সান্দাকফু

সান্দাকফু

Disclaimer : এই গল্পটি একটি বিশেষ উদ্দেশ্যে লেখা l আপনারা যারা পাহাড় ভালোবাসেন তারা জানেন পাহাড় কিভাবে আমাদের মনের দূষণ কমায় !অথচ আমরা পাহাড়কে কি ফিরিয়ে দিই ? আবর্জনা…তাই পাহাড়কে ভালো রাখতে তৎপর হোন, এই অনুরোধ রাখলাম l


 

সান্দাকফু

শুভম প্রামাণিক

 

র্জ ম্যালোরি বলেছিলেন ‘because it’s there’l উনি কেন পৃথিবীর উচ্চতম শৃঙ্গে আরোহণ করতে চান সেই প্রশ্নের উত্তরে l যে যেখানে আছে তাকে পেতে গেলে তো সেখানেই যেতে হবে ! কটা লোকে ওকে ছুঁতে পারে! সেই মহান,দুর্জয় এভারেস্ট দিগন্তে প্রতীয়মান l এখান থেকে বাঁদিকে তাকালে l বেশ দূরে,কিন্তু চেনা যায় l এমন নয়নাভিরাম দৃশ্য কি বিছানায় শুয়ে দেখা যায়, না উচিৎ!

আর ডানদিকে ? আমার প্রিয় কাঞ্চনজঙ্ঘা ! সপারিষদ বিদ্যমান l উত্তুঙ্গ শিখর পৃথিবীর সকল কলুষতার ওপর মাথা তুলে দাঁড়িয়ে l অস্তগামী সূর্যের আলোয় তার রক্তিম আভা !আহা সেকি অনির্বচনীয় দৃশ্য !একসাথে এতগুলো আট হাজারি শৃঙ্গ সান্দাকফু ছাড়া আর কোথায় দেখা যায় আমার জানা নেই l এইসব ফেলে রেখে কেউ যে ঘুমোতে পারে, এ আমার ধারণার বাইরে…

অদিতি ঘুমোচ্ছে l থাক…বেচারির অভ্যেস নেই l ট্রেকাররা সান্দাকফু আসে তিনদিনে l উচ্চতাজনিত সমস্যার সঙ্গে মানিয়ে নিতে নিতে l মানেভঞ্জন থেকে যাত্রা করে প্রথমদিন চিত্রে, লামাধুরা, মেঘমা হয়ে টংলু বা টুমলিং পৌঁছে রাত্রিবাস l দ্বিতীয়দিন গৈরিবাস হয়ে কালিপোখরি l তৃতীয়দিনে বিকেভঞ্জন হয়ে প্রাণান্তকর চড়াই টপকে সান্দাকফু l এই পুরো রাস্তা একবারে গাড়িতে আসতে পুরো হাড় গুঁড়িয়ে যাবার জোগাড় হয় l ঢালাই মেশিনে দেওয়া মশলার মতো l অদিতি আবীরের জোরাজুরির জন্যেই এসেছে সান্দাকফু l গাড়িতেই l আমি আগে ওকে কতবার বলেছি, আসেনি তখন l বিকেলে পৌঁছে আর পারে নি…গভীর ঘুমে তলিয়ে গেছে টায়ার্ড হয়ে l




 

love story golpo

টুটুল বিছানার পাশে চেয়ারে বসেছিলো l ওকে ঈশারায় ডেকে নিয়ে হাঁটতে বেরোলাম l ঘরের বাইরে দেখি আবীর রেলিঙে ভর দিয়ে সিগারেট খাচ্ছে l চিন্তিত মুখ l কিছু আর বললাম না l ওকে আজকাল আমার অলৌকিক ক্ষমতাসম্পন্ন মনে হয় l ম্যানেজ করে কি করে এতকিছু ছেলেটা ! তবে যাই হোক, পাহাড়টাকে ভালোবেসে আসেনি এখানে lবাসলে এসেই মালের চাট কি আছে সেই খোঁজ করতো না l অদিতিকে ভালোবাসে কি ?অনেকদিন কানাঘুষো শুনেছি l আচ্ছা…অদিতিকে একলা রেখে চলে যাবো ? নাকি টুটুলকে রেখে যাবো ?থাক…কি আর হবে l

