নারী তুমি অপরাজিতা

নারী তুমি অপরাজিতা

গল্পের নাম: নারী তুমি অপরাজিতা

লেখিকার নাম― তনুশ্রী দে

 

 

শুভমিতা অনেক দিন পর ঋতুপর্ণার সাথে দেখা হলো সেই ঘটনার পর আর কোনো যোগাযোগই রাখিনি পরিবারের কারো সাথে, সামনে দেখা হতেই বললাম কেমন আছিস?

ঋতুপর্ণা ভালো আছি, এ কেমনতর কথা তুই আমাদেরকে ভুলতে চাইলে আমরা কি তোকে এতো সহজে ভুলে যেতে পারবো?  মা আজও ভালো কিছু খাবার বানালে তোর জন্য মন খারাপ করে বসে থাকে, বাবা তো তোর রেকর্ডিং করা গানগুলো একা একা শুনতে থাকে, চলে আয় না বাড়িতে নিজের আপনজনের উপর রাগ করে কি থাকা যায়?

শুভমিতা তুই সব জেনেশুনে কি করে আমাকে  এতো  কথা শোনাচ্ছিস? রাগ নেইরে কারো উপর, যুদ্ধটা নিজের আত্ম সম্মানের আর তাই হয়তো আজ ন্যায় এর রাস্তায় আমি এতটা একা, যদিও এতকিছুর পরও ভেঙে পরিনি আর পরবোও না কখনো, কথাটা মনে রাখিস তোরা সবাই, ভালো থাকিস, আজ তাহলে চলি। জীবনটা খুব সুন্দর, আপনজন বলে কেউ না থাকলেও বেঁচে থাকা ঠিক যায়।

 




 

 

ঋতুপর্ণা না যাবি না এভাবে, অনেক কথা জমে আছে বলতে চাই তোকে আর আজ নিজের এই বোনকে এতো দিন পরে পেয়েছি সব শুনতে চাই, কেনো করলি এমনভাবে নিজের সর্বনাশ নিজের হাতে, আমি তো কিছুই বুঝতে পারলাম না? এসব করার পেছনে তোর উদ্দেশ্য কি ছিলো? পরিবারের সবাইকে সবকথা একবার তো খুলে বলতে পারতি, কেনো করলিরে এমন বল না খুলে প্লিজ? জানিস তোর এ কাজের জন্য পরিবারের সবাই কতো আঘাত পেয়েছে?

শুভমিতা মা সব জানতো বোঝার ক্ষমতা ছিলো না শুধু, আমি তো অনেক মিথ্যে অপবাদ ঘাড়ে নিয়ে বসে ছিলাম কতো কি সহ্য করেছি আমি, কে এসে দাঁড়িয়ে ছিলো আমার পাশে তখন কে বুঝেছিলো আমার মনের কথা? মাঝে মাঝে প্রশ্ন করি নিজেকে, কি এমন দোষ করেছিলাম যে এতবড়ো শাস্তি একা ভোগ করছি?

ঋতুপর্ণা বুঝতে পারিনি আজও সেদিন রাতে পাপাইদার সাথে তোর কিএমন হয়েছিলো পার্টিতে যে এতো বড়ো আকার নিয়ে নিলো এতো জলদি? আর পাপাইদাদার দিভাইয়ের তো লাভ ম্যারেজ তো তুই কেন ওদের মাঝে ঢুকতে গেলি? কেনই বা নিজের বোনের হাসব্যান্ড এর নামে বদনাম ছড়াবার বোকামিটা করতে গেলি ? তুই রজতদার সাথেই বা কবে থেকে প্রেম করতি তাও তো বলিসনি কখনো বাড়িতে?

