দি মাফিয়া কিং ভার্সেস কুইন

#দি_মাফিয়া_কিং_ভার্সেস_কুইন
#লেখিকা:-রিয়া_খান
#পর্ব-১
-স্যার স সরি স্যার এবারের মতো ক্ষমা করে দিন আর ভুল হবে না স্যার প্লিজ. স্যার আর এরকম টা ভুল হবে না।।

প্রিতম- আমার কাছে ক্ষমা চেয়ে কি হবে, ,, কোনো লাভ নেই,,আমি তো আর তোর মতো বিশ্বাস ঘাতক না, আমি আমার দায়িত্ব পালন করছি,,এই ওকে নিয়ে চল(উচ্চস্বরে)

– স্যার প্লিজ স্যার,বাড়িতে বউ বাচ্চা আছে।।
প্রিতম – আমাকে বলে লাভ নেই,, তুই এক কাজ কর এখন আল্লাহ আল্লাহ কর উনি যদি দয়া করেন তবেই আমাদের স্যার তোকে ক্ষমা করবেন।।।।চল তোকে মামা বাড়ি নিয়ে যাই ( ডেভিল স্মাইল)



[ এই হলো প্রিতম আমাদের গল্পের হিরোর বডিগার্ড শুধু প্রিতম ই নয়, প্রিতম, পলাশ দুই জন।] ।

পলাশ- স্যার আসবো??
– ইয়েস.
পলাশ- স্যার প্রিতম ফোন করেছিলো,, রাকিব বদমাইশ টাকে ধরেছে,, ফার্ম হাউজের দিকে নিয়ে যেতে বলেছি,,(একটা অন্ধকার রুমে ডুকতে ডুকতে)

– গুড, ভেরি গুড ( ডেভিল স্মাইল)
পলাশ- সো স্যার ক্যান উই গো নাও??
– ইয়েস,,,লেটস গো।।।
।।


গাড়ি নিয়ে বেড়িয়ে পড়লো,, ফার্ম হাইজের দিকে,,,,।।।


এদিকে রাকিব একজন সাংবাদিক, যে একজন ধড়িবাজ লোক,, বিশ্বাস ঘাতকতার অপরাধে তাকে ধরে আনা হয়েছে,, ফার্ম হাউজের বাগানে, একটা চেয়ারে বেধে রাখা হয়েছে তাকে, চারপাশে এত্ত এত্ত গার্ড দাঁড়িয়ে আছে রোবট এর মতো।।। রাকিব হাসান কে মারধোর ও করা হয়েছে তাই মাথা টা ঝিমঝিম করছে, এমন সময় গেট এর সামনে গাড়ি এসে থামলো,,
পলাশ গাড়ি থেকে বেড়িয়ে গাড়ির লক টা খুলে দাড়াতেই গাড়ি থেকে বেড়িয়ে এলো লম্বা হ্যান্ডসম একটা ছেলে,,, হাইট ৬’২”,,, গায়ের রঙ উজ্জ্বল শ্যাম বর্ণ, গালে খুঁচা খুঁচা দাড়ি, ঠুঁট টা লালচে খয়েরী,,চুলগুলো ছোটো মাঝারি সাইজ করে অসাধারণ কাট,,,শহরের মেয়েদের ক্রাশ লিস্টের প্রথম একজন ইনি,,নাম সাফওয়ান রেজা তীব্র,,শহরের টপ মাফিয়া,, দি রয়েল কিং গ্রুপের লিডার ,,,,,, সানগ্লাস চোখে দাঁড়াতেই তীব্র ইলেক্ট্রিক এ টান বসাতে বসাতে সামনের দিকে এগোতে লাগলো।।।

তীব্র কে দেখে রাকিব হাসানের শরীলের রক্ত চলাচল যেনো বন্ধ হয়ে আসছে,,গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেছে,,হৃদস্পন্দন গতি বেড়েই চলছে,,,একটা চেয়ার টেনে রাকিবের সামনে রাখা হলো, তীব্র চেয়ার টাতে বসে রাকিবের দিকে তাকালো, তারপর হাতের ঘড়ির দিকে তাকাতে তাকাতে বললো ,,

