Top 5 Best Golpo - ৫ টি সেরা গল্প পড়ুন - Bengali Story

Top 5 Best Golpo – ৫ টি সেরা গল্প পড়ুন – Bengali Story

If you are looking for Golpo, then you are the right place. You can read here the 2020 Best Golpo. Today, we have gone a lot of distance from reading the storybooks. Because we don’t have sufficient time for going to the library and reading the storybooks At this age of the Internet. But, if we can read the story on this internet, then it is very interesting. So we have brought a few collections of Bengali story for you. Hope you will enjoy the stories in this busy lifestyle. In this post you will find the latest Golpo, You can read here Golpo, download Golpo PDF.

 




 

Golpo

 

আমার পরাণ যাহা চায়

 জয়শ্রী দাস

 

বাবা অসুস্থ শুনে নীলা সপ্তা খানেকের জন্য বাড়ি এসেছে। তিন বছর হল নীলার বিবাহিত জীবন। স্বামী সংসার ছেড়ে বেশিদিন বাপের বাড়ি এসে থাকার জো নেই তার। দু’দিন ওবাড়ি থেকে আসলেই উজান চোখে সর্ষের ফুল দেখে। কোন শার্ট প্যান্টটা ইস্ত্রি করে কোথায় রাখা আছে সব নীলাকে ফোন করে বলে দিতে হয়।

সাধে কি আর নীলার মা ইয়র্কি করে বলে, “আমার মেয়েটা একদম পাকা গিন্নী হয়ে গেছে।” মেয়ের প্রতি জামাইয়ের এমন টান দেখে নীলার মা মনে মনে খুব খুশি হন। তাই তাে হাজার ইচ্ছা করলেও মেয়েকে বেশিদিন নিজের কাছে আটকে রাখতে পারেন না।

 

Golpo
Golpo

 

ঘর গােছাতে গােছাতে বইয়ের র্যাকের দিকে দৃষ্টি আটকায় নীলার। তার অতিপ্রিয় ডায়েরি টা ধূলাে ঝেড়ে হাতে তুলে নেয়। বিয়ের আগে ওর সাথে নীলার সখ্যতা ছিল ভীষণ। ডায়েরির পাতা ওলটানাের সাথে সাথেই নীলাও পাড়ি দেয় স্মৃতির পাতায়। পুরনাে দিনের নানা মুহূর্ত ভেসে ওঠে চোখের সামনে।

জীবনের নানা টানাপােড়েনে নিজেকে শক্তি জোগানাের একমাত্র সঙ্গী ছিল এই ডায়েরি। ডায়েরির পাতা ওল্টানাের সাথে সাথে স্মৃতিরাও এক পাতা থেকে অন্য পাতায় স্থান পরিবর্তন করে। ঠিক এমনি করে পাতা ওল্টাতে ওল্টাতে নীলার চোখ দুটো স্থির হয় ডায়েরির একটি পাতায় লেখা দুটি গানের লাইনের উপর।

 




 


2020 Best Bangla golpo – এই বছরে সেরা বাংলা গল্প গুলি


 

“আমার পরাণ যাহা চায় তুমি তাই, তুমি তাই গাে। তােমা ছাড়া আর এ জগতে মাের কেহ নাই, কিছু নাই গাে।” ডায়েরির পাতায় লিপিবদ্ধ এই দুটি লাইন যে নীলার জীবনেও খুব গুরুত্বপূর্ণ। চোখের সামনে ভেসে উঠল কিছু মধুর স্মৃতি। এই স্মৃতি গুলিই হলাে নীলার জীবনে বৈচিত্র্যপূর্ণের রসদ। আজ খুব মনে পড়ে যাচ্ছে সেই মুহূর্ত গুলির কথা।

বাবার হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায়, একমাত্র মেয়ে নীলার বিবাহের জন্য তিনি উতলা হয়ে পড়েন। বি.এ পাশ করার পর নীলা আর বাবার কথা অমান্য করতে না পেরে বিবাহে মত দেয়। এক পরিচিত সূত্র থেকেই উজানের সাথে নীলার সম্মন্ধ ঠিক হয়। তবে বিবাহের পূর্বে কিছুদিন সময় পাওয়ার উজান ও নীলা একে অপরকে জানার সুযােগ পায়।

শুরু হয় তাদের ফোনালাপ। একে অপরের পছন্দ অপছন্দ সম্পর্কে জানতে পারে। নীলার পছন্দের গানের কথা জানতে চাইলে নীলা কয়েকটি গানের সাথে আমার পরাণ যাহা চায়” গানটির কথা বলে। তবে এই গানটিকে কেন্দ্র করে নীলার মনে যে একটা সুপ্ত বাসনা আছে তা আর উজানকে সে বলে উঠতে পারে না। তাই সে ওই ইচ্ছেটাকে ডায়েরি বন্দি করে রাখে।