শুভমিতা কিসের প্রেম? আমার কোনো প্রেম ছিলো না ওসব বানানো কথা, সব বলছি খুলে আজ, দিভাই এর বিয়ের পর যতবার ওদের বাড়ি যাই প্রতিবার এসে মাকে  দিদিভাইয়ের সাথে কি অত্যাচার হতো সব খুলে বলতাম,   ঘটনার কদিন আগে সকালে দিভাই ফোন করে জোর করলো ওর বাড়ি যাবার জন্য, মা শুনে বললো যা গিয়ে এক দুদিন থেকে আয় মেয়েটার ভালো লাগবে, সবার কথা শুনে যেতে হলো দিভাই এর বাড়ি, তুই তখন দার্জিলিং ছিলি, রাতে আমার পছন্দের রেস্টুরেন্টে নিয়ে গেলো ভেতরে ঢুকে দেখি সারপ্রাইজ পার্টির প্ল্যানিং করে রেখেছে আগের থেকে, পাপাইদা আমার হাতে একটি  গোলাপ ফুল দিলো, আমি এসব দেখে খানিকটা  ভ্যাবাচেকা খেয়ে গেলাম! তারপর আমার পছন্দমতো খাবার ওর্ডার করা হলো, কিছু বুঝতে পারছিলাম না একটু সন্দেহ হচ্ছিল তাই রেস্টুরেন্ট থেকে বেরোবার পথে  দিভাইকে জিজ্ঞেস করি সবকিছু ঠিক আছে তো? সে ইতস্তত ভাবে বললো হ্যাঁ সব ঠিক আছে, যদিও

 




 

 

আমার কাছে  ব্যাপারটা একটু সন্দেহজনক মনে হচ্ছিলো তাই আমি  আবারও জিজ্ঞেস করি সবকিছু খুলে বল দিভাই ? সে  তখন নিজেকে  আর সামলাতে না পেরে কাঁদতে শুরু করে আর কেঁদে কেঁদে আমায় বলতে থাকে সে খুব  ভালোবাসে পাপাইদাকে আর বিয়ের পর থেকে সে কোনদিনও তাকে শারীরিক সুখ দিতে পারেনি শুধু তাই নয় সে নাকি কখনো মাও হতে পারবে না তাই পাপাইদা খুব দুঃখী, যদিও পাপাইদা তার মনের অবস্থা নাকি কাউকে বুঝতে  দেয়না তাই দিভাইয়ের আবদার আমার কাছে আমি যেনো দিভাইয়ের হয়ে ওর হাসব্যান্ডকে একরাতের জন্য শারীরিক সুখ দেই, যদিও সে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলো কথাটা শুধু আমাদের তিনজনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে কেউই জানবে না, একথা বলতে বলতে ও আমার পায়ে পরে গেলো, আমি দেখলাম দিভাই এর পিঠে কোমরের বেল্ট এর দাগ পরে আছে, আমি বুঝে গেলাম এখানে ব্যাপারটা অন্য কিছু, তাই কিছুই আর না জিজ্ঞেস করে বলে উঠলাম আমাকে দুটো দিন সময় দিবি ভাববার জন্য? সেও বললো ঠিক আছে তবে আমাদের একথাগুলো  মাকে বলবি না,  আমি বললাম আচ্ছা ঠিক আছে বলবো না, আমি জানি তুই এখন ভাবছিস আমি কেন ঐরাতে কোনো প্রতিক্রিয়া দিলামনা, কারণ আমি যদি ওই রাতে কোনো ঝামেলা করতাম তাহলে আমার সাথে দিভাই এরও অনেক ক্ষতি হতো, তাই তা-ভেবে ঐরাতটা আমি ওদের কথা মতো চলি সকাল হতেই কাউকে কিছু না বলে ওদের  বাড়ি থেকে বেরিয়ে পরি।

ঋতুপর্ণা হ্যাঁ শুনেছিলাম আমি যদিও তোর এই ঘটনার শেষ থেকে জানি পুরোটা জানিনা, শুনেছিলাম ওসব নাকি তোর প্ল্যান ছিলো আগে থেকেই তাকে বদনাম করার, সব নাকি তোর বানানো কথা নিজেকে বাঁচবার জন্য, তোর নাকি রজতদার সাথে প্রেম ছিলো তোকে নাকি রজতদার সাথে অনেকে হোটেলে থাকতেও দেখেছে তাই নিজেকে বাঁচাবার জন্য এমন করেছিস।