তীব্র – বাড়িতে থেকে যখন বের হয়েছিলেন বউ বাচ্চার থেকে বিদায় নিয়ে বেড়িয়েছিলেন???
রাকিব – মা মা মানে স্যার!!
তীব্র – মানে টা জেনেও কেনো না জানার ভান করছেন, সোজা উত্তর না দিয়ে ( রাগীস্বরে)
রাকিব – স্যার স্যার আমার ভুল হয়ে গেছে, এবারের মতো ক্ষমা করে দিন। স্যার আর হবে না এমন টা ( কাঁদতে কাঁদতে)
তীব্র – তারামানে বউ বাচ্চার থেকে বিদায় নেন নি,,,,,প্রিতম
প্রিতম – ইয়েস স্যার?
তীব্র – রাকিব সাহেব এর ফোন থেকে উনার বাড়িতে ফোন দাও,,বেচারী বউ খাবার টেবিলে খাবার নিয়ে বসে থাকবে,, বলে দাও রাকিব আর ঘরে ফিরবে না।।।
রাকিব – স্যা স্যার ( কাঁদতে কাঁদতে (
তীব্র – অওহ আপনি কথা বলবেন?? ঠিক আছে,, মরার আগে শেষ ইচ্ছা পুরণ করতে হয়,,প্রিতম ফোন টা রাকিব সাহেব কে দিয়ো,,,, উনি নিজেই বিদায় নিক।।।
,
প্রিতম- সিউর স্যার।।এই নিন ( রাকিবের দিকে ফোন বাড়িয়ে দিয়ে)
রাকিব- স্যার প্লিজ ( কান্নাস্বরে ফোন হাতে নিতে নিতে)
তীব্র – হুম তাড়াতাড়ি বিদায়পর্ব শেষ দিন আমার হাতে সময় নেই।।
-হ্যালো ( ফোনের ওপাশ থেকে)
রাকিব – হ্যা হ্যালো!
– হ্যা বলো কখন ফিরবে,রাত কত হয়েছে ঘড়ি দেখেছো?
রাকিব -আমার হয় তো আর ফেরা হবে না গো।
– কি যা তা বলছো।

রাকিব কথা বলতে যাবে ঠিক তখনি তীব্রর চোখের ইশারায় প্রিতম ফোন কেড়ে নিলো।।।


রাকিব – স্যার আমার ভুল হয়ে গেছে, এবারের মতো ক্ষমা করে দিন স্যার প্লিজ।।

তীব্র- বিশ্বাসঘাতকতা আর কথা দিয়ে কথা না রাখা দুটো ব্যাপার না আমি খুব ঘৃণা করি,,,,অপরাধ যেটাই হোক না কেনো আমি এক বারের বেশি কাউকে ক্ষমা করি না, আর আপনি সে সুযোগ টা পেয়েছিলেন নিশ্চয়, কিন্তু কুকুরের লেজ কি আর সোজা হয়??আপনি শুধরাননি,,, সেই আবারো আবারো একি কাজ করলেন,( উচ্চস্বরে রাগীকন্ঠে),,, সো আর ইউ রেডি মিস্টার রাকিব হাসান ( কপাল সই বন্দুক তাক করে) ????
– স্যার ( কাঁদতে কাঁদতে)
তীব্র- থ্রি,, টু, ,,, ওয়ান….( বলেই বন্দুক শুট করে দিলো)


রক্তাক্ত হয়ে রাকিব নিচে পড়ে গেলো।।।,,বন্দুক টা প্রিতম এর হাতে দিয়ে টিস্যু দিয়ে হাত মুছতে মুছতে চলে গেলো।।।


.
পলাশ- স্যার আমাদের মিটিং ছিলো কাল সকালে, মিস্টার আদিত্য রায়হান এর সাথে,, ওটা কি ফাইনাল করে দিবো?
তীব্র – হুম দাও।।।।।
পলাশ- ওকে স্যার।।
তীব্র- এন্ড লিসেন, নাও আই উইল রেস্ট নাও,, সো ডোন্ট ডিস্টার্ব মি ওকে?
পলাশ-ওকে স্যার।।।
তীব্র- আর রাহেলা কে বলো,মাকে সময় মতো খাইয়ে দিতে।।
পলাশ- ওকে স্যার।।।


তীব্র রুমে যেতেই ফ্রেশ হয়ে ঘুমিয়ে পড়লো খুব বেশি ক্লান্ত লাগছে আজ,,,




………………………..At London……….
তীব্র গতীতে গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছে ম্যাক্স,, প্রতি সেকেন্ড অজশ্র ঘাম ঝরছে ম্যাক্সের,,, পিছন থেকে কেউ তাড়া করছে,, ম্যাক্সের গাড়ীর পিছনে আরো কয়েকটা গাড়ি পিছু লেগেছে।।। , হাইওতে তে উঠতেই ব্রিজ এর মাঝখানে এসে ম্যাক্সের গাড়িটা থেমে যায়,,অনেক চেষ্টার পর ও গাড়ি টা চললো না,, গাড়ি থেকে নেমে সামনের দিকে দৌড়াতে শুরু করলো আর পিছনের দিকে তাকাচ্ছে হঠাত পিছন থেকে সামনের দিকে ঘুরতেই ম্যাক্স থেমে গেলো,,, এবার আর বুঝতে দেরি হলো না ম্যাক্সের, সে আর শত চেষ্টা করলেও বাঁচতে পারবে না।।।