সন্ধ্যে হতে আর দেরী নেই l হোটেলের চারদিকে খানিকটা প্রশস্ত জায়গা l যেন সবুজ গালিচা পাতা l সেটা পার হলেই পাইন, সিলভার ফার, ম্যাগনোলিয়া গাছের ছড়াছড়ি l বেশ ঘন জঙ্গল l কুয়াশা ছিলো না l নীচের পাহাড় থেকে উঠে আসছে l ঝুপসি গাছগুলো আরো রহস্যময় হয়ে উঠছে l পাখিগুলো ঘরে ফিরে যাচ্ছে l আর পনেরো কুড়ি মিনিটের মধ্যে কাঞ্চনজঙ্ঘাও ঢেকে যাবে l
“চল টুটুল, পা চালা…”আমি বললাম l
যাকে বললাম সে অবশ্য বাপ কি বেটি !ভিউ পয়েন্ট যাবার খাড়া রাস্তায় অনায়াসে, প্রায় যেন উড়ে চললো l ©Subham Pramanik
“আচ্ছা বাবা ! পাহাড়ে ভূত থাকে ?” টুটুল ঘুরে দাঁড়িয়ে প্রশ্নটা করেছে l চোখে কৌতুক l
আমি উত্তর না দিয়ে চোখের ঈশারায় নীচের দিকে দেখালাম l হোটেলের পাশের ফাঁকা জায়গাটায় বেশ কিছু লোক জড়ো হয়েছে l এখান থেকে দেখলে কিছু আবছা অবয়ব l আবীরকে চিনতে পারছি l লাল জামা l চেয়ার টেনে আনছে l অদিতির অফিস কলিগরাও আছে মনে হয় l কাঠ জোগাড় হচ্ছে l বোধহয় ক্যাম্পফায়ার টায়ার হবে l নাচাগানা l মদ খেয়ে চীৎকার l পাহাড়ে এখন এসবই চলছে l অদিতিও জয়েন করবে নিশ্চয়ই l ওর এসব ভালো লাগে l আমার আর টুটুলের পুরো উল্টো l
“দেখছিস ?” টুটুলকে বললাম l




-কি করছে ওরা বাবা ? ©Subham Pramanik
-পাহাড়ে ভূত যে কটা আছে তারাও আর থাকবে না রে l এরা পাহাড়টাকেই ভূত বানিয়ে দেবে l
-ক্যাম্পফায়ার করবে, না বাবা ?
-হ্যাঁ l ক্যাম্পফায়ার, উচ্চস্বরে মিউজিক বাজিয়ে পাহাড়ের শান্তিভঙ্গ করে গান, আণ্ডাবাচ্চা সঙ্গে এনে পিকনিক, প্লাস্টিক, মদের বোতল ফেলে যাওয়া, গাড়ির ধোঁয়া…এভাবে পাহাড় বেঁচে থাকবে ?
-সত্যি বাবা l এই ধরো বছর দুয়েক আগেও সান্দাকফু কি ছিলো বলো তো ! লাজবাব !
-লাজবাব এখনো আছে l তবে তাড়াতাড়ি জবাই হয়েও যাবে…তোর ওই আবীরকাকুর মতো লোক…
টুটুল হেসে উঠলো l “হমম…জেলাস? মিস্টার রুদ্র রায়চৌধুরী জেলাস !”
আমি ধমকে উঠলাম “চুপ কর, বকিস না l”
-আচ্ছা তোমার আবীরকাকুকে নিয়ে সমস্যা কোথায় ?ঝামেলা তো সেই কবে মিটিয়ে দিয়েছো…পাঁচ বছর হতে চললো প্রায়!
-বিয়ে করলে বুঝতিস?
-বিয়ে…
টুটুল অন্যমনস্ক হয়ে গেলো l ভিউ পয়েন্ট এসে পড়েছি l আমিও চুপ করে গেলাম l কথাটা বলা উচিৎ হয়নি l কিছু কথা অব্যক্ত থাকাই ভালো l