শুভমিতা হাহাহা প্ল্যানিং আমি করেছি নিজেকে বাঁচাবার জন্য আমিতো বিয়ের উপযুক্ত ছিলাম প্রেম করলে বাড়িতে বলে দিতাম কি হতো তাতে?ঘটনার পরেরদিন বাড়ি এসে কাউকে কিছু না বলে ঘুমিয়ে পড়ি, তারপর মা যখন চা দিতে আসে মাকে সব কথা খুলে বলি মা আমার সব কথা শুনে আমায় বলে চুপ থাকতে, বলে বাবা জেনো কিছু  না জানেন , আমি বললাম তুমি দিভাই কে বুঝিয়ে নিয়ে আসো এই বাড়িতে সে ওখানে আর কতো মার খাবে, আর মার খেতে খেতে মরে গেলে পুলিশ আদালত করে মেয়েকে কি ফিরিয়ে আনতে পারবে? এমন করে কটা দিন চলে যায় হঠাৎ একদিন মায়ের কাছে দিভাই এর ফোন আসে, মাকে জিজ্ঞেস করে  এতোবার  বলার পরও ওই দিন আমাকে মা কেনো পাঠায়নি? কতো কি রেঁধে রেখেছিল নাকি আমার জন্য, মা সব শুনলো তবে

 




 

 

কোন উত্তর দিলোনা যদিও সবই বুঝতে পারছিলো নিজের পেটের সন্তান বলে কথা , আমি মায়ের মুখে সব শুনে রেগে পুলিশকে জানাতে যাই তখন মা আমায় নিজের দিব্যি দিয়ে বললো একদম চুপ থাকতে দিভাইর কোনো ক্ষতি হলে আমি নাকি দায়ী থাকবো সারাজীবন, মায়ের কথা শুনে আমি সেদিন চুপ থাকি তার জন্য আজও নিজেকে ক্ষমা করতে পারিনি। যখন গেটের সামনে আসি দেখি প্রিয়া আমাদের বাড়ির গেটয়ের সামনে আমায় দেখে খুব কান্নাকাটি করলো পাড়ার লোকদের সামনে, আমাকে বললো রজতকে ছেড়ে দেবার জন্য ওদের নাকি আঠ বছরের প্রেম, আমি সব নাটক অনেকক্ষন দেখার পর বললাম আমার রাজতের সাথে কিসের সম্পর্ক? সে বললো ও নাকি আমাকে ওই রাত মানে যেরাতে দিভাইর বাড়ি গেছিলাম হোটেলে রজতের সাথে দেখেছে, আমি শোনামাত্র সব বুঝে গেছিলাম যে সব প্ল্যান মতো করছে মুখ খুলে কোনো লাভ হবে না, প্রিয়া রজতদার ভাই সে তাই করবে যা সে শিখিয়ে দেবে, তবুও একবার মায়ের দিকে তাকিয়ে বললাম সব মিথ্যে মা কোনো উত্তর দিলো না, আর মায়ের সেইদিন চুপ থাকার  কারণ আমি আজও মন থেকে মানিয়ে নিতে পারলাম না তাই আজও মাকে ক্ষমা করতে পারিনি,

 

ঘটনার কদিনবাদে ২৬শে মার্চ  সকাল ৮ঃ৩০মি হঠাত  ফোন বেজে উঠল ফোনটা  বাবা ধরেছিলো কিছুক্ষণ বাদে হঠাত মায়ের বিকট  চিৎকার শুনে ছুটে গেলাম বাবার ওখানে গিয়ে দেখি বাবা কাঁপছে, মাকে জিজ্ঞেস করি কি হয়েছে?  মা ভয়ে কাঁদতে কাঁদতে  বলে দিভাই ছাদের উপরে ফুল পারতে গিয়ে পা পিছলে  নীচে পরে যায় তাই তাকে সঞ্জিবনি হাস্পাতালের নিয়ে যাওয়া হয়,আমাদেরকেও সেখানে যাবার জন্য বলে,আমরা কথাটা শোনামাত্র দৌড়ে সেখানে ছুটে যাই ওখানে পৌছে শুনতে পাই দিভাই আর বেচেঁ নেই, সেদিন আমার ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যায় আমি রজতদার পাশে গিয়ে তার শার্ট এর কলার ধরে  বলি কি করে মেরেফেলেছ  তাকে বলো? সে আমার এমন প্রশ্ন শুনে কাঁদতে কাঁদতে বলে কি বলছো এসব মাথা ধরে গেছে নাকি? তারপর গলার স্বার নামিয়ে