আর দু’মাস পর উজান আর নীলার বিয়ে। রেজিস্ট্রির ফর্ম ফিলাপের জন্য আর উজানের আঙটির মাপ নেওয়ার জন্য নীলার বাবা একদিন বাড়িতে উজানকে ডেকে পাঠায়। নীলার শরীরে কেমন একটা শিহরণ হয়। এ ক’দিন কথা বলেই দুজন দুজনের মনের অনেক কাছে চলে এসেছে তা নীলা উপলব্ধি করে। তাই তাে বিকাল হতেই নীলা উজানের পছন্দের রঙের একটা শাড়ি পরে নেয়।

 




 

বারবার ঘড়ির দিকে তাকিয়ে আছে কখন পাঁচটা বাজবে। উজান কতদূর এলাে তা জানার জন্য যেই বাবা এসে ফোন করতে বলল নীলা আর দেরি না করে তৎক্ষণাৎ উজানকে ফোন করে। কারণ সেও তাে মনে মনে তাই চাইছিল। যে মুহূর্তে ফোন করতে যাবে, এমন সময় কলিংবেলটা বেজে ওঠে। নীলা বুঝতে পারে উজানকে আর ফোন করার দরকার নেই। মা দরজা খুলতেই দেখে উজান হাজির।

যাইহােক সবার সাথে কথা বলে জল মিষ্টি খেয়ে,আঙর্টির মাপ দিয়ে, উজান রেজিস্ট্রির ফর্ম ফিলাপের জন্য নীলার ঘরে যায়। ফর্ম ফিলাপ করার সময় উজান নীলার কাছে কাগজ কলম চায় ওর পুরাে ঠিকানা লিখে দিয়ে যাবে বলে। কারণ পরে প্রয়ােজন পড়তে পারে কোনাে কারণে। নীলা তাড়াহুড়াে করে হাতের সামনে যে ডায়েরিটা পায় তাই বের করে দেয়। বাবা এসে নীলাকে উজানের জন্য চা বানিয়ে আনতে বলে।

ঠিক সেই মুহুর্তে উজানের মাথায় এক খেয়াল আসে। এমন ডায়েরি হাতে পাওয়ার পর তার ঘরটাকে একলা করে পাওয়ার খুব দরকার ছিল, এই ভেবে হবু শ্বশুর মশাইকে উজান মনে মনে ধন্যবাদ জানায়। ডায়েরির পাতা ওল্টাতে ওল্টাতে সে নীলার সুপ্ত বাসনার কথা জানতে পারে। মুচকি হেসে একটা খালি পাতায় সেদিনের তারিখ দিয়ে কিছু লিখে রাখে। নীলা ঘরে ঢােকার আগেই উজান ডায়েরিটা বিছানায় রেখে দেয়।

 

 

আরাে কিছুক্ষণ সময় কার্টিয়ে নীলার বাড়ির সবার সাথে গল্প করে উজান বাড়ির উদ্দেশ্য রওনা হয়। নীলা সদর দরজা অবধি। উজানকে আগিয়ে দিতে যায়। উজান যাওয়ার আগে নীলাকে বলে, “ঠিকানাটা লিখে দিয়েছি দেখে নিও। সাথে আমার মনের ঠিকানার আসল মালকিনের উদ্দেশ্যে কিছু লেখা আছে দেখে নিও।” এই বলে হাসতে হাসতে উজান বেরিয়ে যায়। নীলা কাপড় বদলানাের নাম করে তৎক্ষণাৎ ঘরে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয়।

ডায়েরির পাতা ওল্টাতে ওল্টাতে উজানের লেখা তার বাড়ির ঠিকানা পায়। “কিন্তু তার সাথে উজান যে আরাে কিছু লিখেছে বললাে তা কোথায় গেল “… এই কথা ভাবতে ভাবতে নীলার চোখে পড়ল সেদিনের তারিখ দিয়ে পেজের মাঝখানে লেখা দুটো গানের লাইনের উপর। আবেগে আপলুত হয়ে নীলার দু’চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ল। তার সুপ্ত বাসনা আজ সত্যি হয়েছে।

 




 

সাথে সাথেই উজানের ফোন আসে। ফোন রিসিভ করে নীলা কোনাে কথা বলতে পারে না। সে যেন ঘােরের মধ্যে রয়েছে। খালি মনে মনে ভেবেছে ” এ স্বপ্ন, নাকি সত্যি?” সেদিনই দুটো মন মিলেমিশে এক হয়ে গিয়েছিল।

কি আশ্চর্য! নীলা খেয়াল করেনি আজই তাে সেই দিন। গানের লাইন দুটোর উপর আজকের তারিখটাই তাে জ্বল জ্বল করছে। এই দিনেই তাে উজান তাকে ওই লাইন দুটোর মাধ্যমে মনের কথা বলেছিল। তারপর থেকে প্রতি বছর এই দিনে উজান ঠিক মনে করে এই গানটা গেয়ে শুনিয়েছে। “তবে আজ কি কাজের ব্যস্ততায় এই দিনের কথাটা ভুলে গেল।”