সামনে একটা গাড়ি এসে থামলো, গাড়ি থেকে দুটো মেয়ে বেড়িয়ে এলো সাদা শার্ট কালো কোট আর কালো প্যান্ট, চোখে সানগ্লাস পড়া, গাড়ি থেকে বেড়িয়ে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে রইলো,, গাড়ির সামনের ডোর টা খুলে এবার কেউ একজন। বেড়িয়ে এলো যাকে দেখে ম্যাক্সের রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে এলো।।।।


(হ্যা আর কেউ নয়,গল্পের হিরোয়িন মিশান খান,,লন্ডন এর টপ ইয়াং মাফিয়া প্লাস গ্যাংস্টার এর মধ্যে একজন,, যার টার্গেট কখনো মিস হয় না,,বাবার একমাত্র মেয়ে বাবার প্রফেশন ই মেয়ে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে,,,ইনি জাতে মেয়ে হলেও কাজ কর্মে আর চাল চলন বৈশিষ্ট্য সম্পূর্ণ ছেলেদের মতো,,, নারী মন নাকি নরম হয় কিন্তু এর ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ আলাদা,ভিতরে দয়া মায়া নেই বললেই চলে,,যার কোনো দুর্বলতা নেই বললেই চলে।।।।নিজেকে এমন ভাবেই গড়েছে,,, ,)

,,,,কালো রঙের শার্ট আর কালো প্যান্ট পড়া,,লম্বা স্ট্রেট চুল গুলো ঝুটি করা মাথায়,,,ব্ল্যাক সানগ্লাস চোখে,,,,এক হাতে বন্দুক নিয়ে শার্ট এর হাতা ফোল্ড করতে করতে এগোচ্ছে ম্যাক্সের দিকে,,,,,
মিশান – I wondered, I Wondered,,, your Dare!!! ( রাগীস্বরে)
ম্যাক্স- লিভ, লিভ মি,
মিশান -হুমহ, ( , তুচ্ছ হাসি দিয়ে)
Do you know how long time, you race with me??
Max- plzz leave me,,, I don’t know anything about pendrive..[ আমাকে ছেড়ে দাও,, আমি পেন্ড্রাইব সম্পর্কে কিছু জানি না ] মিশান- Yeah!! I know…. What you know or don’t know,,,,,give me the pendrive..[ হ্যা আমি জানি তো তুমি কি জানো,, আর কি না জানো……. পেন্ড্রাইব টা দাও.. (দাতে দাত চেপে)
Max- No,, I can’t..( না আমি পারবো না)
মিশান- Why???(কেনো] Max- I can’t,, just leave me.[.পারবো না আমি,,আমাকে ছেড়ে দাও] মিশান- Owh really you will still now with your Dicision??[ অও তাই বুঝি, তুমি তোমার ডিসিশনে অনড় থাকবে তাই তো??] Max- Yes![হ্যা] মিশান- ok,,, So Now,,What are you doing?? [ঠিক আছে,, কিন্তু এখন????] ( বন্দুক কপালের দিকে তাক করে,,,
Max- No…no.. ..don’t do this!!!

মিশান- I don’t like to say one thing over and over again
[এক কথা বার বার বলা পছন্দ করি না ] ম্যাক্স- please, don’t kill me,,,Take this Pendrive,,(দয়া করে মারবেন না আমায়,,,এই নিন পেন্ড্রাইব ] মিশান- This baby came on the treasure line[এই তো বাছা ধন লাইনে এসেছে ] (ডেভিল স্মাইল)
Coxy….
কক্সি-ইয়েস ম্যাম?
মিশান- Take that from him
কক্সি-ইয়েস,
,
কক্সি ম্যাক্সের থেকে পেন্ড্রাইব টা নিতেই, মিশান একটা ডেভিল স্মাইল দিয়ে ম্যাক্সের দিকে বন্দুক ধরে বললো।

মিশান- Sorry max!!!,,,,If I don’t kill you,,I won’t be at peace., you made me so toiled for a little pendrive, you have to be punished….. ..[দুঃখিত ম্যাক্স, তোমাকে না মারলে আমার শান্তি হবে না,, সামান্য পেন্ড্রাইব এর জন্য আমাকে এতো খাটালে তার শাস্তি তো পেতেই হবে] Max- plzz forgive me,,give me a chance to live,, I will go back to my country [ প্লিজ আমাকে ছেড়ে দিন,,, একটা সুযোগ দিন বাঁচার,,,,আমি আমার দেশে ফেরত চলে যাবো ] মিশান- Good bye Max (বন্দুক টা শুট করে দিলো ম্যাক্সের মাথায়।।।।