বলে বুঝতে পারে বোনকে হারানোর দুঃখ আমি তখন  আর কিছু না বলে  ফোন করে বসি থানায় কিছুক্ষণ বাদে পুলিশ ওখানে আসে আমি পুলিশকে সব কথা খুলে বলি পুলিশ আমার কথা শুনমাত্র ঘটনার তদন্তে নেমে পরে আর  মায়ের কাছে থেকে ঘটনার সত্যতা জানতে চায়, আমি মাকে বারবার আনুরোধ করি সব সত্যিকথা বলার জন্য মা সেদিনও মেয়ের খুনী স্বামী শশুরবাড়ির পক্ষে কথা বলে যা আমি মেনে নিতে না পেরে রাগে অভিমানে  মাকে মেয়ের আসল খুনি বলে অভিযোগ করি মায়ের উপর এমন অভিযোগ দেবার জন্য বাবা আমার উপর জীবনে প্রথমবার হাত উঠায় যা  আমার সহ্যের বাইরে ছিল আমি কিছু না বলে ওখান থেকে চলে আসি তারপর  বাড়ি এসে আমার জিনিসপত্র সব গুছিয়ে বেরিয়ে পরি আর কোনদিনোও বাড়ি ফিরে যাইনি, মা বাড়ী এসে আমায় ফোন করেছিলো  আমি সেদিনই মাকে জানিয়ে দেই যতদিন অব্দি বোনের খুনীকে শাস্তি দিয়ে জেলে না পাঠাই ততদিন অব্দি আমার আত্মার শান্তি হবে না আর আমি বাড়িও ফিরে আসবো না, নাই কোন যোগাযোগ রাখবো কারো সাথে।

 




 

 

ঋতুপর্ণা মাপ করেদে তোর এই বোনকে, ছিলাম না ওখানে তাই হয়তো পারিনি সেদিন তোর পেছনে দাঁড়াতে, পুরো একা হয়ে গেছিলি সেদিন বুঝতে পারি, অভিমান থাকাটা স্বাভাবিক তারপর ও-যা হবার হয়ে গেছে সবকিছু ভুলে আমাদের সম্পর্কটাকে আবার আগের মতো স্বাভাবিক করা যায় না?

শুভমিতা অভিমান নেই  কারো উপর প্রশ্ন আছে সমাজের কাছে কেনো আমরা মেয়েরা পারিনা নিজের অস্তিত্বর জন্য সংগ্রাম করতে? কেনো পাপাইয়ের মতো ছেলেদের হাতের পুতুল হয়ে থাকতে হচ্ছে মেয়েদেরকে? প্রতিদিন শোনা যায় কোনো না কোনো মেয়ে কোথাও না কোথায় ধর্ষণের শিকার হচ্ছে তারপর আত্মহত্যা করছে, নয়তো হত্যা করে ফেলা হচ্ছে, নর পিশাচগুলোর হাতে কেবল মেয়েরা নয় আজকাল শিশুরাও লিপ্সার শিকার হচ্ছে …. কতদিন এমন চলবে? কেনো আমি কারো লিপ্সার কারণ হয়ে দাঁড়াবো ?এ পৃথিবীতে বেঁচে থাকার অধিকার নারী পুরুষ দুজনের তো সমান হবার কথা ছিলো তবে কেনো মেয়েরা তা পাচ্ছে না? কারণ মেয়েদের মনে সমাজের একটা ভয় সবসময় ঢুকিয়ে রাখা হয়, আর এই ব্যাপারে  সবচেয়ে মুখ্য ভুমিকা নেয় সেই