এই সব কথা ভাবতে ভাবতে নীলার মনটা ভারাক্রান্ত হয়ে গেল। বিকাল হতেই ডায়েরিটা নিয়ে নীলা ছাদে চলে যায়। আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখে ঘন কালাে মেঘ ঠিক নীলার মনের মতােই। “তবে কি মনের মধ্যে অভিমানের মেঘ জমেছে?” পরক্ষণেই নিজেকে প্রবােধ দিয়েছে নীলা মনে মনে – “না না আমি এ সব কি ভাবছি? উজান নিশ্চয়ই ইচ্ছা করে ভুলে যাইনি। সত্যিই তাে ওর কাজের খুব চাপ।”

 


Rupkothar Golpo – ১০টি সেরা ছোটোদের মজার মজার রূপকথার গল্প


 

 

এমন সময় হঠাৎ উজানের মেসেজ আসল – “আমার ফোনের ব্যালেন্স শেষ হয়ে গেছে। একটু ফোন করবে প্লিজ!” নীলা উজানের ফোনে কল করতেই রিংটোনে ভেসে এলাে সেই প্রিয় দুটো লাইন….

“আমার পরাণ যাহা চায় তুমি তাই, তুমি তাই গাে।। তােমা ছাড়া আর এ জগতে মাের কেহ নাই, কিছু নাই গাে।”…

নীলার দুচোখ বেয়ে আজও ঝরে পড়ছে আনন্দাশ্রু। সমস্ত অভিমানের মেঘ বৃষ্টি হয়ে ঝরে পড়ল ডায়েরির পাতায়। ঠিক তখনই অপর প্রান্ত থেকে উজানের গলা – “কি ম্যাডাম আপনি ভেবেছিলেন নিশ্চয়ই আমি আজকের দিনটার কথা ভুলে গেছি? আরে এই দিনটা আর ওই গানটা আমার শ্বাস – প্রশ্বাসে মিশে গেছে। যতদিন বেঁচে আছি ওরাও আমার মধ্যেই থাকবে।”

উজানে মুখে এই কথা শুনে এবার নীলা খুব রেগে যায়। “আবার উল্টো পাল্টা কথা বলছে। আমি এবার ফোন রেখে দেব কিন্তু।” উজান : “আচ্ছা আর বলব না। অত রাগ দেখাতে হবে না। শােনাে রাতে লুচি, ছােলার ডাল আর আলুর দম বানাও আমি আসছি।” নীলা : “সত্যি বলছাে ? তুমি এখন কোথায়?” উজান: “আমি অফিস থেকে বের হয়েছি আমার একমাত্র বৌয়ের কাছে আসব বলে।

তাকে বুকের মাঝে নিয়ে রাতে শুয়ে, যে গান শােনাতে হবে।” নীলা: “থাক, আর আদিখ্যেতা করতে হবে না। আমি এখন রাখি। নীচে গিয়ে মা-বাবাকে জানাই যে তুমি আসছাে। সাবধানে এসাে টা.. টা।”

উজানকে যতই শাসন করুক না কেন নীলা মনে মনে তাে এমনই মুহুর্তের অপেক্ষা করছিলাে। উজানের কথা গুলাে মনে করে নীলার মুখটা লজ্জায় লাল হয়ে যায়। ডায়েরির পাতার্টি খুলে উজানের হস্তাক্ষরের উপর একটা চুম্বন দিয়ে গুণ গুণ করে বেসুরাে গলায় গেয়ে ওঠে –

“আমার পরাণ যাহা চায় তুমি তাই, তুমি তাই গাে। তােমা ছাড়া আর এ জগতে মাের কেহ নাই, কিছু নাই গাে।”…

 




 

সমাপ্ত


 

সেই মৃত লাশ

Jessica Gomes

 

গাড়ি থেকে যখন স্টেশনে নামি রাত তখন ঠিক ১টা। যাত্রিদের স্টেশনে নামিয়ে দিয়ে রেলগাড়িটি আবার চলতে লাগলাে। সঙ্গে থাকা ব্যাগটা কাদে ঝুলিয়ে স্টেশন মাস্টারের রুমের দিকে গেলাম।ভিতরে ঢুকতে দেখি সেখানে একজন লােক বসে আছে।বুঝতে পারলাম উনি স্টেশন মাস্টার।তাকে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম এখান থেকে বাতাসপুর কত দুর?তিনি উত্তর দিলেন এখান থেকে বাতাস পুর ৬ কি: মি রাস্তা।

কিন্তু এত রাতে এখান থেকে বাতাস পুর যাওয়ার কোন ভ্যান পাওয়া যাবেনা।তাই রাতটা কষ্ট করে এখানে কাটাতে হবে।কথা শেষকরে তার রুম থেকে বের হয়ে গেলাম।বাইরে এসে দেখি চারপাশটা কেমন ফাকা ফাকা কোন মানুষ – জন নেই।পাশে যাত্রিদের ওয়েটিং রুম। সেখানে গিয়ে একটি চেয়ারে বসলাম।তারপরে চিন্তা করলাম কোনমতে আজ রাতটা এখানে কাটিয়ে কাল সকালের দিকে বাতাসপুরের রওনা হব। দেওয়ালে ঝুলে থাকা ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখি রাত দেড়টা বাজে ।চোখে একটু ঘুমের ভাব।তাই চোখ বুজে বসে রইলাম।