পিস্তল বডিগার্ড এর হাতে দিয়ে,, গাড়িতে উঠলো।।।


হঠাৎ মিশানের ফোনে ফোন আসতেই মিশান চোখের সামনে ফোন টা নিয়ে হেসে দিয়ে রিসিভ করলো।।
মিশান- Hey Dad
মি রাইয়ান খান(মিশানের বাবা) – Hey my sweet Doll,,Where are you?
মিশান- In the car
মি.রাইয়ান খান – When will Maumuni return?(কখন ফিরবে মামুনি)
মিশান-I’m coming right now Dad, [এক্ষুনি আসছি ড্যাড] রাইয়ান খান- Ok,,I’m waiting!
মিশান- Dad
.রাইয়ান খান- What?
মিশান- We got our pen drive( আমাদের পেন্ড্রাইব টা পেয়ে গেছি)
রাইয়ান খান- Well done my daughter!! I’m just proud of you,,( ভাল কাজ করেছো মামুনি,,আমি তোমাকে নিয়ে, এক কথায় গর্বিত)
মিশান- ওকে বাই ড্যাড,,, সি ইউ সুন।।
মি.রাইয়ান – ওকে মাই প্রিন্সেস!!!




ড্রয়িংরুম এ বসে ল্যাপটপ নিয়ে কাজ করছে, মিশানের বাবা,,,,

রফিক ভুঁইয়া ( রাইয়ান খানের কেয়ার টেকার)-স্যার একটা কথা বলবো?
রাইয়ান- হ্যা বলো,।
রফিক -স্যার, মিশান মামুনি এই প্রফেশন এ আসার পর অনেক প্রগ্রেস হয়েছে আমাদের,,,ও আমাদের জন্য লাকি,,কিন্তু আমাদের এটাও মাথায় রাখতে হবে, লন্ডনের প্রত্যেক টা মাফিয়া সবার টার্গেট মিশানকে টপকানো,,,মিশানকে অনেক বেশি সতর্ক হয়ে চলতে হবে,,,
রাইয়ান খান- তা ঠিক বলেছো,,কিন্তু কি করবো বলো,, মিশান কে এটা ,, ওর চালচলন টাও বেপরোয়া যখন তখন লাইফ রিস্ক নিয়ে বেরিয়ে যায়,,,,এটা আমি ওকে বার বার বোঝাতে ব্যার্থ হই ও আমার একটা মাত্র মেয়ে।।।

মিশান–যতদিন আমাকে তোমরা মেয়ে ভাববে না, ঠিক ততদিন ই আমাকে নিয়ে এই আতংক টা থেকে যাবে তোমাদের।

রাইয়ান খান- আরে আমার মামুনি টা এসে গেছে!!
মিশান- ইয়াহ!!এই নাও তোমার পেন্ড্রাইব যেটার টেনশন এ তুমি ঘুমাতে পারছিলে না,,(পেন্ড্রাইব এগিয়ে দিতে দিতে)
রাইয়ান খান- দ্যাটস গ্রেট,,,( পেন্ড্রাইব হাতে নিয়ে)
মিশান- আমি ফ্রেশ হয়ে নিচ্ছি,,, কেউ যেনো ডাকা ডাকি না করে,,
রাইয়ান খান – ওকে মামুনি,, যাও।।।

মিশান উপরে নিজের রুমে চলে গেলো,,

রাইয়ান খান- হেই প্ল্যাটাম
প্ল্যাটাম (মিশানের বডিগার্ড) – ইয়েস স্যার?
রাইয়ান খান- Did she murderer today?(মিশান কি আজো মার্ডার করেছে??
প্ল্যাটাম -Yes sir
রাইয়ান খান- ok now you can go…
.


রাইয়ান খান-রফিক
রফিক – জি স্যার?
রাইয়ান- কাকে নিয়ে আমরা ভয় পায় বলো তো,,আমার মনে হয় না আমার মিশান মামুনি কে কেউ টপকানো তো দূরে থাক, ওকে ছুঁতেও পারবে না।
রফিক- স্যার আমারো তাই মনে হয়,,,,অনেক ভাগ্য করে এমন মেয়ে পেয়েছেন স্যার।।একদম অলরাউন্ডার
রাইয়ান- মেয়েটার মায়ের মৃত্যু ওকে আরো বেশি কঠিন করে দিয়েছে,,, (আবেগী স্বরে)
রফিক- স্যার থাক,অতীত নিয়ে আর ভাবতে হবে না,, আল্লাহ যা করে ভালোর জন্য করে।।।আজকে মিশান এমন টা না হলে মিশানকেও আপনি হারিয়ে ফেলতেন মায়ের সাথে সাথে…..

রাইয়ান খান- হুম….।

।।
।।।


………………….. :::::::::::::
প্রিতম -গুড মর্নিং স্যার.
তীব্র- গুড মর্নিং।।পলাশ কোথায়?
প্রিতম- স্যার পলাশ আজকের মিটিং এর ব্যাবস্থা করছে,,আপনি রেডি হয়ে নিন।।মিস্টার আদিত্য রায়হান এসে গেছে।।
তীব্র- Ok, I’m come in…
.
.

