্ণাকে আর আমাকে একসাথে করে বিদেশে চলে গেছে। আর নিজের বুকের সব কিছু চাপিয়ে নিয়েছে।
অন্নপূর্ণা: কাঁদছো কেন?
আমি: অনেক দিনের পর দেখা হল তো তাই।
অন্নপূর্ণা: ওও
কয়েকদিনের মধ্যেই আমার আর অন্নপূর্ণা বিয়ে হয়ে গেল। জীবনের সবচেয়ে সুন্দর মেয়ে, প্রথম ভালবাসা,যে আমাকে পাগলের মত ভালবাসে তাকে পেয়েছিলাম তাও কেন যেন খুশি ছিলাম না।
অন্নপূর্ণা: ওই এমন মন মরা কেন তুই?
আমি: কই নাতো।
অন্নপূর্ণা: এখন আমি বড় হয়েছি বুঝতে পারছি।
আমি: ওকে টেনে জড়িয়ে ধরলাম।
অন্নপূর্ণা: সবাই দেখবে তো।
আমি: দেখুক ; বউকে জড়িয়ে ধরেছে অন্য কাউকে নয়।
অন্নপূর্ণা: আমার বেবি চাই।
আমি: কোনদিন হলো তো মাত্র বিয়ে হয়েছে। আর এর মধ্যেই বেবি।
অন্নপূর্ণা: হ্যাঁ আমার চাই।
আমি: বুঝেছি এই ছোট্ট মেয়েটার মনে এখন দুষ্টু দুষ্টু ভাবনা এসেছে।

 





তারপর আরো দশটা বছর কেটে যায়। এখন আমার একটা মেয়ে হয়েছে নাম মিষ্টি।এই দশটা বছর আমি রানীকে অনেক খুজেছি কিন্তু পাইনি। যদিও ওর বাড়িতে যেতে সাহস পাই নি । ওর বাবা-মা আমাকে বিশ্বাস করেছিল। রাস্তা থেকে তুলে এনে মানুষ করেছিল। আর আমি ওর মেয়েকে বিয়ে করে ছেড়ে দিয়ে এসেছি। এরপরও আমি কি করে ওদের সামনে মুখ দেখাবো। তাছাড়া আমি কি করতাম। আমি কি এই ছোট্ট মেয়েটাকে যে আমাকে পাগলের মতন ভালোবাসে ওকে ছেড়ে আমি রানীর সাথে সংসার করতাম। পারিনি এই ছোট্ট মেয়েটাকে কষ্ট দিতে। রানী কে কষ্ট দেওয়ার যন্ত্রনা আমাদের দিনের পর দিন কুরে কুরে শেষ করে দিচ্ছিল। তবে অন্নপূর্ণা কে কিছু বুঝতে দেইনি।আমার ছোট্ট মেয়ে টা আমাকে অনেক কিছু ভুলিয়ে দিয়েছি। আমি যেন আমার সমস্ত সুখ ওরিই মধ্যেই খুঁজে পাই। এমনই একদিন আমরা তিনজন ঘুরতে গেলাম। সারাদিন ঘুরার পর বিকালে বাড়ি ফেরার সময় হঠাৎ রানীকে দেখে আমার বুকের জল শুকিয়ে গেল। কি হয়েছে ওর অবস্থা ও যে আমার চাইতে রোগা হয়ে গেছে। আমি এক দৃষ্টিতে ওকে তাকিয়ে রয়েছে।
মিষ্টি: ( আমার হাতটা ধরে টেনে নিয়ে যাচ্ছে) আসো বাবা মা ওইখানে দাঁড়িয়ে রয়েছে যে।
আমি: ওই দেক আন্টিকে।
মিষ্টি: আন্টিটা সাহায্য চাইছে । চোখে দেখতে পায় না মনে হয়। যাও ওকে রাস্তায় পের করে দিয়ে এসো। আমি এখানে চুপটি করে দাঁড়িয়ে থাকবো কোথাও যাবো না প্রমিস করলাম।
আমি: আমি।
মিষ্টি: হ্যাঁ।

আমি সব বুঝতে পারলাম কেন এক মাস আগে থেকে রাণী আমার কাছে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিল, কেন আমি জেল থেকে বেরোনোর পর ও আমাকে দেখতে আসেনি। আমি রানীর কাছে গিয়ে বললাম।
আমি:(গলাটা একটু অন্যভাবে) আমি কি তোমাকে সাহায্য করতে পারি?
রানী: হ্যাঁ একটু রাস্তা পার করে দাও না।
আমি ( রানী কে ধরে রাস্তা পার করে দিচ্ছি) তুমি সিঁদুর পরে রয়েছে, তুমি অন্ধ তাও তোমার স্বামী তোমাকে একা ছেড়ে দিয়েছে কেন?
রানী: কই আমার স্বামী তো আমার কাছে থাকে না।ও অন্য একটা মেয়েকে ভালোবাসে। ভালবাসে বললে ভুল হবে। ওকে ছাড়া ও বাচতে পারবেনা।
আমি: মানে।
রানী: (তারপর রানী আমার কাহিনী আমাকেই শোনালো) তোমার গলাটা না খুব চেনা চেনা লাগছে।
আমি: সেটা কি করে হয়। আচ্ছা তুমি কি এখনো তোমার স্বামীকে ভালবাসো।
রানী: হ্যাঁ বাসি তো। খুব ভালোবাসি ওকে।
আমি: তারপর রানীকে ট্যাক্সিতে তুলে দিলাম।আরে তোমার নাম টা তো জানা হলো না।
রানী: রানী,আর তোমার নামটা।
আমি: থাক না। নাম জেনে আর কি হবে।
রানী: ওকে ।বাই।
আমি: বাই। আর হ্যাঁ তোমার নামটা না খুব সুন্দর।
রানী: থ্যাংকস। বেঁচে থাকলে হয়তো আবার দেখা হবে।
আমি: হয়তো হবে। আর আমি দাঁড়িয়ে দেখছি যতক্ষণ না ট্যাক্সিটা রাস্তার মোড় নেয়।

আর হ্যাঁ এতক্ষণ সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ প্লিজ কমেন্ট করে বলে যাবেন গল্পের কোন চরিত্র টা সবচেয়ে ভালো লেগেছে এবং কেন ?

 




গল্পটি আপনার কেমন লাগলো রেটিং দিয়ে জানাবেন
[Total: 0   Average: 0/5]
বন্ধুদের সঙ্গে "Share" করুন।
Open chat
1
যোগাযোগ করুন
আপনার গল্পটি প্রকাশ করার জন্য যোগাযোগ এখনে।