দি মাফিয়া কিং ভার্সেস কুইন

দি মাফিয়া কিং ভার্সেস কুইন

#The_Mafia_King_VS_Queen
#Writter :-Riya Khan
#Part:- 10+11
.
ভোর হতেই রওনা দিলো মিশান, জেসি, সেফা,,,বাড়ির সবার থেকে বিদায় নিয়ে বেরিয়ে গেলো মিশান, সাথে রাইয়ান সাহেব ড্রপ করতে যেতে চাইলেও মিশান মানা করে,,

পারসোনাল প্লেন এ গেলেই যেতে পারতো মিশান, কিন্তু নেয় নি,, কারণ যদি বাবার ইমারজেন্সি দরকার হয় তখন লন্ডন থেকে ব্যাক করতেও টাইম লাগবে,, বাবার প্রতি অনেক বেশি রেসপন্সেবল মিশান।।


এদিকে তীব্রও বেড়িয়ে পড়লো জাপানের উদ্যেশে, সাথে শুধু পলাশ আর প্রিতম যাচ্ছে।।।।


৫ টা বাজতেই ইমিগ্রেশন ক্রস করে বাংলাদেশ টু লন্ডন প্লেনে ফার্স্ট ক্লাসে বসে পড়লো,,,খুব বেশি মন ভার নিয়ে বসে আছে মিশান,


এদিকে তীব্রও জাপানের উদ্যেশে ফার্স্ট ক্লাসে বসে পড়লো,,তীব্রর মনটাও ভীষণ মেঘকালো ভারী করে আছে,, এয়ারপোর্ট এ আসার সময় শুধু একটা কথায় ভাবছিলো যদি একটা বার মিশানের সাথে দেখা হতো,শেষ সময় টা হাত ছাড়া করতো না, মনের কথাগুলো বলে দিতো,,,কিন্তু দেখা হলো না!!


যথা সময়ে যার যার মতো পৌঁছে গেলো গন্তব্যের এয়ারপোর্ট এ,,, প্লেন থেকে নেমে চেক আপ সেরে বেরিয়ে এলো মিশান,, সব গার্ড রা রিসিভ করতে এসেছে,,, গাড়ি নিয়ে সোজা অফিসে চলে গেলো, সব ডকুমেন্ট পেপারস চেক করতে,, ।।


তীব্ররা জাপানের টোকিওতে সিজুকা এয়ারপোর্ট এ ল্যান্ড করে টোকিওর দিকে রওনা হয়,,কার্লটন নামক ফাইভ স্টার হোটেল এ গিয়ে উঠে।।



মিশান- ভ্যালি?
ভ্যালি-ইয়েস ম্যাম!
মিশান- এভরি থিং ইজ রেডি?
ভ্যালি – ইয়েস ম্যাম,,টেক ইট ( ফাইল এগিয়ে দিয়ে)

মিশান ফাইল হাতে নিয়ে সব পেপারস চেক করতে লাগলো,,,সব পেপারস ঠিক ঠাক দেখে ভ্যালির হাতে দিয়ে দিলো,
, দেরি না করে বাড়ি গিয়ে ফ্রেশ হয়ে লান্স করে জাপানের উদ্যেশে বেরিয়ে পড়লো।।

হোটেলে পৌঁছে টায়ার্ড হয়ে শুয়ে পড়লো তীব্র, মিশানের কথা ভাবতে ভাবতেই চোখ টা লেগে এলো।।।।


সন্ধ্যার মধ্যে মিশান গার্ড টিম নিয়ে জাপান ল্যান্ড করলো,,,
মিশানও কার্লটন হোটেলের উদ্যেশে রওনা হয়,,,
সন্ধ্যার দিকে ঘুম ভেঙে গেলো তীব্রর ফ্রেশ হয়ে কফি হাতে নিয়ে বারান্দার দিকে যায়,, বারান্দার রেলিং এ হেলান দিয়ে কফি খেতে খেতে এদিক ওদিক তাকাচ্ছে,, হঠাৎ নিচের দিকে তাকাতেই তীব্রর চোখ আটকে যায়,,,হোটেল এর সামনে একটা ব্ল্যাক কালারের কার পিছনে আরো কয়েকটা কার থামলো,,সব কার থেকে কয়েকটা মেয়ে বেরিয়ে এলো, এসে সামনের ব্ল্যাক কার টার ডোর ওপেন করতেই একটা মেয়ে বেড়িয়ে এলো শার্ট, প্যান্ট পড়া মেয়েটা সানগ্লাস খুলতে খুলতে ভিতরের দিকে আসছে আর পিছনে বাকি মেয়েগুলো,,, সামনের মেয়েটা যতোই এগিয়ে আসছে ততোই যেনো চেনা চেনা লাগছে, অনেকটা মিশানের মতো,, তীব্র চোখ বন্ধ করে মাথা ঝাঁকুনি দিলো।।