আদিত্য রায়হান – ওয়েলকাম মিস্টার সাফুয়ান রেজা ওয়েলকাম!!
তীব্র- থ্যাংক্স,, এন্ড সরি ফর লেট।
আদিত্য – ইটস ওকে,,আই ডোন্ট মাইন্ড।।
তীব্র- থ্যাংকস,!! তাহলে কথা না বাড়িয়ে আসল ট্রপিক এ আসি.
আদিত্য – ইয়াহ, সিউর,,,
তীব্র -লেট’স কাম টু দা পয়েন্ট।,,।(গম্ভীর স্বরে)
আদিত্য -হ্যা অবশ্যই,,, (তীব্রর সামনে ফাইল এগিয়ে দিয়ে)
এটা হলো আমাদের বাজেট এর মধ্যে পার্টনার শিপ,, এন্ড দিস ইস দি মোর ইম্প্রট্যান্ট, (আরেকটা ফাইল এগিয়ে দিয়ে) সি দ্যাট।।।


আদিত্য তীব্রকে ফাইল এর ব্যাপার এ বলেই যাচ্ছে তীব্র মন দিয়ে তার কথা শুনছে,,,,, একটা সময় এসে আদিত্য বললো।।
আদিত্য – প্রজেক্ট টা যদি আপনার ভাল লাগে, এখানে একটা সাইন করে দিলে ভাল হতো,,আমাদের গ্যাং সব কিছু করার আগে সব কিছু একটা স্ট্যাম্প এর মাধ্যমে গুছিয়ে করি,,, সো প্লিজ!
তীব্র- ইয়াহ সিউর!,,,,( বলেই তীব্র পকেট থেকে বন্ধুক বের করে বন্ধুক ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখছে,,
আদিত্য – What is this Mr.safuwan,, আপনি পেন না বের করে পিস্তল কেনো?(আতংকিত স্বরে)

তীব্র- আমাদের গ্যাং এর ও একটা রোলস আছে,,,আমরা পেন দিয়ে নয় পিস্তল দিয়ে সব কিছু স্ট্যাম্প করে রাখি,,আপনি যদি তৈরি থাকেন তাহলে স্ট্যাম্প টা রেডি করি,,,,,

আদিত্যর আর বুঝতে দেড়ি হলো না,সেও পিস্তল বের করে তীব্রর দিকে তাক করলো পিস্তল,, তীব্র মুচকি হেসে দিয়ে বললো।।।
তীব্র- একজন পুলিশ অফিসার হয়েও এতো কাচা কাজ কি করলেন, এ এস আই জুনায়েদ হোসেন… আমাকে টপকানো টা এত্ত সহজ আর এত্ত সাহস হলো কি করে আপনার সেটাই বোঝতে পারছি না,, আমাকে কি কোনো চিপা গলির মাস্তান মনে হয় দেখে???

জুনায়েদ ঘেমে যাচ্ছে এটা ভেবে এতো নিখুঁত ভাবে কাজ করার পরও কি করে তীব্র চিনে ফেললো সে আদিত্য নয়।।।

তীব্র- জানি কি ভাবছেন আমি কি করে চিনে ফেললাম তাই তো?? বলছে বলছি উত্তেজিত না হয়ে বসুন এক গ্লাস পানি খান,,, আমি আপনাকে সব ক্লিয়ার করে দিচ্ছি,,(কুল মুডে)

জুনায়েদ চেয়ারে বসে ডক ডক করে পানি খেলো।।।

তীব্র- এবার বলি শুনুন,,আপনাদের মতো কিছু বেড়াল যে পিছু নেবে সেটা তো আমি জানিই,, এমনি এমনি তো আর এই শহরের টপ মাফিয়া আমি হই নি,,, আপনি মোশারফ এর গ্যাং এর একজন পালিত বিড়াল,যে টাকার লোভে পুলিশের পোশাকে নোংরামি করেন,,আরে ভাই আমরা খারাপ আমরা তো সেটা গর্ব করে বলি,,, কিন্তু আপনাদের পেশা টা তো ভাল সৎ, তাহলে সৎ ভাবে চলুন না,,।।।যাই হোক মেইন পয়েন্টে আসি।।। মোশারফ আমাকে টপকানোর জন্য অনেক চেষ্টা করে,,এবার আমাকে টপকানোর জন্য কোনো চাল চালবেনা কে জানে,,তাই আমি আগে থেকেই সব প্ল্যান সাজিয়েছি,,,এয়ারপোর্ট এ আসার পর আমার গ্যাং এর লোক সেজে যে আদিত্য রায়হান কে আপনারা নিয়ে গেছেন, সে আসলে আদিত্য নয়।।।আদিত্য এসেছে আজকের সকালের ফ্লাইটে,,আর যাকে আপনারা নিয়ে গেছেন সে একজন আমার গ্যাং এর ফ্যান মাত্র।।।।।। সো ইউর গেম ইজ ওভার মি. জুনায়েদ হোসেন।।।।।। (ডেভিল স্মাইল)

