নিশিরাতে র গোলাপের কাহিনী

নিশিরাতে র গোলাপের কাহিনী

##নিশিরাতের গোলাপের কাহিনী
✍️অনিমা

🍁🍁🍁🍁🍁🍁🍁🍁🍁🍁🍁

হু ,, তার কাঁধে হঠাৎ কিসের স্পর্শে আঁতকে উঠল মেয়েটি।  তু এখন এখানে ? একে তো নিশিরাইত তাতে চোরের মতো চুপিচুপি আমা র কাঁধে হাত রাখলে ,, তু তো হামাকে ডরাই দিছিলি। এতেই ভয় পেয়ে গেলে? তাহলে প্রেম করবে কী করে?…খানিকক্ষণ চুপ করে থেকে সাবু বিনোদকে  বলে তোর মনের ভেতর খুব সাহস তাই না?বিনোদ- প্রেমে পড়েই গেছি যখন ভীতু হলে চলে?তাছাড়াও প্রেমে পড়লে ভীতু ও সাহসী হয়ে যায়। তাই! চল্ এখনই গাঁয়ের সকলকে  ডাক আর তোর আর হামার কথা সবার সামনে বল।বিনোদ – আমাকে তুই অকালে গনধোলাই দিইয়ে মারবি দেখছি ! বড় আমার বীর বাহাদুর! একটু আগে বলছিল কাউকে দেখে ডরাই না । সামান্য তাচ্ছিল্যের স্বরে বলে শাবনুর।লোক ডাকার কথায় সব সাহস একেবারে উধাও হয়ে গেল। হা হা হা হা হা হা করে হাসতে নিয়ে চারপাশের লোকজনের জানাজানি হলে সর্বনাশ হয়ে যাবে তাই সাবু মুখ চেপে তার অট্টহাসির শব্দ লঘু করতে লাগল। জমাট বাঁধা কুয়াশার চাদর ঠেলে কষ্ট করে নিশিরাতে সে সাবুকে একটু দেখতে এসেছে তাতে তাকে নিয়ে ঠাট্টা করছে দেখে বিনোদের হঠাৎ  ভারী রাগ হল। কি করে এর শোধ নেওয়া যায় ভেবে মুহূর্তে কিছু ভাবল আচমকা সাবুর মুখ থেকে তার হাত সরিয়ে  ওষ্ঠে কামড় দিয়ে বসল। ঘটনার আকস্মিকতায় হতভম্ব হয়ে কিছু মুহূর্ত নিশ্চল নিশ্চুপ হয়ে সাবু বিনোদের সাথে তাল মিলিয়ে নীরব দাঁড়িয়ে রইল।উহু হু… ছাড়, বলে এক ঝটকায় বিনোদ কে নিজের ওষ্ঠ থেকে ছাড়িয়ে নেয় সাবু। ইস্ স, যন্ত্রণাকাতর শব্দ করে সাবু ছড়িয়ে যাওয়া ঠোঁটের ক্ষত স্থানে আন্দাজে হাত দিয়ে অন্ধকারে যতটা সম্ভব সুতীব্র দৃষ্টিতে নামিয়ে নেওয়া হাতের আঙুলে রুধির দেখার চেষ্টা করে।বিনোদ  –  কি হল ? সাবু – কি হাল করেছ আমার দেখো ! অন্ধকারে চোখ ধাঁধিয়ে আসছে কিছু ঠাহর করতে পারছি না কী করে দেখব?সাবু- এখন ক্যান এলা সেটা বলো ? কেন আবার তোমায়  ভালোবাসি বলে তোমাকে দেখতে! প্রণয়ের মধুমাখা এই একটি বাক্য হয়ত কাফি সাবুর মতো অল্প কথায় ভুলে যাওয়া মেয়েদের রাগ মাটি করার জন্য।  কি দেখার আছে আমাকে? অন্ধকার না হলে ভালো করে দেখা যেত সাবুর নারীসুলভ ভঙ্গিমায় মুখে ঈষৎ হাসি নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে গিয়ে আড়চোখে নিকষ অন্ধকারে বিনোদের উত্তরের অপেক্ষায় থাকা বর্তমান অবস্থা। খুব জানতে ইচ্ছে করছে ? বলেই সাবুর গ্রীবার কাছে মুখ নিয়ে আসে বিনোদ । তার উষ্ণ নিশ্বাসের ছোঁয়ায় গা শিরশির করে উঠতে খিল খিল করে হেসে ওঠে সাবু।  এতেই এত হাসি! এখন যাও  কেউ দেখে ফেলবে অন্য সময় হলে বিনোদ অবুঝ প্রেমিকের ন্যায় সাবুর কাছে আরো কিছুসময় অতিক্রম করার জন্য বায়না করত। কিন্তু পাড়া গাঁয়ের মাতব্বর দের ছোকরাগুলো রাতেরবেলা   ইতি উতি অাড়ি পেতে থাকে ।গাঁয়ের কোথায় কি হচ্ছে ছোট থেকে বড় ভেতরের সব খবর তাদের বসের কাছে চালান দেয়।  বিনোদ কিছু ঘটার আশঙ্কায় সাবুর কথা মেনে নেয়। বাড়ি গিয়ে ঢুকতেই পিসি বলে দাঁড়া ঠান্ডার এ নিশুত
রেতে কুথায় গেছিলি ? এইতো ঝিমলির কাছে । উ আমাকে যেতে বলল তখন ? মিথ্যা বলছিস তুই!    উ চক্রবর্তী কুমার,, আর তু সাঁওতাল আছিস সবচেয়ে বড় কথা হল তু একবার বিহাইছিস ,,তোকে ও ঘরে তুলবে কী করে??

ক্রমশঃ

গল্পটি আপনার কেমন লাগলো রেটিং দিয়ে জানাবেন
[Total: 1   Average: 5/5]
বন্ধুদের সঙ্গে "Share" করুন।
close