ভুতুড়ে কান্ডে নারায়নগঞ্জ কলেজ থেকে পানামনগর বিস্ময়ের যাত্রায় ১ ঘন্টায় চলে গেলো ৩০ দিন

ভুতুড়ে কান্ডে নারায়নগঞ্জ কলেজ থেকে পানামনগর বিস্ময়ের যাত্রায় ১ ঘন্টায় চলে গেলো ৩০ দিন

পানাম নগরের ভুত =
লেখক= মোঃ নিরব / সাকিব হোসাইন নিরব ৷
গল্প শুরু =

অবশেষে এইটুকু প্রাণ নিয়ে ভুতুড়ে কান্ড থেকে ফিরে এলাম নারায়ণগঞ্জ কলেজে ৷
সেদিনের কথা ৯ ই মার্চ আমি, তানভীর, নাজমুল ও আরিফ আমরা কোথাও ঘুরতে যাব বলে ঠিক করি হঠাৎ করে ৷
এরপর দিন ছিল আমাদের ফাইনাল পরীক্ষা ৷
তো যাই হোক আমাদের বন্ধুরা শুভ,উজ্জল ও অন্যান্যরা আমাদের বিদায় দিতে এলো৷ ঠিক ৯ঃ৩০ এর সময় আমরা বেরিয়েপড়লাম ৷
অবশেষে আমরা চলে এলাম পানামনগর ৷
পানামনগর সেই পুরনো ঐতিহ্যবাহী স্থান ৷
পৃথিবীর এইটুকু অনেকটা স্বর্গের মতোই সুন্দর দেখায় ৷
আমরা সবাই একসাথে ঘোরাঘুরি করছি, এটা দেখছি- ওটা দেখছি সবই কি অপরূপ সুন্দর ৷
আমরা হাঁটতে হাঁটতে একটু সামনে একটা পুকুরের কাছে গেলাম ৷
পুকুরের কাছে যেতেই চোখ পড়লো পাশে একটা বড় গুহার মত আকর্ষিত গর্ত ৷
আবার ভেতরটা দেখতে কি সুন্দর, মনে হয় কেউ এই গুহাটি পরিচর্যা করে রাখে ৷
আমরা কৌতূহলবশত সেই গুহাটি দেখতে ভেতরে ঢুকলাম ৷
যেইমাত্র ভিতরে প্রবেশ করলাম সঙ্গে সঙ্গে গুহার দরজাটি বন্ধ হয়ে গেল ৷
আমরা ভেতরে আটকা পড়ে গেলাম ৷
সামনে দেখতে পেলাম একটি সরু পথ দেখা যায় ৷
ওই পথ ধরে ভেতরে প্রবেশ করতে লাগলাম ৷
এই পথে পাড়ি দিতে দিতে অনেক ভয়ঙ্কর জিনিস আমাদের চোখে পড়লেও আমরা তাদের দিকে নজর দেইন ৷
এই পথ গিয়ে শেষ হলো তেপান্তরের মাঠে ৷
সেখানে গিয়ে দেখি এ রকম মনে হচ্ছে আরেকটা পৃথিবী ৷
অদ্ভুত কত মানুষ কেমন তাদের ব্যবহার এরকম অনেকগুলো বিষয়বস্তু আমাদের চোখে পড়ে ৷ আমাদের দেখে সবাই কেমন যেন হা করে তাকিয়ে আছে ৷ আমরা তাদের যতই দেখছি ততই অদ্ভুত হচ্ছি তাদের চেহারা ও কেমন যেন ভয়ঙ্কর ৷
পরে বুঝতে পারলাম তারা কোনো মানুষ নয় তারা ছিলো মাংসাশী এলিয়েন ৷
আমরা অতি দ্রুত ওই স্থান ত্যাগ করলাম ৷
হাঁটতে হাঁটতে অনেক সময় পার হয়ে গেল ৷
কিছুক্ষন পর সামনে একটি নদী দেখতে পেলাম, এই নদীর নাম রাক্ষুসে নদ ৷
এই নদীটি দেখতে অনেকটা শান্ত স্বভাবের হলেও আসলে কিন্তু তা নয় ৷
নদীর তীরে আমরা একটি নৌকা বাঁধা দেখতে পাই ৷
তো যাই হোক সেই নৌকাটি দিয়েই পথ পাড়ি দিলাম ৷ নৌকায় প্রায় ১৫ থেকে ১৬ দিন ধরে শুধু পার ই হচ্ছি, কিন্তু কোন তীরের সন্ধান মিলেনি এখন ও ৷
একদিকে যেমন খিদায় মরছি, তার সাথে অন্যদিকে মরছি এই নদির রাক্ষুসে ভরা ঢেউয়ে, মনে হচ্ছে এখনই আমরা নদীর গর্ভে তলিয়ে যাব ৷