Golpo

golpo
golpo

Chotoder golpo – ছোটোদের মজার মজার গল্প গুলি এবার বাংলাতে


 




 

হঠাৎ এমন সময় একজন লােকের আগমন। এসে জিজ্ঞেস করে স্যার কৈই যাইবেন?বাতাসপুর যাব।কিন্তু তুমি কে?- আমার নাম লালু এই এলাকার ভ্যানচালক। ও তাই নাকি।আচ্ছা তুমি কি বাতাসপুর যাবে?-হ যামু স্যার চলেন।মনে মনে চিন্তা করলাম কষ্ট করে স্টেশনে রাত কাটানাের চেয়ে গন্তব্য চলে যাওয়া ভাল।তাই ব্যাগটা হাতে নিয়ে লালুকে বলি চলাে।

কিন্তু ভ্যান গাড়ির সামনে এসে দেখি আগে থেকে একজন লােক তার উপর বসে আছে। লােকটার সমস্ত শরীল একটা চাদর দিয়ে ঢাকা।চেহারাটা পর্যন্ত দেখা যাচ্ছেনা।আমি কোন কথা না বলে তারপাশে গিয়ে বসলাম।

তারপরে লালু ভ্যান চালাতে লাগলাে।কিছু দূর আসার পরে আমরা গিয়ে একটি মাটির রাস্তায় উঠলাম।সেই রাস্তার দুপাশে ছিল বিস্ততৃ ধানক্ষেত।যতদূর চোখ যায় শুধু পাঁকা ধানের হাসি।মাঝে মাঝে রাস্তায় দুই ধারে হালকা কিছু গাছ দেখা যাচ্ছে।আর খরা মৌসুমে চাষাবাদের জন্য একপাশে একটি খাল খনন করা হয়েছে।

 

Golpo Cartoon

 

আকাশে আজ হালকা চাঁদের আলাে তার পরেও চারপাশটা বেশ পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে।আশেপাশে কোনাে জনবসতি নেই তাই চারদিকে শুধু ঝি ঝি পােকার শব্দ ছাড়া কিছুই শােনা যাচ্ছেনা।মাঝে মাঝে দুর থেকে একটি খেক শেয়ালের ডাক কানে ভেসে আসছে।কার্তিক মাসের শেষের দিকে তাই একটু শীত পড়েছে।

উওরের হিমের হাওয়া মাঝে মাঝে শরীলে কাপন ধরিয়ে দিচ্ছে।ব্যাগ থেকে তখন জ্যাকেট টা নিয়ে পায়ে জড়িয়ে নিলাম। একটু পরে লালু জিজ্ঞেস করে স্যার বাতাসপুর আপনার কে আছে?- বাতাসপুরে আমার এক বন্ধুর বাড়ি। ও আচ্ছা মাঝ পথে আসার পরে হটাত করে লালু বলে স্যার আপনারা বসেন আমি একটু আসি।বুঝতে পারলাম লালু প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে যাচ্ছে।

 




 

তাই কোন কিছু বললাম না।লালু পিছনের দিকে একটু দূরে গিয়ে রাস্তা থেকে নিচে নেমে যায়।তাকে আর দেখা যাচ্ছে না। এদিকে অনেকক্ষন বসে থেকে আমার কোমরে ব্যথা হয়ে গেছে।তাই ভ্যান গাড়ি থেকে নেমে রাস্তার মধ্যে একটু হাঁটাচলা করতে লাগি।একটু পরে খেয়াল করলাম অনেক সময় হয়েগেছে কিন্তু লালু ফিরে আসেনা।

আমি তখন তার নাম ধরে ডাকতে লাগি কিন্তু কোন উত্তর আসলােনা।আমার মাঝে কেমন একটা টেনশন কাজ করছে অথচ পাশে থাকা লােকটি কোন শব্দ করছেনা। শুধু চুপচাপ বসে আছে।আমি তখন ব্যাগ থেকে টর্চলাইটি নিয়ে ঐদিকে গেলাম।কিন্তু কিছুই দেখতে পেলাম না।আস্তে আস্তে আরাে সামনের দিকে গেলাম। হঠাৎ লক্ষ্য করলাম খালের পাশে কার যেন লাশ পরে আছে।কাছে গিয়ে দেখি এটি লালুর লাশ।

কে যেন তাকে গলা কেটে হত্যা করেছে।আর তার রক্ত গড়িয়ে গড়িয়ে খালের জলে মিশে যাচ্ছে।ঠিক এমন সময় লক্ষ্য করলাম খালের ঐ পাশের ধান ক্ষেতের ভেতর থেকে কিছু একটার শব্দ হচ্ছে। এক সময় সেই শব্দের তীব্রতা বাড়তে লাগলাে।ভয়ে তখন দৌড় দিয়ে ভ্যান গাড়ির সামনে চলে আসি।কিন্তু এখানে এসে দেখি চাদর গায়ে দেওয়া সে লােকটা নেই।আমি চারপাশ ভালাে করে দেখলাম কিন্তু কোথাও খুঁজে পেলাম না।