 


Rupkothar Golpo – ১০টি সেরা ছোটোদের মজার মজার রূপকথার গল্প





এখনো কাঞ্চনজঙ্ঘার পুরো রেঞ্জটা দেখা যাচ্ছে l সে অপার্থিব দৃশ্য যে না দেখেছে তাকে ভাষায় বর্ণনা করা বৃথা l বাপ মেয়ে তাকিয়ে রইলাম কিছুক্ষণ l মনে হয় অনন্তকাল চুপ ছিলাম l টুটুলই নীরবতা ভাঙলো l কাঞ্চনের দিক থেকে চোখ না সরিয়েই বললো “আচ্ছা সান্দাকফু মানে কি বাবা?”
-কোথায় একটা পড়েছি লোকাল ভাষায় সান্দাকফু মানে height of the poison plant…বিষাক্ত একোনাইট গাছ থেকে এই নাম হয়েছে l
-বিষ ? গাছে ? ©Subham Pramanik
-হ্যাঁ l
-আচ্ছা বাবা, এই যে এতো গাছ কেটে ফেলছে, এতেও তো বিষ বাড়ছে পরিবেশে, বলো ?
-একশোবার l
এরপর আরো মিনিট দুয়েক অখণ্ড নীরবতা l কাঞ্চনজঙ্ঘা মিলিয়ে যাচ্ছে ধীরে ধীরে l সামনের রডোডেন্ড্রন গাছটার রং ফিকে হয়ে আসছেl একটা ভূতুড়ে অন্ধকার গ্রাস করছে সান্দাকফুর শীর্ষ lএমন সময়ে টুটুল একটা অপ্রত্যাশিত প্রশ্ন করলো l
“মানুষের বিষ কমে বাবা ? সমতল থেকে পাহাড়ে উঠে এলে ? তুমি একটা কবিতা লিখেছিলে না…’সমতলে বড় অসমতল জীবন, আমায় পাহাড় ডাকছে সিধে হতে’…কমে বাবা ?”
-কেন তোর কমেনি ?
-তোমার কমেছে ?যখন তুমি এক্সপিডিসনে গেলে, তখন যদি না মা আবীরকাকুর সঙ্গে…দোষটা কিন্তু মা’রই…আমি সেটা এখনও…
আমি আঙুল মুখে দিয়ে ওকে চুপ করতে বললাম l কেউ আসছে l না, একজন নয় l একাধিক l শুকনো পাতায় খসখস শব্দ l এই সন্ধ্যের সময়ে কে আসছে ! এখন তো আর কিছু দেখতে পাওয়ার কথা নয় l পুরোটাই পন্ডশ্রম l তাহলে ?




এখন শুধু পায়ের শব্দ নয়, গলার শব্দও শোনা যাচ্ছে l একটা পুরুষের, একটা মহিলার l পুরুষ কণ্ঠটা কিছু সাবধানী, মহিলাকণ্ঠটি উচ্চকিত l আমি টুটুলকে টেনে নিয়ে রডোডেন্ড্রন গাছটার পিছনে চলে গেলাম l অন্ধকার গাঢ় হচ্ছে l আকাশে সূর্যের অস্তরাগের অবশেষ l এভারেস্ট তো অদৃশ্য বটেই, কাঞ্চনজঙ্ঘাও এখন শুধুমাত্র কয়েকটা আবছা রেখার সমষ্টিমাত্র l
আমার বুকটা ধড়াস করে উঠেছে l টুটুল কি শুনতে পেয়েছে ! তাহলে যা ভেবেছিলাম, তাই সত্যি ! আমি টুটুলের হাত চেপে ধরলাম l “তোর মা…”আমার মৃদু স্বরকে সঙ্গত করলো টুটুল l “জানি, সঙ্গে আবীরকাকু…”আমাদের ফিসফিসানি একটা দমকা হাওয়া এসে থামিয়ে দিয়ে গেলো l