তারপর ও নৌকা পাড়ি দিতেই৷ থাকলাম ৷
নৌকায় চলতে চলতে ঠিক ১৭ দিনের মাথায় দূরে একটি দ্বীপ দেখতে পেলাম ৷
১৭ দিন পর আমরা দ্বীপে পৌছালাম ৷
দ্বীপটি ছিল খুবই সুন্দর, অন্যদিকে এই দ্বীপে ফলের গাছ ছিল সবচেয়ে বেশি ৷
যে কয়েক দিনে আমরা এই দ্বীপে ছিলাম সে কয়েকদিন আমরা গাছ থেকে ফলমূল সংগ্রহ করে আমাদের ক্ষুদা নিবারণ করি আর সামনের দিকে পথ অতিক্রম করতেই থাকি৷৷
হাঁটতে হাঁটতে আমরা একটানা দু দিন ধরে শুধু হাটতেছি আর হাটতেছি এখন আর হাঁটতে পারছি না খুবই ক্লান্ত, তো এখন আমাদের বিশ্রামের প্রয়োজন ৷ আমরা সামনে একটি কালো তাল গাছ দেখতে পাই অনেকটা বাঁকানো কিন্তু আশ্চর্যের কথা হলো তালগাছটি ছিল অনেক মোটা ভাবলাম বন জঙ্গলের গাছ তো হয়তো বা তাই এমন হয়েছে !
তো যাই হোক আমরা চার বন্ধু মিলে সে তাল গাছের নিচে গিয়ে আশ্রয় নিলাম বিশ্রামের জন্য ৷ বিশ্রাম করতে করতে হঠাৎ চোখ লেগেই গেছিল, ঠিক তখনি খেয়াল করলাম তালগাছটি হঠাৎ কেমন যেন নড়ে চড়ে উঠলো টের পেলাম ৷
আমরা কিছুক্ষণ পর বুঝতে পারলাম যে এটা সত্যি কোন গাছ ছিল না, এটি ছিল একটি অজগর সাপ ৷
আমরা লাপ মেরে সরে পড়লাম সেখান থেকে ৷
এবার অজগরটি মাথা নামিয়ে আমাদের দিকে এগোচ্ছে, আর আমরা দৌড়ে পালাচ্ছি ৷
কিন্তু এভাবে কি অজগর সাপ এর সঙ্গে দৌড়ে পালানো যায়৷ অজগরটি তো প্রায় আমাদেরকে ধরেই ফেলেছিল, আমরা তখন দৌড়ে গিয়ে একটি মোটা গাছের পিছনে লুকিয়ে পড়ি ৷
অজগরটি এখন আর আমাদেরকে দেখতে পাচ্ছেনা, অজগরটি আস্তে আস্তে আমাদের খুঁজে না পেয়ে দ্বীপের মধ্যবর্তী স্থানে চলে গেল ৷ আমরা দেরি না করে ওই দ্বীপ থেকে নেমে যাই নৌকায় ৷
আবার ও আমরা ভাসতে থাকি সমুদ্রের উপর ৷
ভাসতে-ভাসতে আবারো কেটে গেল এই নদীর উপর ৩ থেকে ৪ দিন ৷
আমরা নদীর পাশে একটি তীর দেখতে পাই, তো আমরা নৌকা নিয়ে তীরের দিকে রওনা হচ্ছিলাম ৷ কিন্তু আমাদের কি বদনসীব নৌকা নিয়ে তীরে পৌঁছানোর আগেই তীরের কিনারায় এসে নৌকাটি ডুবে যায় ৷
আমার বন্ধু নাজমুল আবার সাতাঁর জানে না, সে ডুবে জলটল খেয়ে একাদার ৷
আমরা তাকে পানি থেকে তীরে তুলে এনে তার পেট থেকে পানি বের করি ৷
তারপর কিছুক্ষন এর মধ্যে সে সুস্থ হয়ে যায় আগের মতো ৷ তারপর আমরা চারজন মিলে আবারো ঐ তীর ধরে রওনা করি পায়ে হেঁটে ৷
সামনে দেখতে পাই একটি গ্রাম ৷ আমরা গ্রামের দিকে যাওয়ার জন্য অগ্রসর হই সামনের দিকে ঠিক তখনি দেখি আমাদের আরো দুই কলেজ বন্ধু শুভ ও উজ্জ্বল ৷
তাদের দেখে তো আমরা একেবারেই চমকে উঠি ৷
কারণ ঘুরতে যাওয়ার সময় এতো বার বলা সত্ত্বেও যারা রাজি হলো না তারা এখানে কি করে এলো !