জুনায়েদ – দেখো আমি একজন আইনের লোক,, আমাকে কিছু করতে পারবে না তুমি।।
তীব্র- তাই নাকি??আমি তো আইনের লোককে মারি না।।। আমি মারবো আমার সাথে একজন জালিয়াতি কারি কে,,,

বলেই তীব্র জুনায়েদ কে শ্যুট করে দিলো,,,,,জুনায়েদ কিছু করার আগেই,,,।।।রুমের ভেতরে গুলির আওয়াজ পেয়ে গার্ড রা ভেতরে আসতেই তীব্র রুমটাকে পরিষ্কার করেতে বললো।।।ইলেক্ট্রিক সিগারেট খেতে খেতে বাইরে চলে গেলো।।।



অন্য একটা জায়গায় আদিত্যর সাথে ডিল করতে গেলো।।।




“”””””””””””””””””””””””””””””””””””””
রোজ(মিশানের কেয়ার টেকার)- মে আই কাম ইন ম্যাম?
মিশান- ইয়েস কাম।।
রোজ- গুড মর্নিং ম্যাম।।
মিশান- গুড মর্নিং।।।
রোজ- ম্যাম টেক ইউর কফি প্লিজ ( কফি মগ বাড়িয়ে দিয়ে।)
মিশান- থ্যাংকস (কফি নিতে নিতে)
.

মিশান- কফি নিয়ে খেতে লাগলো,,রোজ একটা চিরুনি এনে মিশানে মাথা আচড়ে দিতে লাগলো,, মিশানের চুল গুলো অনেক ঘন কালো, আর লম্বা,,,,,,মিশান দেখতে পুরোই একটা পরীর মতো,,, ওর চোখ দুটো অনেক মায়াবী,ঘন পাপড়ি চোখে,ঠূঁট লাল গোলাপি,, গায়ের রঙ পুরোই দুধে হলুদ,,, তবুও মিশান একটা বার আয়না তে নিজেকে দেখে না ওর সৌন্দর্য,,ও শুধু দেখতে পায় হিংশ্র মায়াহীন এক মিশান কে,, যে শুধু মাফিয়া গিরিই ভাল পারে,, মানুষ মারতে একটা বার হাত কাপে না।।।যতবার মিশানের মায়ের মৃত্যুওর কথা মনে পড়ে ততই মিশান নিজেকে আরো বেশি হিংশ্র রুপে প্রকাশ করতে চাই,,মিশানের ভেতর টা পাথরের মতো।।।



সেফা(বডিগার্ড)- ম্যাম টুনাইট ইজ আওয়ার মিটিং উইথ জার্মানি রকেট গ্যাং,,,,,
মিশান- ওকে,,,গেট রেডি ফর দি মিটিং,,,
।সেফা- ওকে ম্যাম।।





সন্ধ্যার দিকে একটা নাইট ক্লাবের দিকে যাচ্ছে মিশান আর তার গার্ড রা,,,ক্লাব টা ব্রিটিশ মিউজিয়াম এর পাশেই।।।

ভেতরে ডুকতেই মিশানকে চেয়ার টেনে বসতে দেয়া হলো,,,
মিশান বসে আছে,, যার সাথে ডিল করবে সে এখনো আসে নি,,মিশান পায়ের উপর পা তুলে বসে ফোন টিপছে,,আর ঘড়ি দেখছে,,,,পাশেই ডিস্ক এ নাচানাচি করছে টিনেজার রা,, মিশান জুস বারের সামনে বসে জুস খাচ্ছে, আর অপেক্ষা করছে,, কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর, এলো তার ক্লাইন্ট,,
অন্ধকার এর মধ্যে মিটিমিটি আলো জ্বলছে, গার্ড রা জানালো লোকটি এসেছে,, মিশান পেছনে তাকাতেই, দেখতে পেলো লোকটি আসছে, মিশানের দিকেই,,,মিটমিটে আলোতে চেহারা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে না ,,,
একটু কাছে আসতেই তার চেহারা টা স্পষ্ট হয়ে উঠলো,,একটা ইয়াং হ্যান্ডসম ছেলে দেখতে খুব সুদর্শন দবদবে ফরসা গায়ের রঙ কম আলোতে ফুটে উঠেছে,,
মিশানের সামনে এসে দাঁড়িয়ে সালাম দিলো।।
-আসসালামু আলাইকুম ম্যাডাম।।
মিশান- ওয়ালাইকুম আসসালাম,,,,প্লিজ সিট ডাওন মিস্টার সাইদি বিন আসাদ।।।(রাগীস্বরে)
আসাদ-ইয়াহ সিউর(বসতে বসতে)নাইস প্লেস।(চারদিকে মাথা ঘুরিয়ে দেখতে দেখতে)
মিশান- ইয়াহ,আই নো।
আসাদ- নাইস টু মিট ইউ।।।
মিশান-I don’t like being late(রাগীস্বরে)
আসাদ- Ops,,Sorry for late… (হেসে দিয়ে)
মিশান- হুম,,
আসাদ- You are looking soo beautiful,, I just heard,
You are very beautiful to see,I saw it in my own eyes today,,,You are really…. [ আপনাকে দেখতে খুব সুন্দর , আমি শুধু শুনেছি,আপনি দেখতে অনেক সুন্দর,আজকে নিজের চোখেই দেখলাম,,আপনি সত্যিই…… ]