তীব্র- অওহ শীট মিশানের কথা ভাবতে ভাবতে মাথায় যাচ্ছে! যাকে তাকে মিশানের মতো লাগে,, মিশান তো এর পুরোই উল্টো, কি সুন্দর সফট, মেজাজ এর, শান্ত ভদ্র লাজুক!! এই মেয়েকে তো মনে হচ্ছে কোনে রাষ্ট্রের মাফিয়া, , এটা তো কক্ষনো মিশান হতে পারে না ( মনে মনে)(
,,
মনে মনে ভাবতে ভাবতে ফোন বের করে মিশানের ছবি বের করে নির্বাক হয়ে তাকিয়ে আছে,,,,


মিশানের খুব টায়ার্ড লাগছে,, রুমে গিয়েই ফ্রেশ হয়ে বিছানায় গা এলিয়ে দিলো,,,।।



রাতে ডিনারের জন্য জেসি ডাকতে আসলে ঘুমের মধ্যেই মিশান না করে দেয়,, মিশানের খুব বেশি ঘুম পাচ্ছে।।

ভোর হতেই ফ্রেশ হয়ে ব্রেকফাস্ট সেরে রেডি হতে লাগলো তীব্র,,,,


মিশানও ফ্রেশ হয়ে ব্রেকফাস্ট শেষ করে রেডি হতে লেগেছে,,,


১০ টাই মিটিং , ,, ৮ টার মধ্যেই। রেডি হয়ে বেরিয়ে পড়লো তীব্র, প্রিতম, পলাশ,,,,,,,গাড়ি নিয়ে রওনা হলো, Fidi jhu টাওয়ারের উদ্যেশে।।



বিভিন্ন দেশ থেকে বিভিন্ন লেভেলের মাফিয়া গ্যাংস্টার রা এসেছে, , এশিয়ার টপ টুয়েন্টি মাফিয়াদের মধ্যেই পার্টনারশীপ বিজনেস ডিল হয় ইউরোপ কান্ট্রির সাথে,

কনফারেন্স হলে একটু ভিন্ন প্রকৃতির সাজ, প্রতিটি গ্রুপের জন্য একেক টা গোল টেবিল বরাদ্দ,, তীব্ররা বসে পড়লো, সার্ভেন্টরা এসে ড্রিংকস স্ন্যাকস দিয়ে গেলো,,,,।।।

কেউ কেউ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে গল্প করছে হাতে ড্রিংকস এর গ্লাস নিয়ে।।।

তীব্র দুবাই এর রাখুল গ্রুপ লিডারের সাথে গল্পে মগ্ন আছে,,,



কিছুক্ষণ পর প্রিতম পলাশ হলের গেটের দিকে তাকাতেই থমকে গেলো।।

প্রিতম- পলাশ আমি যা দেখছি তুইও কি তাই দেখছিস!!
পলাশ- তার আগে বল আমি যা দেখছি তুই ও তাই দেখছিস কি না!!!(চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে)

প্রিতম- এটা কি করে সম্ভব,!!! মেয়েটা দেখতে হুবুহু মিশান ম্যাম এর মতো!!(আশ্চর্যরকম হয়ে)

পলাশ- আরে কোথায় মিশান ম্যাম আর কোথায় এই মেয়ে, জানিস পৃথিবীতে একই রকম দেখতে ৭ জন হয়।।

প্রিতম- হুম শুনেছি, তবে বিশ্বাস করি নি, , কিন্তু আজ বিশ্বাস হচ্ছে!!