হাওয়াটা তীব্র হচ্ছে l গোপন অভিসারে আসা যুগল মূর্তি দাঁড়িয়ে পড়েছে l সম্ভবত আবীর টর্চ জ্বালালো l কান খাড়া করে শুনতে চেষ্টা করলাম l প্রেমালাপ নয় অবশ্য , বাদানুবাদ চলছে l তবে শোনা দরকার l আগে তো আভাস পেয়েছি,কদ্দুর গড়িয়েছে ব্যাপারটা দেখি…

“…না আবীর…প্লিজ ব্যাপারটা বোঝার চেষ্টা করো…এ হতে পারে না…”l অদিতি খুব দৃঢ় এবং স্পষ্ট স্বরে বলছে l ©Subham Pramanik

“কেন ?আমি সেই কবে থেকে অপেক্ষায় আছি অদিতি ! আমাদের মধ্যে যা হয়েছে সব কি মিথ্যে তাহলে ?” আবীরের রাশভারী কিন্তু সাবধানী গলা l
-আমি রুদ্র ছাড়া কাউকে ভাবতেও পারি না…ওই জায়গাটা কাউকে দিতে পারবো না l যা হয়েছে আমার দুর্বলতার কারণেই হয়েছে l সম্পূর্ণ রেসপনসিবিলিটি আমার, সব আমার ভুল, আমার…
অদিতি ফুঁপিয়ে উঠেছে l
-তুমি কেন নিজের কাঁধে ব্লেম নিচ্ছো ?রুদ্র কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপিডিসন থেকে ফিরলো না…খুবই পেইনফুল, আই অ্যাডমিট l কিন্তু সেতো পাঁচ বছর হোলো l আর এতে তোমার দোষ কোথায় ?
-দোষ আছে…একশোবার আছে !ওইসময় মা হিসেবে আমার যা কর্তব্য ছিলো করিনি…রুদ্র সন্দেহ করেছিলো তোমার আমার ব্যাপারটা l ও চলে যাবার আগেই l কিন্তু শিওর ছিলো না l ও আমার ওপর রাগ করেই চলে গেলো পাহাড়েl লোকটা তো হারিয়ে গেলো চিরদিনের জন্যে… কিন্তু…
-কিন্তু কি ?
-টুটুল আমাদের দেখে ফেলেছিলো আবীর ! ও কোনোদিন ক্ষমা করতে পারে নি আমায় আবীর l কত চেঁচামেচি করেছে, শাপশাপান্ত করেছে…ওর কান্না এখনও বুকে বাজে আমার আবীর…কত অবহেলা করেছি বাপ মরা মেয়েটাকে…ভ্যাগাবন্ডের মতো হয়ে গেছিলো মেয়েটা…যেখানে সেখানে ঘুরে বেড়াতো, কথা শুনতো না…অনেক কষ্টে একটু মানিয়ে নিতে পেরেছিলাম শেষটায়…বিয়েও ঠিক হয়ে গেছিলো…তারপর এই সান্দাকফু…




অদিতির কান্না বেড়ে উঠলো l তার সঙ্গে বোধহয় পাল্লা দিয়ে শীতও…
আবীরকে দেখে মনে হোলো বিরক্ত হয়েছে l শেষ চেষ্টা করলো একবার l “তাহলে তুমি আমার সাথে এলে কেন ?আমার কথায় রাজি হলে কেন ?”
-আবীর, আমি তোমার সাথে একা আসিনি l আমার অন্য কলিগরাও এসেছে lআর টুটুল…
আবীর টর্চটা ঘুরিয়ে উল্টোদিকে চলতে আরম্ভ করলো l এখানে এই অন্ধকারে অদিতিকে ছেড়ে…
অদিতি চেঁচিয়ে উঠলো “শুনে যাও আবীর l তোমার জন্যে বা তোমার কথায় আসিনি আমি সান্দাকফু…তুমি যেখানে দাঁড়িয়ে আছো…এই…এই ভিউ পয়েন্টেই টুটুল আজ থেকে দু বছর আগে…