মিশান প্রচন্ড রেগে উনার কথার মধ্যেই বলে উঠলো।।
মিশান- Soo Let’s come to the point… is it??
আসাদ- owh Yeah,,,
.
.
আসাদের সাথে আসা লোক কে ইশারা করতেই একজন এসে আসাদের হাতে ব্রিফ কেস দিলো,,
আসাদ ব্রিফ কেস টা খুললো, খুলে মিশানের দিকে ঘুরালো,,ব্রিফ কেসের ভিতর অনেক গুলো গোল্ড বার,, মিশান একটা একটা হাতে নিয়ে দেখছে,,, এটা জার্মান এর সব থেকে দামী গোল্ড বার, আরেক টা ব্রিফ কেস খুলে মিশানের দিকে দিলো সেটাতে প্লাটিনাম বার,,, মিশান সব গুলো দেখে দেখে বলছে কোনটা কোন টাইপের,,আসাদ মিশান এমন প্রতিভা দেখে অবাক,,কারন এসব বার কেউ খালি চোখে দেখে বোঝতে পারে না কোনটা কোন টাইপের আর মিশান শুধু হাতে নিয়ে একটু নেড়েচেড়ে দেখে বলে দিচ্ছে কোনটা কি টাইপের।।
মিশান- Hmm, That’s good bt some bar are noise,, that’s are not allow…
আসাদ- wow….!!!… I am fascinated by your experience[আপনার অভিজ্ঞতা দেখে আমি সত্যিই মুগ্ধ],,,
মিশান- Do you know why I’m the top mafiya in London??
আসাদ- Why not!… I known you are such a brilliant girl,, And your knowledge and attitude are the Top in the city..And that’s why our gang I want to deal with you। [কেনো জানবো না,,,, আমি জানি আপনার জ্ঞান ,, আর কাজ কর্মের জন্যই আপনি এগিয়ে আছেন ,,
আর এই জন্যই আমাদের গ্যাং আপনার সাথে ডিল করতে চাচ্ছি]] মিশান- Hmmm, Soo Please don’t talk too much without main topic… I don’t like this…(রাগীস্বরে)
আসাদ- okk okk, please don’t be anger…(হেসে হেসে)
.

এবার মিশান একটা ব্রিফ কেস খুলে আসাদ এর দিকে দিলো,,আসাদ সব দেখতে লাগলো,, অনেক এক্সপেন্সিভ পিস্তল অনেক উন্নত মানের সব,, ,,, আসাদের সব ধরনের অস্র পছন্দ হলো,,,।


মিশানের সাথে ডিল টা ফাইনাল করে নেয়।।।।

ডিল ফাইনাল করে বাসায় ফিরবে তখন কেউ একজন গাড়ি থামিয়ে দিলো,, মিশান বিরক্তি নিয়ে গাড়ি থেকে বেড়িয়ে এলো,,,, সামনে একটা ছেলে চশমা পড়া,,,ছেলেটা মিশানের জন্য পাগল,,মিশানকে খুব ভালবাসে।।।ছেলেটা অনেক ভাল বলে মিশান ছেলেটাকে ঠান্ডা মাথায় বুঝিয়ে দেয় কোনো খারাপ ব্যাবহার না করে,,তবুও ছেলেটা মিশানের পিছু পড়ে আছে।।।।


এবার মিশান অনেক টা বিরক্ত হয়ে,, ছেলেটার দিকে বন্দুক নিয়ে যাচ্ছে ছেলেটা ভয় পাচ্ছে খুব তবুও দাঁড়িয়ে আছে,,,
,
মিশান- What is your problem hmhh,,what??
– I Love You..
মিশান- just get lost!! 😡😡,,Why you don’t understand I’m the biggest mafiya in London,, And you are a Good boy,, go, Find a good girl like you।।।
– Noo mishan I love you…

mishan – Just shut up,,,,I’ve endured a lot,,,Now I will just kill you😠😡

– please mishan be cool and understand …
Mishan -enough is enough… (এবার মিশান ছেলেটার কপালে বন্দুক ঠেকিয়ে হুমকি দিতে লাগলো,, ছেলেটা এবার থামলো, এক দৌড়ে চলে গেলো।।।।মিশান এবার হেসে দিয়ে বাসায় চলে গেলো।।।।