সবার আইডিয়ার বাইরে মিশানের আসল রূপ,,, মিশান ব্লেজারের হাতা টানতে টানতে উপরের দিকে উঠাচ্ছে,,আর সামনের দিকে আসছে,

– Hey kitty!!
মিশান- আরে ধানুশ আংকেল আপ, ! ক্যাসে হে?
– বাহুত আচ্ছে বেটা, তুম কেসিহো?
মিশান- ওয়েল!
– কিয়া তুমনে একেলা আইয়ে হু? তুম হারা পিতাজী কাহাপে বেটা??
মিশান- হা আংকেল , দাড়াসাল বো কিয়া হেনা ড্যাড থোরা বিজি হ্যে, , ড্যাড আব বাংলাদেশ মে, ঘারওয়ালো কি সাত টাইম স্পেন্ড কার রাহা হে,,দাদাজি অর চাচাজি কি ছাত।।।

– ওকে বেটা ঠিক হে,, এক দিন না একদিন তো তুমকো ইহাপে আনাহি পারেগা,,, তোমহারা পিতা কা ছারে জামিনদারি তুমপে হি যায়েগি।।।।
।।
মিশান- হা জি।


ধানুশ ভারতের দিল্লির শিভাজি গ্রুপের লিডার , , মিশানদের সাথে একবার বিজনেস শেয়ার করেছিলো, সেখান থেকেই ভাল পরিচয়।।।।


এদিকে তীব্র কথা বলায় ব্যাস্ত ওর ই মতো আরেকটা ইয়াংস্টারের সাথে (রক্সি) ব্যাংকক এর টপ মাফিয়া,, তীব্রর সম বয়সী বলে ওর সাথে খুব মিলে,,, দুজনে গল্পের মাঝে রক্সি তীব্রর পিছনের দিকে মিশানকে দেখে মিশানকে ডাক দিলো,,

রক্সি- হেই ক্যালকুলেটর!!

মিশান দূর থেকেই রক্সি কে দেখে হাত তুলে হাই দিলো,,

রক্সি- কাম হেয়ার ( এদিকে ইশারা করে আসতে বললো ).

মিশান ইশারা করে দেখালো একটু পর আসছি,, মিশান এখনো ধানুশ আংকেল এর সাথেই কথা বলছে,, তীব্র উল্টো দিকে দাঁড়িয়ে ছিলো বলে এখনো তীব্রকে দেখেনি মিশান।।এদিকে তীব্রও মিশানকে দেখে নি মিশান ও উল্টো দিকে ঘুরে কথা বলছে,,,


রক্সির ডাক দেয়ার পর পিছনে ঘুরে তীব্র তাকালেও মিশানকে দেখতে পায় না,,,

তীব্র- হো ইজ শি?
রক্সি- The future leader of Platinum Star,,, the top Gangstar plus mafiya queen in London ,,, Mishan Khan!!
.
.
তীব্র- ( মিশান নাম টা শুনে বুকের ভেতর ধক করে উঠলো ধুকবুকুনী বেড়ে গেলো,,বার বার মাথায় ঘুড়পাক খাচ্ছে,এটা ওর মিশান কি না!! কোনো ভাবেই মিশানের নাম শুনার জন্য প্রস্তুত ছিলো না তীব্র, তবে কাল সন্ধ্যায় কি ও ঠিক ই দেখেছিলো?))

– Why Did you call her calculator?
রক্সি- Because she is the supper brilliant girl, ,Before doing every steps she dose calculation,think, takes care of everything, what are doing now? and she dosen’t know what is the feeling of being lost…she is the queen of intelligence . and her six sense are amazing!! what she thinks, that’s happened…. everyone in front of her bound to lose…by the time, she can play every character… . [[( কারণ ও অত্যন্ত মেধাবী একটা মেয়ে,,,প্রতিটা কাজের আগে ও সব কিছু হিসেব করে বুঝে শুনে করে,,ও জানে না হেরে যাওয়ার অনুভুতি কি,,, বুদ্ধির রাণী ও,, আর ওর ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় যাকে বলে অসাধারণ!! যা আইডিয়া করে তাই ই হয়,,ওর সামনে যে কেও হেরে যেতে বাধ্য,,,,সময়ের সাথে নিজেকে তাল মিলিয়ে সব রূপ ই নিতে পারে,,।।]] .
.
তীব্র- oh I see!!!…( একটা মানুষ কি করে এতটা নিখুঁত অভিনয় করতে পারে!!!বিশ্বাসঘাতক!!মিশান এমন হবে ভাবতেই পারছি না,,মিশান এমন! “(মনে মনে))



মিশান এবার তীব্রদের দিকে আসছে, তীব্র রক্সি কথা বলছে ,,।

মিশান- হেই রক্সি, হোয়াটস আপ?(তীব্রর পিছন থেকে)
রক্সি- হেই মিস ক্যালকুলেটর!! কাম..