পরে আমরা একটা বিষয় লক্ষ্য করছিলাম যখন তাদের সাথে কথা বলছি তখন তাদের কান ও চোখগুলো কথার সঙ্গে সঙ্গে কেমন যেন নড়তে থাকে ৷ আমাদের বুঝতে বাকি রইলো না যে তারা এলিয়েন তারা কোন মানুষ না ৷
তখন তারাও স্বীকার করে নিল যে হ্যাঁ তারা এলিয়েন আর তারা আমাদের মতো মানুষ না ৷
তারা ও আমাদের মতো এ গোলক ধাঁধায় আটকে পড়েছে ৷ তারা বলল সামনে একটি ছেঁড়া দ্বীপ আছে, ওই দ্বীপের মধ্যে একটি বট গাছ আছে, সেই বটগােছে আবার একটি সোনার ডিম ও আছে ৷
আর সেই ডিম ভাঙলেই আমাদের গন্তব্যে পৌঁছানোর পথ তৈরি হবে ৷
কিন্তু ঐ ডিম পাহাড়া দেয় একটি এনাগোন্ডা সাপ ৷
আর ঐ সাপ কে মারতে পারলেই সেই ডিম পাওয়া সম্ভব ৷
তো যাই হোক আমরা চার বন্ধু জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ওই এলিয়েনের পিঠে চড়ে উড়ে যেতে লাগলাম সেই ছেঁড়া দ্বীপে ৷ দ্বীপে যেতে আমাদের ঠিক ৫ ঘন্টা লাগল৷
অবশেষে ওই দ্বীপের উপর নামতে লাগলাম, নামতে না নামতেই মানুষের হাড়গোড় ও মংডু দেখতে পেলাম ৷
এসব দেখে তো ভয়ে আমাদের গলা একেবারেই শুকিয়ে গেছে ৷
এ্যলিয়েনদের কাছে শুনেছি এইসব মানুষেরা নাকি এখানে গুপ্তধনের লোভে এসেছিল ৷
এই দ্বীপে আছে সবচাইতে মূল্যবান গুপ্তধন ৷
আর এর জন্যই এই পথে এত বিপদ ৷
আমরা মানুষের হাড়গোড় এর মধ্য দিয়ে সামনে এগোচ্ছি৷ সামনে যতই এগোচ্ছি আমরা ততই ভয়ে ভীত হয়ে যাচ্ছি ৷ এসব নাকি ওই এনাগোন্ডা সাপ ই করেছে ৷
আমরা এলিয়েন এর কাছ থেকে শুনলাম সেই ভয়ঙ্কর অ্যানাকোন্ডার বর্ণনা ৷
তাহার নাকি ধারালো নখ,লম্বা লম্বা দাঁত,ও অগ্নিয় লাভার মতো গোলাকার দুটি চোখ , এবং ভয়ঙ্কর দানব আকৃতির মুখ আছে ৷
আমরা তো তার বিবরণ শুনেই ভয়ে হতভম্ব হয়ে পড়লাম ৷
তখন এলিয়েনরা আমাদের সাহস দিয়ে বলল ভয় পেয়ো না আমরা তো আছি তোমাদের সাথে ৷
আমরা বললাম আচ্ছা আমাদের কি দরকার তোমরাই তো পার ডিম নিয়ে আসতে ৷
তখন তারা দুজনেই একসাথে না- না ধ্বনি দিয়ে উঠল৷
আমরা জিজ্ঞেস করলাম তোমরা না বললে কেন?
সেখানে কি অনেক বিপদ আছে!