 


Bengali Love Quotes – ১০০০+ মহান ব্যক্তিদের ভালোবাসার উক্তি


 

 

হঠাৎ লক্ষ্য করলাম দুর থেকে কতগুলাে কুকুর শব্দ করতে করতে এদিকে আসছে।কুকুর গুলােকে দেখে ভয়ে আমি দ্রুত। ভ্যানে উপর উঠে বসলাম।কুকুরগুলাে ভ্যান গাড়ির সামনে এসে কান্নার সুরে ডাকতে শুরু করে। মনে হচ্ছে ওরাও কিছু দেখে ভয়ে পাচ্ছে।তাই ঐ দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলাম। এমন সময় খেয়াল করলাম ঐদিকে বাড়ির ছাদে যেন কেউ দাড়িয়ে আছে ।

সে দিকে টর্চ লাইটা ফেলতেই দেখি কে যেনাে ছাদ থেকে লাফাতে যাচ্ছে। মুখে আর পােশাকে রক্ত মাখা দাগ। চোখ যেনাে জ্বল জ্বল করছে আর এক দৃষ্টি তে এদিকে তাকিয়ে আছে।কুকুর গুলাে ওই দেখে পালিয়ে গেলাে।আর তখন কী করবাে বুঝতে পারছিলাম না।চিন্তা করলাম ভাগ্য যা থাকে থাকুক।

ব্যাগটা নিয়ে সামনের দিকে দৌড়াবাে।সেই মুহূর্তে দেখি কিছুটা দূরে আসার পর খেয়াল করলাম সামনে কেউ একজন হেঁটে যাচ্ছে।দ্রুত তার কাছে গেলাম।কাছে গিয়ে দেখি উনি আমার পাশে বসে থাকা লােকটা। লােকটাকে দেখে মনে কিছুটা সাহস পেলাম।তাকে বলি ভাই আপনি হেঁটে চলে আসলেন? ঐ দিকে কে যেন লালুকে খুন করে ফেলে দিয়েছে।

লােকটি বলে কি কন ভাই! এই প্রথম লােকটার আওয়াজ শুনতে পেলাম।কিন্তু আওয়াজটা কেমন জানি চেনা লাগছে তাই একটু খটকা লাগলাে।তাই লােকটা কে বলে উঠলাম অনেকক্ষন আপনার সাথে আছি এখনাে পর্যন্ত আপনার চেহারা টা দেখিনি।আপনার মুখটার থেকে চাদর টা একটু সরাবেন।আমার কথা শেষ হতেই উনি মুখ থেকে চাদর টা সরালেন।

চেহারা দেখে আমি হতভাগ হয়ে গেলাম। এতাে দেখি লালু! কিন্তু মৃত মানুষ জিন্দা হলাে কি ভাবে।ভয়ে আমার মুখ থেকে আর কোন শব্দ বের হচ্ছিলনা। সেই সময় আমার শরীল এত দুর্বল লাগে আমি জ্ঞানহারাই। হুশ আসার পর দেখি বিছানায় সােয়া আমার বন্ধুর বাড়িতে একটু সুস্থ হয়ে ওদের পুরাে ঘটনাটা বললাম।ঘটনা শুনে তারা সবাই অবাক কারণ লালু ড্রাইভার একবছর আগেই মারা গেছে। 

 




 

 

সমাপ্ত


 

প্রেম

রিচা

 

সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী আরাত্রিকা। বাসে স্কুল যাচ্ছে সে। তখন চলেছে মাধ্যমিক পরীক্ষা। তাদের স্কুলে সেন্টার না হওয়ায় রীতিমতো স্কুলে যেতে হতো। তখন তার পরিচিত এক দাদা পরীক্ষা দিচ্ছে। সেই দাদার অনেক বন্ধুর সাথে তার পরিচয় হয় কিন্তু,একজনের নাম সে প্রতিদিন শুনলেও তাকে বাসে কোনোদিন খুঁজে পায় না। তার নাম শৌনক। দাদাকে বা তার বন্ধুদের জিজ্ঞেস করলে কেউ দেখিয়েও দেয় না। আরাত্রিকা তো শৌনককে দেখার জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠেছে। কিন্তু, পরীক্ষা শেষ। দেখাও আর হল না।

তারপর হঠাৎ একদিন আরাত্রিকা দেখলো শৌনককে আর অন্যের মুখে নাম শুনে বুঝতে পারে এই সেই শৌনক যাকে দেখার জন্য সে ব্যাকুল হয়ে উঠেছিল। শৌনক কিন্তু আরাত্রিকাকে তখনও চেনে না।

Golpo

Golpo
Golpo

 


5 Best Thakurmar Jhuli – ছোটোদের মজার মজার ঠাকুরমার ঝুলি


 




 

তারপর যখন শৌনক একাদশ শ্রেণীতে উঠল আরাত্রিকার সাথে পরিচয় হয় টিউশন পড়ার সূত্র ধরে।