মিশান রক্সির কাছে যেতেই ঘুরে দাঁড়িয়ে শক, ওর সামনে তীব্র,, মিশান তীব্রকে দেখে অনেক এক্সাইটেড হয়ে যায়!!

মিশান- ইউ!!!( তীব্রর দিকে তাকিয়ে)
তীব্র- ইয়াহ(মুখ গম্ভীর করে মিথ্যে হাসি দিয়ে…
মিশান- তীব্রর দিকে তাকিয়ে কিছু একটা আন্দাজ করলো,,

রক্সি- Do you know him Mishan?
মিশান- Yeah,,he is the leader of Royal King in bangladesh,,, Safowan Reza Tibro
.
( তীব্র অবাক!! ওর সম্পর্কিত সব জানে মিশান,, আর তীব্র কিছুই জানে না!!এটা ভেবেই তো আরো রাগ হচ্ছে নিজের উপর))

.
Roxi- okhay.. I see.so how r you?
Mishan- well.. u?
Roxi- Where is uncle? You’re alone!
Mishan -yeah.. now dad is in Bangladesh to attend my cousin’s wedding..
.
Roxi- owh got it… I will come, wait just a minute..
Mishan- okhay..
.
. রক্সি চলে গেলো,, এখানে মিশান আর তীব্র রয়ে গেলো,,তীব্র তো মিশানের দিকে তাকিয়ে আছে সেই কখন থেকে,,চেনা ভার,,মিশান তীব্রর দিকে তাকাতেই,

মিশান- আপনিও এই সংগঠন এর সাথে আছেন!! ভাল লাগলো।

তীব্র- আমিই না আমার বাবার সময় থেকে এই সংগঠন এ আছি,, বাট তোমাকে তো এর আগে দেখি নি এখানে,এই ইয়ারেই কি নিউ?

মিশান- নো,, আমারো সেম, ড্যাড এই পেশায় আসার পর থেকেই এর সাথে যুক্ত,,,আমি আসি না ড্যাড আসে,ড্যাড তো দেশে তাই আমাকে পাঠিয়ে দিলো,,মোট কথা আমি ফার্স্ট টাইম এসেছি ,,

তীব্র- ও বুঝেছি সেই জন্যই হয়তো তোমার ড্যাড কে চেনা চেনা লাগছিলো।।।আচ্ছা তোমাকে তো আমার সম্পর্কিত তেমন কিছু বলি নি তুমি জানলে কি করে?

মিশান – এটা আবার কেমন প্রশ্ন!
তীব্র- মানে?
মিশান- আসলে আমি না এমন ই, যখন যা করি সব ক্যালকুলেট করে,আমি নেক্সট কি করবো,,,আর সেখানে আপনার সাথে এতো ঘুরাঘুরি কথা বার্তা এতো মিল,আমি আপনার খোঁজ নেবো না?? ( ডেভিল স্মাইল)..
তবে যাই বলেন আপনাকে দেখে কিন্তু বুঝা যায় না আপনি এরকম একটা চিজ( হেসে দিয়ে)

তীব্র- সেম কথা তোমার সাথেও খাটে,,,তবে আমার থেকে তোমাকে বেশি।।

মিশান- হোয়াট??

তীব্র- তোমার অভিনয় এতো টা নিখুঁত ছিলো, তোমাকে সন্দেহ অব্দি হয় নি,, তোমাকে আমি একটা সাধারণ মেয়েই ভেবেছিলাম।।।আজকে তোমাকে না দেখলে জানতেই পারতাম না, তুমিও এমন একটা চিজ।।

মিশান- হোয়াট রেইলি??
তীব্র- ইয়াহ,,,ভাল অভিনয় পারো!