তারা বলল বিপদ আছে,কিন্তু এটা আমাদের জন্য তোমাদের জন্য নয় ৷
আমরা জিজ্ঞেস করলাম তোমাদের বিপদ, আমাদের নয় এটা কেমন কথা ৷
তো তারা বলল হ্যাঁ এটাই কথা কারণ, ওই ডিমের কাছে আছে এন্ট্রি এ্যলিয়েন ইলেক্ট্রপাওয়ার ৷
আমরা যদি ওই ডিমের নিকটে যাই, তাহলে আমরা জ্বলে পুড়ে ধ্বংস হয়ে যাব ৷
আর তোমরা যদি যাও তোমাদের কিছু হবে না, কারণ এটা তো শুধু এন্ট্রি এ্যলিয়েন ইলেক্ট্রপাওয়ার, এন্ট্রি মেনপাওয়ার ইলেক্ট্রপাওয়ার নয় ৷
আমরা বললাম ও আচ্ছা বুজতে পারছি, এখন আমাদের কি করতে হবে ?
তারা বললো, ওই যে সামনে একটা বড় বটগাছ দেখতে পাচ্ছো, হাঁ ওই গাছ টাই ৷
ওই গাছের উপর ই আছে সেই সোনার ডিম যাও সেই সোনার ডিম টা নিয়ে আসো ৷
আমরা সামনে গাছের কাছে গেলাম, কই কোন কিছুই তো দেখা যাচ্ছে না, কোথায় গেল সেই সাপ ৷
আমরা সেই গাছের উপর সোনার ডিমটি দেখতে পেলাম ৷
আমাদের বন্ধু আরিফ বললো, এটা তো অনেক সহজ কাজ,ডিমটা না হয় আমিই গিয়ে নিয়ে আসি ৷
আমরা মাথা নাড়িয়ে বললাম যাও ৷
আরিফ ডিমটি আনার জন্য গাছের দিকে এগোতে থাকে এগোতে-এগোতে একসময় সে গাছের অতি নিকটে চলে গেল এবং গাছে ওঠা শুরু করলো ডিমটি আনার জন্য ৷
হঠাৎ কোত্থেকে যেন সেই সাপটি অল্প সময়ের মধ্যে এখানে এসে হাজির হয়ে গেল এবং আরিফকে ধরেই গিলে খেয়ে ফেলল ৷
এটা দেখে তো আমি একেবারে জ্ঞান হারিয়েই ফেলছিলাম ৷ ভাবতেই খুব অবাক লাগছে যে আমাদের বন্ধু আরিফ এখন আর আমাদের মাঝে নেই ৷
দু চোখ বেয়ে পানি পড়া শুরু করলো আমাদের , আর আমরা সবাই অনেকটা নিরাশ ও হয়ে গিয়েছিলাম ৷
তখন এলিয়েনরা আমাদের সাহস দিয়ে বলল বন্ধু ভয়ের কিছু নেই তোমরা যদি তোমাদের কাজে সফল হও, তাহলে তোমাদের বন্ধু আবার তোমাদের কাছে ফিরে আসবে ৷
তখন আমরা সাহসিকতার সাথে আবার ও কাজে লেগে পড়লাম ৷
এবারে ডিমটি আনার দায়িত্ব আমি নিজে নিলাম, তখন আমার দুই বন্ধু বললো নিরব তুমি একা নও আমরাও যাবো তোমার সাথে৷ ৷
তখন দুজন এলিয়েন আমাদের ডাক দিয়ে বলল, বন্ধু এভাবে তো হবেনা, এভাবে কাজ করলে আরিফ এর মতো তোমাদের ও সাপের পেটে যেতে হবে ৷
আমরা বললাম তাহলে আমরা কি করবো, এলিয়েনরা বললো আমরা দুইজন ওই সাপটির সঙ্গে যুদ্ধ করে ওকে এখান থেকে দুরে নিয়ে যাব ৷
আর সেই সুযোগে তোমরা গিয়ে সোনার ডিমটি নিয়ে আসবে ৷
আমরা বললাম আচ্ছা ঠিক আছে বন্ধু যেভাবে ভালো হয় সেটাই করো ৷
এই বলে তারা দুজন সাপের সঙ্গে যুদ্ধ করা শুরু করল৷ তাদের সাথে সাপে ও যুদ্ধ করতেছে, তার এই গাছের দিকে কোন নজর নেই ৷
আমরা এই সুযোগে তিনজনই উঠলাম গাছে, সেখান থেকে নাজমুল তো পুকুরের পানিতে পড়ে গেল গাছ থেকে৷