আরাত্রিকা স্কুল যায় আর শৌনক যায় টিউশন পড়ার পর বাড়ি। তাদের মধ্যে কথোপকথনও হয়।

হঠাৎ একদিন আরাত্রিকাকে শৌনক বলে সে ওকে ভালোবাসে কিন্তু আরাত্রিকার শৌনককে ভালো লাগলেও সে জানায় শৌনককে সে ভালোবাসে না। তারপর দু বছরে হয় তো শৌনককে সে রাস্তায় তিনবার দেখেছে।

আরাত্রিকা যখন দশম শ্রেণীতে ওঠে তখন হঠাৎ শৌনককে দেখল রাস্তায় ওর হাত ভেঙেছে বন্ধুর সাথে বাইকের পিছনে চেপে আছে। সেদিন তাকে দেখার পর আরাত্রিকার

 

Ishopor Golpo

 

ইচ্ছে হয় শৌনককের প্রস্তাব গ্রহণ করার। সে তার বান্ধবীর দ্বারা শৌনককে জানায়। শৌনক দেখাও করতে আসে। এভাবেই চলছে তাদের প্রেম। আরাত্রিকা জানতো না সে শৌনককে আদৌ ভালোবাসে    কিনা। আসলে শৌনক ছেলেটা খুব একটা ভালো ছিলো না আরাত্রিকা সবই জানত ভেবেছিল শৌনক পাল্টে যাবে। শৌনক কিন্তু মুহূর্তের জন্য হলেও আরাত্রিকাকে ভালোবেসেছিল।

হঠাৎ একদিন আরাত্রিকা জানায় সে এই সম্পর্ক রাখতে পারবেনা। শৌনক কারণ জানতে চাইলে সে বলে বাড়িতে অসুবিধা হচ্ছে ব্যাপারটা নিয়ে। সম্পর্ক ভেঙেও যায়। তার এক মাসের মধ্যে আরাত্রিকা অনুভব করে সে শৌনককে কতটা ভালোবাসে। আবারও শৌনককে জানায় কিন্তু শৌনক আর তার সাথে ভালো ব্যবহার করে না। বলে ভাঙা কাচ জোড়া লাগানো যায় না। আরাত্রিকা ফোন করলে সে বিরক্ত হতো।

 




 


Bengali Jokes – ১০০০+ হাসির জোকস – হেসে পেট ব্যাথা হয়ে যাবে


 

 

কালীপুজোর রাতে ঠাকুর দেখতে গিয়ে আরাত্রিকা হঠাৎ জানতে পারল শৌনকের বিয়ে ঠিক হয়েছে।কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি এল আরাত্রিকা রাতের অন্ধকারে। সব জেনেও সে শৌনককে ফোন করত। শৌনক তাকে খুব অপমানও করত। সব সহ্য করে সে আবারও ফোন করত।

শুধুই অপমানিত হতো আরাত্রিকা। কিছু দিন পর তারা দেখাও করতে যেতো মাঝে মাঝে। কিন্তু শৌনকের তো বিয়ে দেখা করেই বা কি হবে। এভাবেই শৌনক তাকে খুব অপমান করত। কিছু দিন পর আরাত্রিকা থাকতে না পেরে আবার ফোন করত। শেষ পর্যন্ত আরাত্রিকা নিজেকে পরিবর্তন করে সে আর ফোন করে না। কিন্তু আজও সে শৌনককেই ভালোবাসে।

হঠাৎ আরাত্রিকা এক সপ্তাহ আগে জানতে পেরেছে শৌনকের দু বছর আগে ঠিক হওয়া বিয়ে ভেঙে গেছে। তাহলে কি শৌনক আবার আরাত্রিকার জীবনে ফিরে আসবে?

যদি আরাত্রিকার ভালোবাসা সত্যি হয় আর শৌনক মুহূর্তের জন্য হলেও আরাত্রিকাকে ভালোবেসে থাকে তাহলে তাদের মিলন হবেই।

 




 

 

সমাপ্ত


 

অসমাপ্ত ত্রিকোণ

ঝিলিক গােস্বামী

 

জানিস ঈশান কলেজের নবীনবরণ-এর অনুষ্ঠানে প্রথম যেদিন তাের গলায় গান শুনলাম! সেদিনই আমি তাের প্রেমে পড়েছিলাম।সেদিন তাের গলার স্বরে আমি কেমন যেন বিভাের হয়ে গেছিলাম।কি মিষ্টি সেই গলা , পৌরুষত্বের কোনাে কর্কষতা নেই আবার খুব যে মেয়েলি তাও না ভারী অদ্ভুত মিষ্টি ছিল তাের গলার স্বর। তাের গান শুনতে শুনতে আমি এক স্বপ্নের জগতে চলে গেছিলাম যেখানে শুধু আমি আর তুই আর তাের সেই অদ্ভুত মিষ্টি গলার গান -আমার ভিতর বাহিরে অন্তরে অন্তরে….