মিশান কিছু বলতে যাবে তখনি

।হঠাৎ মাইক্রোফোনে আওয়াজ এলো,,


– Dear ladies and gentle man,,Please Pay attention ,,,[দয়া করে সবাই মনোযোগ দিন ] .
.
.চলবে…..
#The_Mafia_King_VS_Queen
#Writter :-Riya Khan
#Part:- 11
– I’m sorry to say something special today that ‘ this year we’re not going to take “the top 20 ” but we’re taking ‘the top 10 ‘”I’m going to be announceing in a while.

(আজকে একটি বিশেষ কথা দুঃখের সাথে জানাতে যাচ্ছি
,এবছর আমরা সেরা ২০ নেবো না,,এবছর সেরা ১০ নিতে চলেছি,কিছুক্ষণের মধ্যেই এনাউন্স করতে যাচ্ছি,,())))

।।

কথা গুলো শুনে সবাই অনেকটাই অবাক হলো!
প্রিতম- স্যার এটা তো লেটারে লিখা ছিলো না,আচমকা আজকেই বলতেই হলো!!

তীব্র- আমিও তাই ভাবছি, এরকমটা তো হওয়ার কথা ছিলো না,,যদিও আজ অব্দি হয়নি এরকম , হয়তো বা ওদের লেটারে টাইপিং মিস্টেক ছিলো।।( ভ্রু কুঁচকে))

প্রিতম- আমরা কি টপ টেন এ থাকবো এবারো স্যার??( ভয়ার্ত স্বরে)

তীব্র- এটা কেমন কথা আবার? আমাদের পজিশন কতোতে?

প্রিতম- স্যার টপ ফোর এ।।
তীব্র- আমাদের র‍্যাংকিং মিস হয়ে সর্বোচ্চ ফাইভ এ যেতে পারে এর থেকে বেশি না, ( ভ্রু কুঁচকে চোখ গরম করে)..



সেফা- ম্যাম, আমাদের কাজের প্রতি ফুল কনফিডেন্স আছে,এবার আমাদের পজিশন আগের থেকেও এগিয়ে আসবে, বাট যতবার দেখেছি টপ টুয়েন্টি নেয় তবে টেন?

মিশান- এবার ই প্রথম না এর আগে ২০০৭ সালেও নেয়া হয়েছিলো টপ টেন।। সো এতো অবাক হওয়ার কিছু নেই,,তবে আমার জন্য এটা ভালোই হয়েছে, (ডেভিল স্মাইল দিয়ে).

জেসি- কেমন ভাল ম্যাম??
মিশান- অনেক বছরের অজানা হিসেব গুলো এবার হয়তো মিলতে বসবে! (রহস্যময়ী হাসি দিয়ে)।

।।
।।
।।
– Dear guy’s,,,,Who are the top ten today,,I’m going to Announce their name, in the first position of the top ten,


1.The group of lightning birds in ( Dubai)

2. The platinum star( London)

3. The Royal king ( bangladesh)

4. Shivaji team ( India)
.
একে একে সব গুলো গ্রুপের নাম বললো।।

This evening I am telling everyone about the partnership,,Now this meeting is end.. good bye guys!


[ আজকের সেরা দশ যারা আছেন,
তাদের নাম বলতে যাচ্ছি,,,সেরা দশের প্রথম পজিশন এ আছেন,(👆উপরের নাম গুলো)


।আজ সন্ধ্যা বেলা জানাচ্ছি সবার পার্টনারশিপ গুলো।
। এখনকার মতো মিটিং সমাপ্ত করছি।। বিদায়।।।



মিটিং শেষ হতেই একে একে সবাই হল রুম ত্যাগ করতে লাগলো,, যারা টপ টেনে আসতে পারে নি তারা খানিক টা মন খারাপ নিয়ে যারা সিলেক্টেড তাদের কে কনগ্রাচুলেশন জানাচ্ছে।।।।।



, তীব্র মিশানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে,, এদিকে মিশান খুব একটা খুশি না ওর পজিশন নিয়ে, প্রথম পজিশন টাই এক্সপেকটেশন ছিলো!

তীব্র- এখানেই দাঁড়িয়ে থাকবে নাকি??
মিশান- নাহ, এই তো বের হবো এখনি,,
তীব্র- মন মরা লাগছে কেনো,এতো ভাল পজিশন এ এসেও সামনের বার তো তুমি প্রথম পজিশন এ এসে পড়বে,,।
মিশান-কোথায় মন মরা,, আই এম অল রাইট,,,বাই দি ওয়ে আপনি কোন হোটেল এ উঠেছেন?