।।

মিশান ফুল খুব পছন্দ করে ছাদে সুইমিং পুলের পাশে নানান রকম এর ফুল গাছ মিশান নিজ হাতে রোপণ করেছে, আর সেগুলোর পরিচর্যা মিশান নিজে করে,কাউকে করতে দেয় না।।।।
রাতে মিশান ছাদে দাঁড়িয়ে কফি খাচ্ছে আর ফুল গাছ গুলো দেখছে ঘুরে ঘুরে।।।

পিছন থেকে হঠাৎ মিশানের বাবা ডাকলো মিশান কে।।।

রাইয়ান খান – মিশান বাবা ।
মিশান- ইয়াহ ড্যাড।।
রাইয়ান খান- বলছিলাম কি, একটা আবদার করবো না করিস বাবা প্লিজ।
মিশান- বিয়ের ট্রপিক বাদ দিয়ে সব আবদার রাখতেই রাজি।
রাইয়ান খান- না মানে বলছিলাম,, নিলিমার বিয়ে ঠিক হয়েছে
মিশান- ওয়াও,,নীলিমা আপুর বিয়ে!!
রাইয়ান খান- হ্যা,তোর চাচ্চু কড়া আবদার করেছে,, তুই তো বাংলাদেশে যাস না,, সেই তোর মা মারা যাওয়ার পর আর যাস নি,,,, নীলিমার বিয়েতে না গেলে নীলিমা খুব মন খারাপ করবে আর বাড়ির সবাই,,,
মিশান – বাবা তুমি তো জানই বাংলাদেশ এ আমার সব থেকে দামী জিনিস টা হারিয়ে এসেছি, আমার মা কে!! অই দেশের প্রতি আমার ঘৃণা ধরে গেছে,,
রাইয়ান খান – ওরকম করে বলিস না মা,, হাজার হোক আমাদের পিত্রি পরিচয়,, দিন শেষে আমরা বাঙালী।।। প্লিজ মা না করিস না,,
মিশান- না বাবা তুমি যাও আমি যাবো না।।। আর না হয় এক কাজ করো সবাইকে লন্ডন নিয়ে আসো এখান থেকেই অনেক ধুমধাম করে বিয়ে দেই!
।রাইয়ান খান – তাই কি হয়,, এমন করিস না বাবা , চল না প্লিজ,,
মিশান- বললাম তো না,,
রাইয়ান খান -নীলিমা তোকে ফোন করবে পারলে ওকে না করিস।।।
মিশান – প্লিজ বাবা নীলিমা আপুকে টানছো কেনো,, আপুর সাথে আমি খারাপ ব্যাবহার করতে চাই না।
।রাইয়ান খান – তোর একটা মাত্র চাচাতো বোন ও, আর ওর বিয়েতে যাবি না?? ছোটো বেলাই ও তোকে কত্ত আদর করতো!!
মিশান- হ্যা, তার জনই আমি আপুর সাথে খারাপ ব্যাবহার করতে পারি না,, আপু আমাকে অনেক ভালবাসে জানি।।
রাইয়ান খান- শুধু আপু না,তোকে সবাই খুব ভালবাসে,, আর
তোর বাকি ভাই বোন গুলো সেজুতি, সারা,সাফাদ, সাইমন, রাফিদ,,সবাই তোকে নীলিমার বিয়েতে,, চাই ই চাই।।।

মিশান- ওওপস,,ঠিক আছে যাবো।।ইমোশনাল ব্ল্যাকমেল করছো সবাই মিলে।।যাবো হয়েছে (ঝাড়ি মেরে, রাগীস্বরে)
রাইয়ান খান – থ্যাংকস বাবা,,আর..
মিশান খান- বলতে হবে না,, জানি।। ওখানে গেলে পুরো বাঙালী মেয়ে সেজে থাকতে হবে,,এই প্যান্ট শার্ট নট এলাও এই তো??
রাইয়ান খান – হুম্ম(হেসে দিয়ে)
মিশান – ঠিক আছে যাও।।আমি একটু একা থাকতে চাই।।
রাইয়ান খান- ওকে।।। বাবা।।।


চলবে………
(

গল্পটি আপনার কেমন লাগলো রেটিং দিয়ে জানাবেন
[Total:    Average: /5]
বন্ধুদের সঙ্গে "Share" করুন।
Open chat
1
যোগাযোগ করুন
আপনার গল্পটি প্রকাশ করার জন্য যোগাযোগ এখনে।