সময়ের সাথে সাথে তাের সাথে আমার বন্ধুত্ব হলাে ঠিকই কিন্তু ওর থেকে বেশি আর এগােলাে না তাের সাথে কিছুদিন মেশার পরেই বুঝেছিলাম তুই বাকি পাঁচটা ছেলের মতন সাধারণ না কিন্তু তাও আমি তােকে বার বার আমার মনের কথা বােঝাবার চেষ্টা করেছি কিন্তু তুই বুঝতে চাসনি ।

আমি জানতাম তুই শুভম কে পছন্দ করতিস কিন্তু ও তােকে বারবার কত ভাবে অপমান করত ,ও তাে কোনদিন তােকে তাের নাম ধরেও ডাকত না ও তােকে হিজড়া বলে ডাকত ওর দেখাদেখি কলেজের প্রায় সবাই তােকে ওই এক নাম ডাকতে শুরু করলাে বিশ্বাস কর আমার খুব রাগ হত কিন্তু তুই সব হাসি মুখে মেনে নিতিশ।

 

 


100 Best Bengali Quotes || ১০০ টি সেরা বাংলা উক্তি


 

হ্যাঁ সবটাই ওদের সামনে কিন্তু সত্যিটা আমি জানতাম আমি তােকে ব্যাগের নিচে ফোঁপাতে দেখেছি। তাের কষ্ট দেখে আমারও বুক ফেঁটে কান্না বেরিয়ে আসতে চাইত ইচ্ছে করত ওদের সব কটা কে শাস্তি দিতে। কিন্তু আমি পারিনি। সেই ক্ষোভটা আমার এখনও থেকে গেছে।

তাের মনে আছে!? একদিন তুই আমাকে জোড় করে তাের ফ্ল্যাট-এ নিয়ে গেছিলিস! সেদিন তাের আরেকটা ট্যালেন্ট-এর কথা জানতে পারলাম।কত ভালাে আঁকিস তুই তাের প্রত্যেকটা ছবির যেন এক একটা গল্প তৈরী করে যায় ।তুইতাে সেদিন আমারও একটা ছবি এঁকেছিলিস পুরাে অবিকল আমি আমি ছবিটা নিতে চেয়েছিলাম কিন্তু তুই দিলিনা তাের কাছে রেখে দিলি । তুই বলেছিলিস ।

-এইটা আমি তােকে দেওয়ার জন্য আঁকিনি তৃনা কলেজ শেষ হলে তাে আমি এখান থেকে চলে যাব তাই তাের একটা চিন্হ নিজের সাথে নিয়ে যেতে চাই।

আমিও তাই আর জোর করতে পারলাম না। সেই দিনটা আমি কোনােদিন ভুলবনা। সেই একদিনই তাে আমি তােকে কাছে পেয়েছিলাম। তােকে আরও কাছে পেতে চেয়েছিলাম কিন্তু তুই কাছে আসিসনি তুই সমাজের নির্মম সত্যি টা মেনে নিয়েছিলিস তুই আমার মতন অবুঝ না। তুই বুঝিয়ে দিয়েছিলিস তুই আর আমি কোনদিন এক হতে পারবাে না কারণ তুই মন প্রাণ দিয়ে শুভমকেই ভালােবাসিস।

 




 

এরপর দেখতে দেখতে কখন যে তিনটে বছর পেরিয়ে গেল কলেজের শেষে সব বন্ধুরাই একে একে হারিয়ে যেতে লাগল। তুইও একদিন হারিয়ে গেলি। রেসাল্ট বেরােনাের পর ফেয়ারওয়েল অনুষ্ঠানে তুই এলিনা দেখে আমি তাের ফ্ল্যাটে ছুটে গেছিলাম কিন্তু সেটা তখন তালাবন্ধ , সিকিউরুটির কাছ থেকে জানতে পারলাম তুই চলে গেছিস আর আমার জন্য একটা কবিতার বই রেখে গেছিস রবীন্দ্রনাথের শেষের কবিতা।সেদিন বাড়ি ফিরে বইটা আঁকড়ে ধরে খুব কেঁদেছিলাম।এরপরেও তােকে কিন্তু আমি অনেক খুঁজেছি।খুঁজে পেলাম না তােকে।যে নিজে থেকে হারিয়ে যায় তাকে কি খুঁজে পাওয়া যায়!?

যাইহােক তােকে আমি আমার হৃদয়ে রেখে দেব চিরদিন আর তাের শেষ স্মৃতিটাও। আমি জানি তাের সাথে আমার কোনােদিন দেখা হবেনা কিন্তু বিশ্বাস কর তাের জায়গাটা কেউ মুছে দিতে পারবেনা আমার জীবন থেকে।

তাের জীবনে নতুন কারুর আগমন হয়েছে কিনা জানিনা কিন্তু সেদিন এইটুকু বুঝেছিলাম তুই শুভম আমি বা আমাদের সবাইকে পিছনে ফেলে অনেক এগিয়ে গেছিস নিজেকে ভালােবাসতে শিখেছিস।তুই সকলের উর্ধে এটা তুই বারবার প্রমান করেছিস।তাের হারিয়ে যাওয়া সাক্ষী তুই আমাদের সকলের উর্ধে।