তীব্র- তুমি যে হোটেলে আমিও সেই হোটেলে।।
মিশান- হোয়াট!!! ( আশ্চর্য হয়ে)
তীব্র- হুম,কাল যখন তুমি হোটেল এ আসলে তখন ই দেখেছি,বাট চিনতে পারি নি, তোমার গেট আপ টা এতো টাই চেঞ্জ যে চেনার বাইরে( অনেক টা চোখে রাগ আর ঠোঁটে হাসি নিয়ে বললো)))
.
মিশান- অও মাই গড!!! আপনি আমি এক ই হোটেলে, আর আমি এখনো দেখি নি,!!
তীব্র- হুম,,তুমি কি এখন হোটেলে ফিরবে নাকি এখানেই থাকবে?
মিশান- না হোটেলে ফিরবো,, আপনি??
তীব্র- আমিও।।
মিশান- তাহলে চলুন এক সাথেই যাওয়া যাক,, যদি আপনার কোনো প্রব্লেম না থাকে।।

তীব্র- হুম সিউর”!!!.


তীব্র সাথে যাবে বলে মিশান অনেকটাই খুশি হয়,,তীব্রকে দেখার পর থেকে ভেতরে কেমন একটা শান্তি অনুভব করছে,, আর মনে মনে ড্যাড কে থ্যাংকস জানাচ্ছে।।।।


এদিকে তীব্র মিশানকে দেখার পর থেকে এত টাই শকড হয়েছে যে মিশানের আসল রূপ টা কল্পনার বাইরে ছিলো,, মনের কোণে মিশানের জন্য সেই অজানা ভাল লাগার অনুভুতি যেনো বিষে পরিণত হচ্ছে,,মিশানকে এক ঝটকায় এড়িয়ে যেতেও পাড়ছে না,, কেনো জানি মনে হচ্ছে মিশানকে আরো বেশি জানতে ইচ্ছে হচ্ছে,, মিশান টা আসলে কি সেটা জানার জন্য মিশানের কথার সাথে মিশে যাচ্ছে।।।।।

সবাইকে বিদায় জানিয়ে ওরা বেরিয়ে পড়লো, মিশান তীব্র এক ই গাড়ীতে উঠলো, বাকিরা পেছনের গাড়ীতে আসছে!


মিশান চুপ করে আছে, এদিকে তীব্রও চুপ করে আছে,, কেউ কোনো কথা বলছে না,, কিছু একটা খুব বেশি বাধা দিচ্ছে।।।।।,,,
.
.
সারা রাস্তায় কেউ কোনো কথা বললো না,, চুপ করেই রইলো,, দুপুর নাগাদ হোটেলে ফিরলো সবাই,,, হোটেলে ফিরে যে যার যার রুমে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে নিলো,, দুপুরের লাঞ্চের জন্য সবাই ফুড জুনের দিকে গেলো,সেই একি মিরাক্কেল মিশানরা আর তীব্ররা পাশাপাশি টেবিলে বসতে নিলেই ওদের দেখা হয় আবার,,

মিশান- হেই মিস্টার তীব্র,(পিছন থেকে)
তীব্র- অওহ মিশান,, ( কিছুটা চমকিত হয়ে)

মিশান – হ্যাভ দি সিট,,
তীব্র- নো প্রব্লম আমি এখানেই বসছি,,তুমি চাইলে এখানে বসতে পারো,,
মিশান- নো থ্যাংকস আমি এখানেই বেটার ফিল করছি,,,

তীব্র- এজ ইউর উইশ,,,

প্রিতম- স্যার একটা কথা বলবো?
তীব্র- সিউর!
প্রিতম- আপনি আর ম্যাম এক সাথে বসুন আমরা সবাই অন্য টেবিলে এক সাথে বসি,, তাহলেই তো হয়।।।

তীব্র কিছুটা বুঝতে পারলো প্রিতম কেনো এই কথা টা বললো,,কিন্তু কিছু বললো না তীব্র,, চেয়ারে বসতে যেয়েও না বসে মিশানের সাথে এক টেবিলে বসলো।।।