টুটুল আমার হাত ছেড়ে ছুটে গেলো অদিতির সামনে l পাগলের মতো হাত তুলে l “মা, ও মা, মা গো…এই তো আমি, দেখো আমায় ! দেখতে পাচ্ছো না…আমি সব ভুলে গেছি মা…ও মা, দেখো না…একটু আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দাও না মা…আগের মতো…”

অদিতি কিছুই শুনতে পেলো না l শুধু আশেপাশে হাওয়াটা প্রবল হয়ে উঠলো l শালটা আরো টেনে জড়িয়ে নিলো শীতের প্রকোপ থেকে বাঁচতে…
©Subham Pramanik





Best 7 Bengali Sad Ringtone Download | Free 2020


 

বেচারি টুটুল l আমার স্মার্ট মেয়েটা l আগের মতো কি আর হয় রে পাগলি ! তুই যে দু বছর আগে অ্যাকিউট মাউন্টেন সিনড্রোমের কবলে পড়ে সব ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে গেছিস মা ! ঠিক আমার মতো…আমারও তো ইচ্ছে করে, তোর মা কে ছুঁয়ে দেখতে, জড়িয়ে ধরতে l তাই তো হোটেলের ঘরে অতক্ষণ বসেছিলাম চাতক পাখির মতো l শুভদৃষ্টির সময় যে দুটো লাজুক চোখ প্রথমবার দেখি , যার আকর্ষণে সব বাধা অতিক্রম করে ঘরে ফিরে আসতাম,সেই চোখ বিকেল থেকে কতবার আমায় দেখেও দেখতে পেলো না l এই পরপারের ছায়াশরীর আর আমাদের প্রিয়জনের জন্যে নয় রে টুটুল l

তবে বিষের জ্বালা আমার জুড়িয়ে গেছে l আপনজনকে ঘৃণার বিষ, অবিশ্বাসের বিষ, হীনমন্যতা আর গ্লানির বিষ l পাহাড় হারিয়ে যাওয়া চেতনা, ভালোবাসা ফিরিয়ে দিয়েছে আমায় l টুটুল রে ! দেখ সান্দাকফু কি উপহার দিয়েছে l তোরও বিষ নেমে গেছে l তোকে খালি উঠে আসতে হবে, সমতলের সব আবর্জনা ছাড়িয়ে l
রডোডেন্ড্রন গাছটা হাওয়ার ভরে নড়ে উঠলো l একরাশ ফুল ঝরে পড়লো অদিতির মাথায় l জল ভরা চোখে বোধহয় খানিকটা ঘোরের মধ্যে অদিতি বলে উঠলো “টুটুল…আছিস মা ?”

ফিরে যাও অদিতি l তোমার উত্তরণ ঘটেছে এই উচ্চতায় এসে l তোমার আমার টুটুলের, সবার মনের দূষণের বিষ নিয়ে নিয়েছে সান্দাকফু l তবে ভুলের বকেয়া শাস্তি হয়তো এভাবেই পেতে হবে তোমায় l আমাদের কাউকেই আর পাবে না তুমি l কাঞ্চনজঙ্ঘা কি সবাই দেখতে পায় ?
তুমি একা না l পাহাড় নষ্ট করা সভ্য লোকগুলোও ভুলের মাশুল দেবে একদিন l এই সান্দাকফু আর থাকবে না l বিষ বুকে নিয়েই বাঁচতে হবে ভেজাল মানুষগুলোকে l

অদিতির খুব চেনা অধরটিকে প্রদক্ষিণ করে বাপ মেয়ে আবার হারিয়ে গেলাম সান্দাকফুর ক্রমশ দূষিত হতে থাকা হাওয়ায় l




 

 

-সমাপ্ত-

গল্পটি আপনার কেমন লাগলো রেটিং দিয়ে জানাবেন
[Total: 1   Average: 4/5]
বন্ধুদের সঙ্গে "Share" করুন।
Open chat
1
যোগাযোগ করুন
আপনার গল্পটি প্রকাশ করার জন্য যোগাযোগ এখনে।