আমি কিন্তু তােকেই ভালােবেসে যাবাে তাের এই ছােট্ট স্মৃতিটা বারবার তাের উপস্থিতি প্রমান করে আমার জীবনে আমার হৃদয়ে আমার ভালােবাসা চিরন্তন হয়ে থাকবে কেউ কেড়ে নিতে পারবেনা তাের স্মৃতি গুলাে এমনকি তুইও না।

 

সমাপ্ত


 

প্রকৃত পুরুষ

প্রিয়াঙ্কা

 

১0 টা 0৫ বাজে, ১১ টায় কলেজ। বাস-এর জন্য দাঁড়িয়ে আছে পারুল। অনেক দেরি হচ্ছে খুব। আবার দুদিন ধরে শরীরটাও ভালো নেই। পিরিয়ডের ডেট আছে সামনে। আজই তো ডেট। বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় ওর মা বলেছিল আজ যাস না শরীরটা ভালো নেই যখন।

কিন্তু কে শোনে কার কথা! যাইহোক, বাস এল। পারুল উঠল। শরীরটা সায় দিচ্ছেনা ওর। বসার সিট ও পায়নি তাই অগত্যা দাড়িয়ে আছে পারুল। কিন্তু শরীরে যে আর দিচ্ছে না। জানান দিচ্ছে শরীরের সমস্ত অনু-পরমানু। পিরিয়ড হয়ে পড়ল পারুল চলন্ত বাসে। কলেজ পৌঁছাতে এখনো ১৫ মিনিট বাকি। পাশের সিটে বসে থাকা একজন কাকিমা কে পারুল বলল, “কাকিমা একটু শুনবেন”?

 

 golpo
golpo

 

– “হুম বলো”।

– “আমার মনে হচ্ছে পিরিয়ড হয়েছে। আপনি যদি একটু আমাকে বসতে দেন তাহলে ভালো হত”।

– “না গো আমার হাঁটু ব্যাথা। আমি দাঁড়াতে পারব না গো বেশিক্ষণ”।

– :ওহ। আচ্ছা ঠিক আছে”।

 




 

 

Golpo Kutir

 

এবার আরো সমস্যা হতে শুরু করল। পারুলের শরীর আর দিচ্ছে না। সাথে আরো ১০ মিনিট, তারপর ১০ মিনিটের আরো হাঁটা পথ তারপর কলেজ। ভেবেই শিহরিত হচ্ছে পারুল। মনে মনে মা-এর বারণ উপেক্ষা করার জন্য অনুশোচিত হচ্ছিল। আবার এটাও feel  করছে সে যে বোধহয় দাগ লাগবে। আর ঠিক তাই হল। একজন মহিলা দাঁড়িয়ে ছিল। সে পারুলের এমন অবস্থা দেখে তাকে ইসারায় তার পরিস্থিতি বোঝালো। সঙ্গে একটু ভ্রুঁ কুচকে নিল।

এতক্ষণ ধরে এই সব কীর্তি মেল সিটে বসে থাকা একজন মধ্য বয়স্ক ভদ্রলোক অনুধাবন করছিলেন।

পারুলের অপ্রস্তুত পরিস্থিতি ।

 




 


Top 50 Best Bengali Good Morning


 

 

বসে থাকা ও দাড়িয়ে থাকা মহিলাদের আচরণ সব।

এবারে ঐ ভদ্রলোক উঠে নিজের সিট রেখে, পারুল কে ডেকে বলল, “মা যদি কিছু মনে না কর । একটা কথা বলব”?

– “হুম বলুন”।

– “তুমি আমার সিটে বস। আমি তোমার বাবার মত। আমি তোমার অবস্থাটা বুঝতে পারছি। আর খুলে কিছু বললাম না। এসো মা আমার সিটে বস। তোমার স্টপেজ এলে তুমি তখন নেমো। কেমন”।

পারুল একদৃষ্টে সেই ভদ্রলোক কে দেখতে থাকল। আর না চাইতেই চোখের বাঁধ তার ভেঙে গেল।

[বি. দ্র. : সব নারী যেমন সহৃদয়া হয়না। ঠিক সে ভাবে সব পুরুষ রাও নারী লোলুপ হয়না। কেউ কেউ আমাদের পিতৃস্থানীয় ভাতৃস্থানীয় হয়, যারা নারীদের নিজ মেয়ে ও ভগিনীর মত সম্মান দেয়।

তাই অনেক কঠিন পরিস্থিতিতেও অনেক পুরুষরাও আদর্শ প্রকৃত পুরুষের মত কাজ করে।]

 




 

সমাপ্ত

 

গল্পটি আপনার কেমন লাগলো রেটিং দিয়ে জানাবেন
[Total: 0   Average: 0/5]
বন্ধুদের সঙ্গে "Share" করুন।
Open chat
1
যোগাযোগ করুন
আপনার গল্পটি প্রকাশ করার জন্য যোগাযোগ এখনে।