পলাশ প্রিতম সরে অন্য টেবিলে বসলো সাথে জেসি, সেফা, জারিন, প্ল্যাটাম বাকি সবাই গিয়ে প্রিতম দের টেবিলেই বসলো,,,


পলাশ একজন বিবাহিত তাই শখ করেও কোনো মেয়েদের দিকে তাকানো বারন,,কিন্তু প্রিতম তো ব্যাচেলর ,, শুরু থেকেই জেসির প্রতি একটু না অনেকটাই দুর্বল কিন্তু মিশান এর দিকে তাকালেই ফিউজ হয়ে যায় সব, মিশানের সব কেয়ার টেকার আর গার্ড আনম্যারিড,,,যখন কারো বিয়ে হয়ে যায় তখন তাকে লাইফটাইম বিদায় দিয়ে দেয়,।



,
মিশান নিজের জন্য খাবার অর্ডার করলো এতো এতো ,
তীব্র হাভার মতো তাকিয়ে আছে মিশান এতো খাবার অর্ডার করছে কেনো! তীব্রর খাবার অর্ডার করলো তীব্র, হাল্কা খাবার ই নিলো , ভেজিটেবল টাই বেশি নিলো,,,আর মিশান শুধু জাংক ফুড এর আইটেম।

।।
খাবার আসার পর খাবার খাওয়া শুরু করলো,,,তীব্রও খাচ্ছে,,খাওয়ার মাঝখানে মিশানের দিকে খেয়াল করলো মিশান অনেকটা ছেলেদের মতো বসে বাচ্চাদের মতো করে খাচ্ছে,, খাওয়ার সময় খাওয়া ছাড়া আর কোনো কিছুর দিকে তাকাচ্ছে না, ওর দৃষ্টি খাবারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ,, এদিক ওদিক তাকাচ্ছে না কথাও বলছে না,,

হুট করেই তীব্র গলা হাল্কা কাশি দিয়ে বললো,,
তীব্র- একটা প্রশ্ন করবো?
মিশান- ( তীব্রর চোখের দিকে অবুঝ একটা দৃষ্টি নিয়ে তাকালো) হুম্ম শিউর!
তীব্র- আজকে কি তোমার চীট ডে??
মিশান- মানে??
তীব্র- মানে তুমি কি রেগুলার ডায়েট করো না???

মিশান- ( তীব্রর খাবারের দিকে এক নজর তাকালো,,তারপর তীব্রর চোখের দিকে তাকিয়ে বললো)
দিন শেষে এত এত টাকা ইনকাম করি কিসের জন্য? খাওয়ার জন্যই তো, , নিজের আত্তা কে এত কষ্ট দিয়ে এত টাকা ইনকাম করে সারাদিন অই এক গ্লাস জুস আর শসা গাঁজর খাওয়ার জন্য এত টাকা ইনকাম করি?,,জীবন তো একটাই খাওয়ার জন্যই যখন বেঁচে আছি তবে ভাল খেয়েই মরবো,, অই সব ডায়েট করে নিজের আত্তাকে কষ্ট দেবো কেনো??

।তীব্র- আমি সেটা বলি নি, মানে বলতে চেয়েছি তুমি কি সব সময় ই এই রকম খাবার খাও?.
মিশান- হ্যা, ম্যাক্সিমাম টাইম।।
তীব্র- দেখে মনে হয় একটা রেগুলার ডায়েট ফলো করো।।।

মিশান- একটা কথা বলবো?
তীব্র- হুম শিউর!
মিশান- আমার এই অতিরিক্ত খাওয়াই আমাকে খেয়ে দেয়,, তাই মোটা হই না।।।।(বলেই ফিক করে হেসে দিলো) জীবনের একটা সময় ছিলাম মোটা,,বাট এখন হাজার খেয়েও মোটা হই না।।।

তীব্র- সেটাই তো দেখতে পাচ্ছি।।।। (হেসে দিয়ে)

চলবে…..

,

গল্পটি আপনার কেমন লাগলো রেটিং দিয়ে জানাবেন
[Total: 1   Average: 5/5]
বন্ধুদের সঙ্গে "Share" করুন।
Open chat
1
যোগাযোগ করুন
আপনার গল্পটি প্রকাশ করার জন্য যোগাযোগ এখনে।