অত্যাচারিত মেয়ের মাতাপিতা, প্রায়ই দেখা যায় মেয়েটি  বহুবার তার মা বাবাকে তার উপর  দিনের পর দিন চলে যাওয়া অত্যাচারের কথা বলে যায় আর মা বাবা সেখানে নীরব ভুমিকা নিয়ে চলে, উপরন্তু মেয়ের দিকে কোন সাহায্যের হাত না বাড়িয়ে তাকে কোনোভাবে মুখবুজে  সব অত্যাচার সহ্য করে সংসারটা চালিয়ে নিয়ে  যাবার পরামর্শ দিয়েযান। আমি সমাজের প্রতিটি পিতা-মাতা এমনকি প্রতিটি মেয়েকে একথাই বলতে চাই যেখানে সমাজের প্রতিটা ক্ষেত্রে নারীদের সুরক্ষার জন্য এতো এতো আইন নির্ধারণ করা হয়েছে ,সেখানে একটা জায়গায় পর্যবেক্ষণ করে দেখা যাচ্ছে ,আজও সমাজের ৯০ শতাংশ মহিলারা স্বামীর দ্বারা নিপীড়িত হয়ে সমাজে মুখবুঝে জীবন কাটিয়ে যাচ্ছে কোনভাবে , আর সেই সব নিপিড়িত মহিলারাও সামাজিক দায়বদ্ধতার খাতিরে বা পরিবারের মান সম্মান এর খাতিরে তা সহ্য করে চলেছে, আমার অনুরোধ সেসব বাবা মেয়েদের কাছে আপনারা সমাজের কথা আগে  না ভেবে নিজেদের

মেয়েটার কথা আগে ভেবে  তাকে জীবিতবস্তায় ন্যায় দিন। কোনো একটা কঠিন সিদ্ধান্ত নেন, যাতে এর পর থেকে কোনো পুরুষ তার স্ত্রীকে অত্যাচার কোরবার আগে দশবার ভাবে, তার সাথে আমি নিপিড়িত সেইসব মেয়েদেরকেও বলবো যুদ্ধটা তোমার নিজের, ভাগ্যের হাতে নিজেকে দাস না বানিয়ে, একবার জোরালো প্রতিবাদ করো ,এ তোমার অস্তিত্বের জন্য সংগ্রাম ,তাই এগিয়ে তোমাকেই প্রথমে আসতে হবে আবার কখনো দেখা যায় আমরা মেয়েরাই মেয়েদের শত্রু, একটা মেয়ে ন্যায় এর জন্য এগিয়ে এলে পাঁচটা মেয়ে তাকে পিছিয়ে দিচ্ছে, যেদিন ঘরে ঘরে প্রতিটা মেয়ে শারীরিক মানসিক অত্যাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হয়ে রুখে দাঁড়াবে,  সেদিনই কোনো ছেলে কোনো মেয়েকে নির্যাতন করতে হাজার বার ভাববে। লড়াইটা আমার একার নয় সমগ্র নারীর আত্ম সম্মানের বিষয়, তাই সকলকে অনুরোধ করছি মহিলাদের অস্তিত্বের এই সংগ্রামে সকলকে যোগদান করার জন্য….. জাগো নারী জাগো…. নিজের অধিকার আজ তুমি নিজে কেড়ে নাও…. তুমি আদি শক্তি মহামায়ার পূর্ণ সরূপা একথাটা তুমি ভুলিও না কখনো।

 

সমাপ্ত

 




গল্পটি আপনার কেমন লাগলো রেটিং দিয়ে জানাবেন
[Total: 0   Average: 0/5]
বন্ধুদের সঙ্গে "Share" করুন।
Open chat
1
যোগাযোগ করুন
আপনার গল্পটি প্রকাশ করার জন্য যোগাযোগ এখনে।