সে তো সাতার জানতো না,তাই সে ডুবে গেল পুকুরের পানিতে, তারপর ও আমারা ঘাবড়ে যাইনি ৷কারণ আমাদের বিশ্বাস ছিল যে, আমরা যদি আমাদের লক্ষ্য পুরন করতে পারি তাহলে আমরা আবার সবাইকে ফিরে পাবো ৷
তাই আমাদের লক্ষ্য ছিলো একটাই আমাদের যে কোনো মূল্যেই হোক সোনার ডিম আনতেই হবে, না হয় কাউকে বাঁচানো সম্ভব না ৷
এখন শুধু আছি আমি আর তানভীর ৷
তো যাই হোক তানভীর ধীরে ধীরে গাছে উঠলো উঠে ডিমটি নিলো নিয়ে আমার হাতে দিলো৷ তো যেইমাত্র তানভীর ডিমে হাত দিলো, আমি দেখতে পেলাম সাপটি অসহ্য ভাবে কোকরাতে থাকে এবং ধীর ঘতিতে আমাদের দিকে এগিয়ে আসতে থাকে৷
আমি ধীরে ধীরে গাছ থেকে নামলাম, নামার পর আর দেরি না করে ডিমটি এক আছাড় মেরেই ভেঙে ফেললাম, আর সাপটি ও ব্যথার জ্বালায় চেঁচাতে চেঁচাতে মারা গেল ৷
আর আমাদের বন্ধুরা সহ আরো কতো মানুষ তাদের জীবন ফিরে পেলো ৷ আমরা ডিমটি ভাঙ্গার সাথে-সাথেই সেখান থেকে এক অদৃশ্যমান পথ দৃশ্যমান হলো, আমরা সবাই সেই গোলকধাঁধার পথে প্রবেশ করলাম আর আবার যে যার গন্তব্যে ফিরে এলাম ৷
আমরা এই ভূতুরে ঘটনায় বরাবর এক মাস ছিলাম ৷
তো আমরা যখন ফিরে আসি ফিরে এসে দেখি আমাদের বন্ধুরা এখনও প্ল্যাটফর্মে বসে আছে ৷
আমাদের দেখে ওরা জিজ্ঞেস করলো কিরে তোরা এখন ও যাসনে, ১ ঘন্টায় কি পানামনগর ঘোরা হয়ে গেলো ৷
আমরা তো ওদের কথা শুনে অবাক হয়ে গেলাম ৷
পরে পকেট থেকে মেবাইল বের করে দেখি, আমরা যাওয়ার সময় যেই দিন যেই তারিখ অতিবাহিত হচ্ছিল এখনো সেই দিন সেই তারিখ ৯ ই মার্চ এখন ও আছে ৷
তো আমরা আর কাউকে কিছু বলিনি ৷
আর তারপর দিন আমরা সবাই নারায়নগঞ্জ কলেজে গেলাম পরিক্ষা দিতে ৷
পরিক্ষায় কি দিব জানিনা, তবে প্রশ্নপত্র হাতে পাওয়ার পর মনে মনে ভাবলাম ইস ঘুরতে যাওয়ার সময় যদি বইগুলো নিয়ে যেতাম তাহলে পড়ার জন্য ১ মাস সময় পেতাম 🤣🤣🤣৷
*#*আমি কিন্তু কোনো প্রফেশনাল লেখক নই৷
আর মানুষ মাত্রই ভুল এই কথাটা আমরা সবাই জানি৷
আর আমি জানি যে আমারও ভুল হবে, আর আপনারা আমার ভুলগুলোকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন এটাই আশা করছি৷*#* 😍আর আপনারা যদি আমাকে সাপোর্ট করেন তাহলে আমি পরবর্তীতে আরো ভালো গল্পের মাধ্যমে মজা দেওয়ার চেষ্টা করবো আপনাদের৷😍
🙏🙏🙏অবশেষে বলতে চাই, দয়াকরে যারা আমার এই গল্পটি একবারও পড়েছেন আমাকে বলবেন যে, এই গল্পটি কেমন হয়েছে যাতে আমি দ্বিতীয়বার কোন গল্প লেখার জন্য অনুপ্রেরণা পাই৷🙏🙏🙏
###এতক্ষণে সবাই নিজের খেয়াল রাখবেন৷ ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন৷ সবার মঙ্গল কামনা করছি৷###
(আসসালামু আলাইকুম)

গল্পটি আপনার কেমন লাগলো রেটিং দিয়ে জানাবেন
[Total: 2   Average: 3.5/5]
বন্ধুদের সঙ্গে "Share" করুন।
close